মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

সৈয়দপুরে ১৫ পোশাক কারখানা বন্ধ ॥ ৫শ’ শ্রমিক বেকার

প্রকাশিত : ৭ এপ্রিল ২০১৫
  • অবরোধ-হরতালে ১১ কোটি টাকার অর্ডার হাতছাড়া

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ বিএনপির নেতৃত্বে টানা অবরোধ আর বিক্ষিপ্তভাবে ডাকা হরতালে নীলফামারীর সৈয়দপুরে রফতানিমুখী ক্ষুুদ্র পোশাক কারখানা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ১১ কোটি টাকার অর্ডার হাতছাড়া হওয়ায় ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের অর্থ তুলতে না পারায় পুঁজি সঙ্কটে বন্ধ হয়ে গেছে ১৫টি তৈরি পোশাক কারখানা। কারখানা মালিক সূত্রে জানা যায়, বাণিজ্যিক শহর সৈয়দপুরে ঢাকা ও চট্টগ্রামের গার্মেন্টস কারখানার ঝুট কাপড় থেকে তৈরি প্রায় ৫শ’ ক্ষুদ্র পোশাক কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় জ্যাকেট, ট্রাউজার, হাফপ্যান্ট, থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট, কার্গো প্যান্ট ও টি-শার্ট তৈরি করা হয়। এসব তৈরি পোশাক রফতানি করা হয় নেপাল, ভুটান ও মালয়েশিয়ার বাজারে। বিদেশী ক্রেতাদের অর্ডার অনুযায়ী সারাবছর সরবরাহ করা হয় এসব তৈরি পোশাক। রফতানির এই ভর মৌসুমে চলা অবরোধ-হরতালে তৈরি পোশাক সময়মতো পাঠাতে পারেনি। ফলে তারা ১১ কোটি টাকার অর্ডার বাতিল করে দিয়েছেন। এতে করে অর্ডার নেয়া ১১ কোটি টাকার বিনিয়োগ আটকা পড়েছে কারখানা মালিকদের। তৈরি পোশাক রফতানি না হওয়ায় পণ্যের মজুদ গুদামে স্তূপ হয়ে আছে। এর মধ্যে পুঁজির অভাবে ১৫টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৫শ’ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। সৈয়দপুর রফতানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক গ্রুপের সাধারণ স¤পাদক ও আনাস গার্মেন্টস কারখানার মালিক নাজমুল হোসাইন মিলন বলেন, তাদের পোশাক রফতানির ভর মৌসুমে হরতাল-অবরোধে সময়মতো পণ্য পাঠাতে পারেনি। বিনিয়োগ করা পুঁজি তুলতে না পারায় কারখানার মালিকরা চরম সঙ্কটে পড়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দেশে-বিদেশে তাদের অর্ডার সিকিভাগে নেমে এসেছে। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও সড়ক পথে পণ্য পরিবহনে ঝুঁকির কারণে রফতানিতে চরম মন্দা নেমে এসেছে। অর্থাভাবে এসএমই ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করতে পারছেন না অনেক মালিক। ব্যবসার এই বৈরী পরিবেশে কেবল মালিকই নয়, এর সঙ্গে জড়িত ২০ হাজার নারী-পুরুষ শ্রমিকের আয়ও হুমকির মুখে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রকাশিত : ৭ এপ্রিল ২০১৫

০৭/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: