মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

জমির পরিমাণ ও জনসংখ্যা

প্রকাশিত : ২৪ মে ২০১৫

বাংলাদেশ ও ভারতের মোট ছিটমহলের সংখ্যা ১৬২টি। এর মধ্যে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতের ছিটমহলের সংখ্যা ১১১। আর ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের ছিটমহল ৫১টি। ২০১১ সালে ছিটমহলে জনগণনা শুমারি অনুযায়ী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার। আর বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতের ১১১টি ছিটমহলের বসবাসকারীর সংখ্যা প্রায় ৩৭ হাজার। তবে এখন মানুষের সংখ্যা আরও বেড়েছে। নতুন করে সমীক্ষার পরে প্রকৃত মানুষের সংখ্যা জানা যাবে। সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পর ভারতের ১১১টি ছিটমহল যার জমির পরিমাণ ১৭ হাজার একর বাংলাদেশের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে। অনুরূপভাবে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতে যুক্ত হবে। ৫১টি ছিটমহলে জমির পরিমাণ সাত হাজার একর। এই ছিটমহলগুলোতে প্রায় ৫১ হাজার লোক বাস করে, যারা দুই দেশ থেকে কোন নাগরিক সুবিধা পান না। ছিটমহলগুলো হস্তান্তরের সময় তাদের ইচ্ছার ভিত্তিতে তাদের নাগরিকত্ব নির্ধারিত হবে।

দুই দেশের মধ্যে অনিষ্পন্ন জমিও রয়েছে। এই জমির পরিমাণ ৫ হাজার ৪৪ দশমিক ৭২ একর। এর মধ্যে ভারত পাবে প্রায় ২ হাজার ৭৭৭ একর। আর বাংলাদেশ পাবে ২ হাজার ২৬৭ একর জমি। ভারতের ভেতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে। এগুলো প্রশাসনিক দিক থেকে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম এবং কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী ও ভুরুঙ্গামারী থানার অন্তর্গত। এদের মধ্যে লালমনিরহাটের আওতায় ৩৩টি ও কুড়িগ্রামের আওতায় রয়েছে ১৮টি ছিটমহল। ভৌগোলিক দিক থেকে এদের ৪৭টি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের কোচবিহার জেলার অভ্যন্তরে এবং ৪টি জলপাইগুড়ি জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত।

ছিটমহলের সংখ্যা ও জনসংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি

বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি, ভারতের হ্যান্সাস বুক অব রেকর্ডস ও ছিটমহলের বিভিন্ন তথ্যমতে, পঞ্চগড় জেলায় ভারতের ৩৬টি ছিটমহল রয়েছে। আর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখার হিসাবমতে ১২টি ছিটমহল। এই ১২টি ছিটমহলের হিসাব ধরেই হেড কাউন্টিং বা মাথা গণনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছিটমহলে মোট জমির পরিমাণ ৬ হাজার ১৯০ একর এবং ১৯ হাজার ৪৩ জন লোক বসবাস করছে। তবে ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বলেন, আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী পঞ্চগড়ে ৩৬টি ছিটমহল রয়েছে।

উভয় দেশের ছিটমহলে হেড কাউন্টিং বা মাথা গণনার হিসাবকে অযৌক্তিক বলে মনে করেন বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির নেতারা। এ গণনায় দু’দেশের ১৬২টি ছিটমহলে মোট লোকসংখ্যা দেখানো হয়েছে ৫১ হাজার। সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বলেন, উভয় দেশের গণনাকারীরা শুধুমাত্র ছিটমহলে বাড়ি আছে এমন নাগরিকদেরই গণনা করেছেন। ছিটমহলে জমি আছে কিন্তু বাড়ি বাংলাদেশী জমিতে এমন অনেক লোককে গণনা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। তাদের হিসাব ধরলে লোকসংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে যাবে।

প্রকাশিত : ২৪ মে ২০১৫

২৪/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: