কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

সাখাওয়াতসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ২৬ জুলাই

প্রকাশিত : ২১ জুন ২০১৫, ০১:২৯ পি. এম.

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় পার্টির নেতা যশোর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাখাওয়াত হোসেনসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিলের দিন আগামী ২৬ জুলাই ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার এ দিন ধার্য করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন সময়ের আবেদনে জানান, এ মামলার তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তৈরি করে ট্রাইব্যুনালে দাখিলের জন্য সময়ের প্রয়োজন।

গত ১৬ জুন সাখাওয়াতসহ যশোরের কেশবপুরের ১২ জনের বিরুদ্ধে এ মামলার তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে দাখিল করেন তদন্ত সংস্থা। ১৪ জুন তদন্ত সংস্থার কার্যালয় রাজধানীর ধানমণ্ডি সেফহোমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তদন্ত সংস্থা। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা-গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

একই মামলার আসামি ওই ১২ জনের মধ্যে সাখাওয়াত হোসেনসহ গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আটক রয়েছেন চারজন। গ্রেফতারকৃত অন্য তিনজন হচ্ছেন মো. বিল্লাল হোসেন, মো. আকরাম হোসেন ও অজিহার মোড়ল ওরফে ওজিয়ার মোড়ল।

পলাতক বাকি আসামিরা হলেন- মো. ইব্রাহিম হোসেন, শেখ মোহাম্মদ মুজিবর রহমান, মো. আব্দুল আজিজ সরদার, মো. আজিজ সরদার, কাজী ওয়াহেদুল ইসলাম, মো. লুৎফর মোড়ল, মো. আব্দুল খালেক মোড়ল এবং মশিয়ার রহমান।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলেও এ আটজন এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় তাদেরকে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

২০১২ সালের ১ এপ্রিল থেকে এ মামলায় তদন্ত শুরু করে গত ১৩ জুন শেষ করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক খান। মুক্তিযোদ্ধাসহ ৩২ জনকে এ মামলার সাক্ষী করা হয়েছে।

সাখাওয়াতসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ২০০৯ সালে যশোরে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। ওই বছর জুন মাসে তাকে কেশবপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে ছাড়া পেয়ে আত্মগোপন করেন। পরে ওইসব মামলা ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

প্রসিকিউশনের আবেদনে গত বছরের ২৬ নভেম্বর সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ২৯ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরখান থেকে সাখাওয়াত হোসেনকে গ্রেফতার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে গিয়ে একই অপরাধে আরও ১১ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে এ মামলায় মোট আসামি হন ১২ জন। প্রসিকিউশনের আবেদনে গত ১২ মে বাকি ১১ জনের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর ওইদিন রাতেই তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করার পর ১৩ মে হাজির করা হলে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রকাশিত : ২১ জুন ২০১৫, ০১:২৯ পি. এম.

২১/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: