কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

একটি আলোচিত ম্যাচের পোস্টমর্টেম!

প্রকাশিত : ৮ এপ্রিল ২০১৫
একটি আলোচিত ম্যাচের পোস্টমর্টেম!
  • সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ

ক্রিকেটে ম্যাচ জিততে ভাগ্য একটা বড় ভূমিকা পালন করে এ কথাটা আমি আগেও অনেকবার লিখেছি। আমার অনেক বন্ধু এ নিয়ে তর্কে যেতে চেয়েছেন। আমি কোন বিতর্কে যেতে চাইনি। কেননা এটি একটি আপেক্ষিক বিষয়। যে যেভাবে দেখেন। আজ এ কথাটা আবার লিখছি বিশ্বকাপে দ. আফ্রিকার বার বার ‘ভাগ্য বঞ্চিত’ হওয়া প্রসঙ্গে। ভাগ্য সহায় না থাকলে যে ভাল দল নিয়েও কাপ জেতা যায় না তার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ স্প্রিংবকরা। বিশ্বকাপে ভাগ্য তাদের বার বার বঞ্চিত করেছে। আর বিশ্বকাপে বার বার বঞ্চিত হতে হতে আজ তারা ‘চোকার’ বনে গেছে। অনেকে ভেবেছিল এবারে শিরোপা জিতে তারা তাদের চোকার বদনামটা ঘোচাতে পারবে। কিন্তু না, এবারেও তারা পারেনি। শিরোপার অনেকটা কাছে এসেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তাদের স্বপ্ন ভঙ্গ হলো আরেকবার। আবার সেই বৃষ্টি, আবার সেই কার্টেল ওভার; ভাগ্যের নির্মমতায় আবার আরও একটি পরাজয়। আরও একবার ভাগ্যের কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ। সে কথায় পরে আসছি।

১৯০৯ সালে গঠিত আইসিসির তৃতীয় প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদেশ দ. আফ্রিকা। বাকি দু’দেশ ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। সেই দ. আফ্রিকাকে ১৯৭০ সালে আইসিসি বর্ণবাদের কারণে ক্রিকেট থেকে নির্বাসন দেয়। দীর্ঘ ২১ বছর নির্বাসনে থাকার পর ১৯৯১ সালে আইসিসি তাদের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। আর সে কারণে তাদের ’৯২ সালে পঞ্চম বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। দ. আফ্রিকাকে খেলার সুযোগ দেয়ার কারণে ’৯২ বিশ্বকাপের ফরম্যাট ও ফিক্সচার পরিবর্তনও করতে হয়। ৮টির জায়গায় ৯টি দল হওয়ায় এ বিশ্বকাপে খেলা হয় নতুন ফর্মেটে।

অভিষেক বিশ্বকাপে সকলের প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলছিল দ. আফ্রিকানরা। বিশ্বকাপে তাদের অভিষেক ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তারা ক্রিকেটবিশ্বকে জানিয়ে দেয়, বিশ্বকাপ ঘরে তোলার শক্তি ও সামর্থ্য তাদের আছে। আর এই একটি ম্যাচের পর বিশ্বকাপে তাদের ভক্ত-অনুরাগী মিলতে কোন বেগই পেতে হয়নি। গ্রুপ পর্বে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৬৪ রানে, পাকিস্তানকে ৩৭ রানে, ভারতকে ৬ উইকেটে ও জিম্বাবুইয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, শ্রীলঙ্কার মতো চার চ্যাম্পিয়নকে হটিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়ে তামাম ক্রিকেটবিশ্বকে চমকে দেয়। কিন্তু সেমিফাইনালে ভাগ্য তাদের সহায় ছিল না। বৃষ্টি তাদের ন্যায্য জয় কেড়ে নেয়। এমন একজন ক্রিকেটানুরাগী খুঁজে পাওয়া যাবে না যিনি মনে করেন না বিশ্বকাপের সে ম্যাচে দ. আফ্রিকা জিততো না। বৃষ্টি আইনের রসিকতায় বৃষ্টির কারণে শুরুতেই ৫০ ওভারের ম্যাচ কমিয়ে ৪৫ ওভার করা হয়। ৪৫ ওভারে ২৫৩ রান করা স্প্রিংবকদের কাছে তখন কোন ব্যাপারই ছিল না। সেভাবেই তারা এগোচ্ছিল। তাতে আবার বাদ সাধে বৃষ্টি। খেলার মাঝ পথে আবার ২ ওভার কমিয়ে আনা হয়। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। থেকে থেকে ঝরতে থাকে চৈত্রের বারিধারা। আর তাতে করে আবারও ওভার কমে। কমতে কমতে শেষে দ. আফ্রিকাকে করতে বলা হয় ১ বলে ২২ রান। যা কিনা ঊনিশ শতকের সেরা তামাশায় পরিণত হয়। দ. আফ্রিকা হারে ২০ রানে। হারে না বলে বলা যায়, দ. আফ্রিকাকে হারানো হয় ২০ রানে। তবে খেলার মাঠে হারলেও পাঠকের বিচারে সে বিশ্বকাপের অঘোষিত চ্যাম্পিয়ন ছিল দ. আফ্রিকানরাই।

১৯৯৬ সালে পরের বিশ্বকাপেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আবার সেই সেমিফাইনালে থেমে যায় দ. আফ্রিকার জয়রথ। নিজেদের ভুলে ও অনভিজ্ঞতায় কাপ জেতার স্বপ্ন আরও একবার ধুলিসাৎ হয় দ. আফ্রিকানদের। এবারও গ্রুপ পর্বের ৫টি ম্যাচের সব ক’টিতে (ইংল্যান্ডকে ৭৮ রানে, পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে, নিউজ্যিান্ডকে ৫ উইকেটে, নেদারল্যান্ডকে ১৬০ রানে ও আমিরাতকে ১৬৯ রানে) জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ১৯ রানে হেরে এবারও তাদের বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়। ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপের সপ্তম আসরেও সূচনাটা ভালই করেছিল দ. আফ্রিকানরা। গ্রুপ পর্বের সবগুলো খেলায় তারা ইংল্যান্ড, ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুইয়ে ও কেনিয়াকে হারিয়ে আবারও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার সিক্স কোয়ালিফাই করে। সুপার সিক্সে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে তারা আবার সেমিফাইনালে ওঠে। সেমিফাইনালে আরও একবার পরিহাসের শিকার হয়। অস্ট্রেলিয়ার ২১৩ রানের জবাব দিতে গিয়ে ৪৯.৩ বলে তাদেরও স্কোর গিয়ে দাঁড়ায় ২১৩ রানে। তার মানে রান সমান সমান। দ. আফ্রিকার হাতে তখন ৩টি বল ও ১টি উইকেট। দ. আফ্রিকা যদি বাকি ৩ বলে কোন রান নাও নিতো তাহলেও কম উইকেট হারানোর সুবাদে তারাই ফাইনাল খেলত। কিন্তু তারা সেটা করেনি। কোন হিসেব না করেই তাড়াহুড়ো করে রান নিতে গিয়ে রান আউট হলেন এ্যালান ডোনাল্ড। আর এই রান আউটের সঙ্গে সঙ্গে আরও একবার সমাধিস্থ হলো দ. আফ্রিকার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন।

২০০৩ সালে সমর্থকদের প্রত্যাশার চাপে দেশের মাটিতে অল্পের জন্য সুপার সিক্সে উঠতে পারেনি দ. আফ্রিকা। এবারেও ভিলেন সেই বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে শ্রীলঙ্কার সঙ্গের ম্যাচ পরিত্যক্ত না হলে শ্রীলঙ্কার জায়গায় দ. আফ্রিকা সুপার সিক্স খেলত বলে অনেকে মনে করেন। ২০০৭ সালে আবার স্ব-মহিমায় ফিরে আসে দ. আফ্রিকা। তারা গ্রুপপর্বের ৩ ম্যাচের ২টিতে জিতে গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে সুপার এইটে ওঠে। সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে দ. আফ্রিকানরা সেমিফাইনালে উঠলেও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের কাছে হার তাদের সে জয়ে পূর্ণতা দেয়নি। বিশেষ করে বাংলাদেশের কাছে পরাজয় তাদের সব অর্জন ম্লান করে দেয়। সেমি-ফাইনালে প্রতিপক্ষ আবার সেই অস্ট্রেলিয়া। ভাগ্যদেবী আবার দ. আফ্রিকার ওপর অপ্রসন্ন। সুতরায় ফলাফলের পুনরাবৃত্তি। এবার আর ভাগ্যদেবীর কিছু করতে হয়নি। অস্ট্রেলিয়ার পরাশক্তির কাজে পরাজয় হয়েছে দ. আফ্রিকার। ফলে আরও একবার কাপ জয়ের স্বপ্ন ভেস্তে গেল দ. আফ্রিকার। ২০১১ বিশ্বকাপে দ. আফ্রিকা গ্রুপপর্বে একমাত্র ইংল্যান্ডের কাছে হারলেও বাকি ৫ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে আবারও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। তবে কোয়ার্টারে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে আরও একবার তাদের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়।

এত গেল অতীত বিশ্বকাপের কথা। এখন এবারের বিশ্বকাপে আসি। এবারের বিশ্বকাপে দ. আফ্রিকা যে ফেবারিট ছিল সে কথা মানবেন অনেকেই। গ্রুপপর্বে ভারত ও পাকিস্তানের কাছে হারার পরও কাপ জেতার ক্ষমতা যে তাদের ছিল সেটাও কেউ অস্বীকার করবেন না। গ্রুপপর্বে হারা মানেই যে দুর্বল দলে পরিণত হওয়া সেটা নয়। চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াও গ্রুপপর্বে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেছিল। সেই অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এরই নাম ক্রিকেট। দ. আফ্যিকা কোয়ার্টার ফাইনালে এশিয়ার শ্রীলঙ্কাকে যেভাবে উড়িয়ে দিয়ে সেমিফইনালে উঠেছিল তাতে অনেকেই ভেবেনি কাপ জেতা তাদের কাছে সময়ের ব্যাপার মাত্র। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তাদের হাত থেকে আবারও কাপ ফসকে গেল। জয়ের একেবারে কাছে এসেও শেষ হাসিটা হাসতে পারল না তারা। আবার বৃষ্টি এসে বাগড়া দিল।

বিশ্বকাপের এবারের ৪৯টি ম্যাচের মধ্যে ২টি ম্যাচ আলোচনার শীর্ষে। একটি ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল আর অন্যটি দ. আফ্রিকার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচ। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে এর আগেই আলোচনা করেছি। আজকের আলোচনা দ. আফ্রিকার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে। প্রত্যাশানুসারে টস জিতেছিলেন দ. আফ্রিকার অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স। শুরুতে দুটো উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়লেও সেটা কাটিয়ে নিয়ে যখন মূল আক্রমণের জন্য প্রস্তুত ডি ভিলিয়ার্সরা ঠিক তখনই অকল্যান্ডের আকাশ ভেঙে নেমে আসে বৃষ্টি। অন্য যে কোন বিশ্বকাপের চেয়ে এবারে বৃষ্টির প্রকোপ ছিল না বললেই চলে। বৃষ্টির কারণে একমাত্র অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়। আর যা হয়েছে সেটা ধার্তব্যের নয়। কিন্তু দ. আফ্রিকার ভাগ্যটাই খারাপ। বৃষ্টির কারণে উভয় দলের ইনিংস ৭ ওভার করে কমিয়ে দেয়া হয়। বৃষ্টি না হলে ম্যাচের চালচিত্র বোধহয় অন্যরকম হতো। দ. আফ্রিকা যেভাবে খেলছিল তাতে করে তাদের রান সাড়ে তিনশ’ অতিক্রম করত বলে অনেকের ধারণা। আর সেটা করতে পারলে নিউজিল্যান্ড জিততে পারত বলে অনেকেই মনে করেন স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডকে ২৯৮ রান করে জয়ের টার্গেট দিয়ে মাঠে নেমে ম্যাচের শেষ দিকে দ. আফ্রিকা যেন মিস ফিল্ডিংয়ের প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। মিস ফিল্ডিংয়ের সে দলে সামিল ছিলেন অধিনায়ক নিজেও। অথচ এই দ. আফ্রিকাই বিশ্বক্রিকেটকে শিখিয়েছিল ফিল্ডিং দিয়ে কিভাবে ম্যাচ জিততে হয়। এই ম্যাচে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায় তাদের ফিল্ডিং নিয়ে এতদিনের গর্ব। দ. আফ্রিকার এ ম্যাচের কফিনে শেষ পেরেকটা ঠুকে দেন কিউই বাটসম্যান গ্রান্ট এলিয়ট। নিউজিল্যান্ডের জয়ের জন্য যখন ২ বলে ৫ রানের দরকার ঠিক সেই সময়ে তিনি ডেল স্টেইনের বলকে উড়িয়ে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে জয় ছিনিয়ে নেন। এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের ভাগ্য সবসময় প্রসন্ন ছিল। অনেকবার নিশ্চিত ক্যাচ দিয়েও তারা বেঁচে গেছে। বৃষ্টি তাদের তিনশ’র কম রান চেজ করার সুযোগ করে দিয়েছিল। ডেল স্টেইনের বলে ছক্কা! সেটাও করেছিল। সব মিলিয়ে এ দিনটা ছিল কিউইদের। অন্য কে কী বলবেন আমি জানিনা তবে আমি এ ম্যাচটিকে এ বিশ্বকাপের সেরা ম্যাচ হিসেবে মানতে কোন দ্বিধা করব না। যে ম্যাচের শেষ বল পর্যন্ত ফলাফল জানার জন্য রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করতে হয়েছে। ম্যাচ শেষে দ. আফ্রিকার খেলোয়াড়রা যেভাবে মাঠেই ছোট্ট শিশুর মতো কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিল সেটা কেবল তাদেরই মানায়। কেননা তারা তো শুধু খেলতে এসেছিল তাতো নয়। তারা বিশ্বকাপ জিততে এসেছিল। দ. আফ্রিকার অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স শক্ত মনের মানুষ হলেও প্রেস ব্রিফিং শেষে তিনিও না কেঁদে পারেননি। নিজে কেঁদেছেন, তামাম ক্রিকেটবিশ্বকে কাঁদিয়েছেন। বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও এবারের বিশ্বকাপে দ. আফ্রিকার শক্তি নিয়ে কারও কোন সন্দেহ থাকার কথা নয়। দুটো ম্যাচে তারা চারশতাধিক রানের ইনিংস খেলেছে। মুছে দিয়েছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট রেকর্ড বইয়ের অনেকগুলো পাতা। তারপরও তারা কাপ জিততে পারেনি এটাই সত্যি। তাদের এই না পারাটাই হয়ত একদিন সকল না পাওয়াটাকে মুছে দেবে। তখন আর কেউ তাদের চোকার বলতে পারবে না।

লেখক : কথাসাহিত্যিক ও সাহিত্য সংগঠক

syedmayharulparvey@gmail.com

প্রকাশিত : ৮ এপ্রিল ২০১৫

০৮/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: