আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আঞ্চলিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিন

প্রকাশিত : ৩১ মে ২০১৫
  • চীনকে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ্যাশটন কার্টার শনিবার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দক্ষিণ চীন সাগরে বেজিংয়ের দ্বীপ নির্মাণে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ক্ষুণœ হবে। আঞ্চলিক বিরোধের কারণে চীন যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তা সমাধানে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। খবর ওয়েবসাইটের।

কার্টার এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণে স্বীকার করেন যে, কয়েকটি দেশ অঞ্চলের বিরোধপূর্ণ দ্বীপগুলোতে ঘাঁটি নির্মাণ করছে। কিন্তু তিনি বলেন, চীনের এ উদ্যোগে দেশটির ভবিষ্যত পরিকল্পনার ব্যাপারে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হবে। তিনি হাওয়াইয়ে পার্ল হারবারে শাংগ্রি-লা ডায়ালং নিরাপত্তা ফোরামে বলেন, চীন ২ হাজারের বেশি একর ভূমি জুড়ে দ্বীপ নির্মাণ করছে। সংশ্লিষ্ট অন্য দেশগুলো মিলে এখানে যে পরিমাণ ভূমি রয়েছে তার চেয়ে বেশি চীনের এ দাবিকৃত এলাকা। তিনি বলেন, চীন গত ১৮ মাস ধরে এই করে এসেছে এবং আর কতটা অগ্রসর হবে তা স্পষ্ট নয়। দেশটির দ্বীপ নির্মাণের বিস্তৃতি এবং এর আরও সামরিকীকরণের ভবিষ্যত বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগে পরিস্থিতি মূল্যায়নে ভুল বা সংঘাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে। এ সভায় এক চীনা সামরিক প্রতিনিধি বলেন, এ ধরনের মন্তব্য সঠিক নয়। চীনের একাডেমি অব মিলিটারি সায়েন্সের সিনিয়র কর্নেল ঝাও জিয়াওকৌ বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরে নৌচলাচলের স্বাধীনতার বিষয়টি কোন সমস্যাই নয়। কারণ, এ স্বাধীনতা কখনও ব্যাহত হয়নি। তিনি বলেন, নির্মাণ কর্মকা-ের মাধ্যমে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে চীনের যে সমালোচনা করা হচ্ছে তা ভুল।’ চীন দক্ষিণ চীন সাগর তাদের একটি দাবিকৃত দ্বীপে মোবাইল আর্টিলারি স্থাপন করেছে বলে যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে পেন্টাগন তা নিশ্চিত করার পর কার্টার ঐ মন্তব্য করেন। রিপাবলিকান সিনেটর জন ম্যাককিন বলেছেন, চীনের এ উদ্যোগ উদ্বেগজনক ও সমস্যাকে আরও বৃদ্ধি করবে। কার্টার এখন ১১ দিনের এক এশিয়া সফরে রয়েছেন। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কর্মকা-ের ওপর বৃষ্টি রেখে সমুদ্র নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার পক্ষ তার এ সফর। পার্ল হারবারে ভাষণে তিনি দক্ষিণ চীন সাগরে দ্রুত ভূমি পুনরুদ্ধার অবসান এবং দ্বীপগুলোতে সামরিকীকরণ বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রধান বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরের সম্পদ সমৃদ্ধ দ্বীপগুলোর সার্বভৌমত্বের দাবি নিয়ে প্রতিযোগিতার সমাধান সামরিক উপায়ে সম্ভব নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন বাহিনী আইন অনুযায়ী এ অঞ্চলে নৌ চলাচল ও বিমান উড্ডয়নের স্বাধীনতা নিশ্চিতের জন্য বিমান উড্ডয়ন, জাহাজ চলাচল ও চালনা অব্যাহত রাখবে।

প্রকাশিত : ৩১ মে ২০১৫

৩১/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: