কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

কুড়িগ্রাম ও মাগুরায় বাড়ছে নিউমোনিয়া ডায়রিয়া

প্রকাশিত : ১২ ডিসেম্বর ২০১৪
  • বারো ঘণ্টায় তিন শতাধিক শিশু হাসপাতালে

স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম ॥ জেলায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১২ ঘণ্টায় নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৪৫ শিশু হাসাপাতালে ভর্তি হয়েছে। আউটডোরে প্রতিদিন শীতজনিত রোগে ২ থেকে ৩শ’ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ নজরুল ইসলাম জানান, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডায়রিয়া নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাছাড়া প্রতিদিন আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছে ২ থেকে ৩শ’ রোগী যাদের বেশিরভাগই সর্দি কাশিসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত। বৃহস্পতিবার সারাদিন সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে গোটা জনপদ। বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কাহিল হয়ে পড়ছে চর-দ্বীপ কয়েক লাখ মানুষ। নদ-নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষজন গরম কাপড়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা মাগুরা থেকে জানান, মাগুরায় কুয়াশা ও ঠা-ায় শিশুদের মধ্যে ঠা-া জনিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ৩ শতাধিক শিশু ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছে । মাগুরা সদর হাসপাতালের ১০ বেডের শিশু ওয়ার্ডে বুধবার পর্যন্ত ১৬০ টি শিশু ভর্তি রয়েছে । প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৪৫ শিশুকে নিয়ে তাদের অবিভাবকরা হাসপাতালে আসছেন চিকিৎসা নিতে। এছাড়া অনেকে ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছে । ডাক্তারের চেম্বারে শিশুরোগীদের প্রচুর ভিড় দেখা যায়।

জয়পুরহাটে রেল দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু ॥ আহত ২৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, জয়পুরহাট, ১১ ডিসেম্বর ॥ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জয়পুরহাট-পাঁচবিবি রেলপথের শিমুলতলীতে রেল দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ১৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক ৪ জনকে বগুড়ায় স্থানান্তরিত করা হয়ছে। জয়পুরহাট হাসপাতাল ছাড়াও অন্য আহতদের বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। জানা যায়, খুলনা থেকে পার্বতীগামী তেলবাহী একটি ট্যাঙ্কার ট্রেন জয়পুরহাট স্টেশন থেকে ৪টা ৫ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ায় পর জয়পুরহাট পাঁচবিবির শিমুলতলীতে ইঞ্জিন থেকে ট্যাঙ্কার বগিগুলোর জয়েন্ট বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে এলাকাবাসী চালককে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কথা বললে চালক ইঞ্জিনে হার্ড ব্রেক করলে বিচ্ছিন্ন হওয়া ট্যাঙ্কারের সঙ্গে প্রচ- বেগে ধাক্কা লাগে। এ সময় ইঞ্জিনে ও ট্যাঙ্কারের পাশে থাকা প্রায় ৩০ জনের মতো যাত্রী পড়ে যায়। এতে করে প্রায় ১৫ জনের হাত-পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই জুয়েল নামে ১৪ বছরের এক শিশু মারা যায়। হাসপাতালে ভর্তির পর একজন অজ্ঞাতনামাসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়। নিহত অপর দুইজনের নাম আব্দুল খালেক (৪০), বাড়ি হিলি ও জয়পুরহাট কালেক্টরেট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের নৈশ্য প্রহরী আজাহার (৪০)।

প্রকাশিত : ১২ ডিসেম্বর ২০১৪

১২/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: