আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বেজিং দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষুদ্র দেশগুলোকে ভয় দেখাচ্ছে ॥ ওবামা

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বৃহস্পতিবার বলেছেন, চীন দক্ষিণ চীন সাগরে ছোট ছোট দেশকে ভয় দেখাতে এর নিছক আয়তন ও পেশী শক্তিকে ব্যবহার করছে বলে ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে বেজিং ঐ বিরোধপূর্ণ জলপথে কৃত্রিম দ্বীপ সৃষ্টির সমর্থন করে এক বিবৃতি দেয়। খবর গার্ডিয়ান অনলাইলেন।

চীন দক্ষিণ চীন সাগরে স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জের সাতটি শৈলশ্রেণীর চারদিকে চীন দ্রুত ভূমি উদ্ধারের কাজ করে যাচ্ছে। তবে ফিলিপিন্স ও ভিয়েতনামের মতো অন্য দাবিদাররা শঙ্কিত হয়ে উঠেছে এবং মার্কিন সরকারী কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনী চীনের তৎপরতার ক্রমশ সমালোচনা করছেন। নতুন নতুন দ্বীপ ঐ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে পাল্টে দেবে না। কিন্তু শ্রমিকরা বন্দর ও জ্বালানি মজুতাগার এবং সম্ভবত দুটি বিমানঘাঁটি তৈরি করতে থাকায় বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এতে চীন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নৌচলাচলের কেন্দ্রস্থলের অভাবে শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। ওবামা বলেন, আমরা চীনকে নিয়ে উদ্বিগ্ন কারণ দেশটি যে অবশ্যই আন্তর্জাতিক নিয়ম কানুন মেনে চলছে, এমন নয় এবং ছোট ছোট দেশকে নতি স্বীকারে বাধ্য করতে এর নিছক আয়তন ও পেশী শক্তিকে ব্যবহার করছে। তিনি পানামায় ক্যারিবীয় শীর্ষ সম্মেলনের আগে বৃহস্পতিবার জ্যামাইকার এক টাউন হলে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, আমরা মনে করি এর সমাধান কূটনৈতিক উপায়ে করা সম্ভব, কিন্তু ফিলিপিন্স বা ভিয়েতনাম চীনের মতো বড় নয় বলেই যে তাদের দূরে হটিয়ে দিতে হবে এটা ঠিক নয়। চীন জ্বালানি সমৃদ্ধ দক্ষিণ চীন সাগরের অধিকাংশ নিজের বলে দাবি করছে। এ সাগর দিয়ে জাহাজযোগে প্রতিবছর ৫ লাখ কোটি ডলারের পণ্য চলাচল করে। এ সাগরের ওপর ফিলিপিন্স, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও মালিকানা দাবি করে থাকে। ওবামার প্রতিক্রিয়ার আগে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনাইং স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ঐ দ্বীপপুঞ্জে নির্মাণাধীন অবকাঠামোগুলোকে সামরিক প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য দেশের উপকারে আসবে এমন বেসামরিক সাহায্য দিতে ব্যবহার করা হবে। হুয়া সংবাদ ব্রিফিংয়ে সেগুলোকে সামরিক প্রতিরক্ষায় ব্যবহার করার বিষয়ে কিছু বলেননি। তিনি বলেন, স্থলভাগ থেকে দূরে বহু জাহাজ চলাচলের এলাকাটিতে তাইফুনের ঝুঁকি থাকার কারণেও ভূমি উদ্ধার ও অবকাঠামো নির্মাণ করার প্রয়োজন হয়েছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট নির্মাণকাজ সম্পূর্ণভাবেই চীনের সার্বভৌমত্বের অন্তর্গত এক বিষয়। এটি সঠিক নয়, ন্যায়সঙ্গত ও বৈধ, এটি কোন দেশকে প্রভাবিত করে না এবং কোন দেশের ক্ষতি করতেও কাজ করা হচ্ছে না। ব্রুনেই ছাড়া অন্য সব দেশ স্প্রাটলির তাদের ঘাঁটিগুলো শক্তিশালী করেছে। এটি চীনের মূল ভূখ- থেকে প্রায় ১৩০০ কিলোমিটার (৮১০ মাইল) দূরে কিন্তু দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দাবিদার দেশগুলোর অনেক কাছে অবস্থিত)।

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫

১১/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

বিদেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: