মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

ন্যানো টেকনোলজি প্রয়োগের দিকে পৃথিবী

প্রকাশিত : ৩০ মে ২০১৫

পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রক্রিয়া ন্যানো টেকনোলজি। এর কাজ অতি সূক্ষ্ম। সাধারণত কোন বস্তুর সবচেয়ে সূক্ষ্ম কণাটির ১০০ ন্যানো মিটারের চেয়ে ছোট কাঠামো নিয়ে এটি কাজ করে। ন্যানো মিটার হলো মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যরে একটি একক, যা এক মিটারের ১০০ কোটির এক ভাগের সমান। অথবা এক মিলিমিটারের এক মিলিয়ন ভাগের এক ভাগ। এটি ন্যানো-প্রযুক্তি, আলো ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ন্যানো-প্রযুক্তির জনক রিচার্ড ফাইনম্যান। ১৯৫৯ সালের ২৯ জানুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ার ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় বক্তৃতা দেয়ার সময় প্রথম ন্যানো-প্রযুক্তির ধারণা দেন নোবেলজয়ী এই আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী। এ প্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসাবিজ্ঞান, বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদনসহ অনেক ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।

প্যাকেজিং, ওষুধ, ইলেক্ট্রনিক্স, তৈরি পোশাক, যানবাহন, জ্বালানি ও বিদ্যুতসহ সম্ভাবনাময় শিল্প খাতে এ প্রযুক্তি প্রয়োগ করে শিল্পসমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব। চীন, জাপান, জার্মানিসহ অনেক দেশ ইতোমধ্যে এ খাতে ব্যাপক পরিমাণে বিনিয়োগ করে শিল্পায়নের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা সংযোজন করেছে। ন্যানো টেকনোলজির প্রয়োগ বিশ্বব্যাপী শিল্পায়নের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এ প্রযুক্তি প্রয়োগ করে মরণব্যাধি ক্যান্সার চিকিৎসা, উন্নত ওষুধ ও মেডিকেল ডিভাইস, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বস্ত্র, গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত পণ্য, পরিবেশবান্ধব কৃষি উৎপাদন প্রযুক্তি, সবুজ জ্বালানি, হেলথ কেয়ার পণ্য, নির্মাণসামগ্রীসহ বিভিন্ন ধরনের উন্নতমানের হাল্কা, টেকসই, পরিচ্ছন্ন, মূল্যসাশ্রয়ী ও দীর্ঘস্থায়ী শিল্পপণ্য তৈরি হচ্ছে। বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো এ খাতের গবেষণায় শতকরা প্রায় ২০ ভাগ ব্যয় করছে।

আইটি ডট কম প্রতিবেদক

প্রকাশিত : ৩০ মে ২০১৫

৩০/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: