আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সারনায়েভের মৃত্যুদ- কার্যকর হতে লেগে যেতে পারে কয়েক বছর

প্রকাশিত : ১৭ মে ২০১৫

যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন ম্যারাথনে বোমা হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত তরুণ জোখার সারনায়েভকে (২১) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে এই দ- কার্যকর করা হবে। যাবজ্জীবন কারদণ্ড না মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে সেই সিদ্ধান্তে আসতে জুরিদের ১৪ ঘণ্টা সময় লেগেছিল। খবর বিবিসির।

জোখার সারনায়েভ ও তার ভাই তামেরলান সারনায়েভ ২০১৩ সালের ১৫ এপ্রিল বস্টন ম্যারাথন চলার সময় প্রেশার কুকার বোমা হামলা চালান। সে সময় তিনজন নিহত, ২৬০ জন আহত ও দুটি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়। বোমা হামলার পাশাপাশি সারনায়েভের বিরুদ্ধে পুলিশ হত্যা এবং গাড়ি ছিনতাই করে গ্রেফতার এড়ানোর জন্য পালিয়ে যাবার অভিযোগও আনা হয়। বোমা হামলার দু’দিনের মধ্যে তামেরলান সারনায়েভ পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। আর যোখার সারনায়েভকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার করার পর বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ার হামলার পর বস্টন বোমা হামলা সবচেয়ে বড় বোমা হামলা। সারনায়েভ ভ্রাতৃদ্বয় ইসলামের উগ্র ভাবধারায় উজ্জীবিত ছিল বলে বলা হয়। প্রায় দু’বছর আইনী প্রক্রিয়া শেষে এই রায় দেয়া হলো। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কৌঁসুলি কারমেন ওর্টিজ বলেছেন, সকল মুসলিমের পক্ষ থেকে সে এই কাজ করেছে বলে দাবি করেছে।

কিন্তু এই নিয়ে কোন ভুল বোঝার সুযোগ নেই, কারণ এটি কোন ধর্মীয় অপরাধ নয় এবং অবশ্যই এটি মুসলিম মতের প্রতিফলনও নয়। যুক্তরাষ্ট্রকে আতঙ্কিত করার উদ্দেশ্যই এই হামলা করা হয়েছিল। বোমা হামলার মামলাটি ১০ সপ্তাহ ধরে চলে এবং ১৫০ জন সাক্ষ্য দেয়। সারনায়েভের আইনজীবী আদালতে আপীল করবেন বলে জানিয়েছেন। সেক্ষেত্রে আপীল মীমাংসা শেষে মৃত্যুদ- কার্যকর করতে আরও সময় লেগে যেতে পারে। চেচেন বংশোদ্ভূত সারনায়েভ ভ্রাতৃদ্বয় ২০০২ সালে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে আসে।

ইরাকের রামাদির সরকারী ভবন আইএসের দখলে

ইরাকের সবচেয়ে বড় প্রদেশ আনবারের রাজধানী রামাদির প্রধান সরকারী ভবন দখল করে নিয়েছে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গীরা। শহরটির পুলিশ সদর দফতর ও গবর্নরের কার্যালয় দখল করতে ছয়টি গাড়িবোমার বিস্ফোরণ ঘটায় ও মর্টারের গোলা ছোড়ে আইএস জঙ্গীরা। খবর বিবিসির।

ব্যাপক হামলা চালিয়ে ভবনটি দখলে নেয়ার পর জঙ্গীরা অন্তত ৫০ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে বন্দী করে। কৌলশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আনবার প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার লক্ষ্যে আইএস জঙ্গী ও ইরাকী বাহিনী মাসের পর মাস লড়াই চালিয়ে আসছিল। আইএস জঙ্গীরা রামাদিতে রাতভর লড়াই চালায়। সরকারী ভবনগুলোর চত্বরে আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলা চালায় তারা। এসব হামলায় অন্তত ১০ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত ও অনেক পুলিশ আহত হয়েছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রকাশিত : ১৭ মে ২০১৫

১৭/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: