কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

প্রতারক থেকে সাবধান ॥ অবৈধ অভিবাসীদের প্রতি গ্রেস মেং

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী ২০১৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নির্বাহী আদেশে অবৈধ অভিবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট দেয়ার কথা বলা হলেও একটি চক্র ‘গ্রিনকার্ড’ পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর ওয়েবসাইটের।

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাটদলীয় সদস্য গ্রেস মেং শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তাদের মাধ্যমে আবেদন করলে খুব দ্রুত গ্রিনকার্ড (স্থায়ীভাবে বসবাসের সনদ) পাওয়া যাবে বলে প্রতারক চক্রটি প্রচার করলেও ওবামার নির্বাহী আদেশে এ ধরনের কোন সুযোগ রাখা হয়নি। ‘প্রেসিডেন্টের আদেশের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতে সংঘবদ্ধ একটি চক্র মাঠে নেমেছে এবং তারা অবৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এ প্রতারক চক্রে কিছু অসাধু এ্যাটর্নি, অভিবাসন কসালট্যান্টও রয়েছেন। এরা অবৈধ অভিবাসীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মোটা অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ফাঁদ পেতেছে।’ গ্রিনকার্ড হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সনদ, যাকে ‘পারমানেন্ট রেসিডেন্সি কার্ড’ বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত সোয়া কোটি অবৈধ অভিবাসীর মধ্যে প্রায় ৫০ লাখকে বৈধতা দিতে গত ২০ নবেম্বর প্রেসিডেন্ট ওবামা একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। এই আদেশের মাধ্যমে ২০১০ সালের জানুয়ারির আগে যুক্তরাষ্ট্রে আগত অভিবাসীদের মধ্যে যাদের স্বামী বা স্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা গ্রিনকার্ডধারী তারাই কেবল তিন বছরের জন্য ওয়ার্ক পারমিট পাবেন। এজন্য আগামী মে মাসের পর আবেদন গ্রহণ করা হবে। ওয়ার্ক পারমিটধারীরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে নিজ দেশে যাতায়াতও করতে পারবেন। তবে ওবামার ওই আদেশ অনুযায়ী ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন কিংবা এর আওতায় অবৈধ অভিবাসীদের গ্রিনকার্ড দেয়ার কোন কথা বলা হয়নি।

সৌদি ব্লগারের দ- পর্যালোচনা করবে সুপ্রীম কোর্ট

এক হাজার কশাঘাত ও ১০ বছরের কারাদ-ে দ-িত উদারমতাবলম্বী সৌদি ব্লগারের বিরুদ্ধে দ-াদেশ পর্যালোচনার জন্য বিষয়টি সুপ্রীমকোর্টে স্থানান্তর করেছে বাদশাহর দফতর। খবর বিবিসি।

ব্লগার রাইফ বাদাউইর স্ত্রী এনসাফ হায়দার বলেছেন, তার স্বামীকে শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় ৫০ কশাঘাত মারার আগে পুনর্সিদ্ধান্তের জন্য মামলাটি শীর্ষ আদালতে স্থানান্তর করায় বাদাউইর মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে যে, তার ওপর প্রদত্ত শাস্তি প্রত্যাহার করা হবে। প্রথম দফার ৫০ কশাঘাতের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে দ্বিতীয় দফার কশাঘাত স্থগিত করা হয়। বাদাউই ২০০৮-এ লিবারেল সৌদি নেটওয়ার্ক নামে একটি অনলাইন ফোরাম গঠন করেন যেখানে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিষয়ের ওপর বিতর্ক উৎসাহিত করা হতো।

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী ২০১৫

১৮/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: