মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হুমকিতে চবি অচলের আশঙ্কা

প্রকাশিত : ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪

চবি সংবাদদাতা ॥ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের পাল্টাপাল্টি অবরোধের হুমকি দিয়েছে ছাত্রলীগের দুটি পক্ষ। শনিবার পৃথক দুটি কর্মসূচীতে এ হুমকি দেন ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক সংগঠন ভিএক্স ও সিএফসি গ্রুপের নেতাকর্মীরা। শনিবার বেলা একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর সড়কে বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অবরোধের হুমকি দেয় ছাত্রলীগের ভিএক্স গ্রুপ। আর বেলা দেড়টার দিকে চাকসুতে চবি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অবরোধের হুমকি দেয় সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে তাপস হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে ভিএক্সের কর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি চবি এক নম্বর গেট থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের দিকে আসতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় রেল স্টেশন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ভিএক্সের কর্মীরা। বিক্ষোভ সমাবেশে স্থানীয় ও অছাত্রদের আধিপত্য ছিল লক্ষণীয়। পাশাপাশি ভিএক্স গ্রুপের কিছু কর্মীও উপস্থিত ছিল বলে সূত্র জানায়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, অমিত কুমার বসু, সুমন মামুন, রাকিব হোসেন ও শাহাদাত হোসেন জুয়েল তাপস সরকারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ছাত্রলীগের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এ চারজন অছাত্র হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে অবস্থান করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আজ রবিবারের এর মধ্যে ভিএক্সের ছয় দফা দাবি পূরণ করা না হলে কাল সোমবার থেকে লাগাতার অবরোধ কর্মসূচী পালন করবে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

অন্যদিকে বেলা দেড়টার দিকে চবি সাংবাদিক সমিতি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে সিএফসি কর্মীরা। এ সময় ছয় দফা দাবি উপস্থাপন করে অবিলম্বে তা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় তারাও অবরোধ কর্মসূচীর ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সদস্য নাজমুল হক। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর সিরাজউদ্দৌলা ছাত্রলীগের কিছু পথভ্রষ্ট, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃতদের দিয়ে গঠন করেছে নিজস্ব পেটোয়া বাহিনী। যা আমরা আগেও বলেছি। যার চূড়ান্ত প্রমাণ মেলে গত ১৪ ডিসেম্বর। এরপর গত ২৩ ডিসেম্বর খুনীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করানোর ঘোষণা দিয়ে প্রক্টর তার পেটোয়া বাহিনীর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করলেন। তিনি আরও বলেন, প্রক্টর নির্লজ্জভাবে পেটোয়া বাহিনী গঠন করে খুনের রাজনীতিতে লিপ্ত হয়েছেন। যার প্রমাণ তাপস হত্যার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়া দূরের কথা, একবারের জন্যও শোক প্রকাশ করেনি। এ সময় সংবাদ সম্মেলন থেকে ছয় দফা দাবি জানানো হয়।

প্রকাশিত : ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪

২৮/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: