আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ফোরকান মল্লিক হত্যা ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ লুণ্ঠনে জড়িত ছিল

প্রকাশিত : ৭ এপ্রিল ২০১৫
  • যুদ্ধাপরাধী বিচার
  • তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে পটুয়াখালীর রাজাকার কমান্ডার ফোরকান মল্লিকের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সত্যরঞ্জন রায়ের জবানবন্দী শেষ হয়েছে। আজ আসামি পক্ষের আইনজীবী তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করবেন। অন্যদিকে বাগেরহাটের তিন রাজাকারের পক্ষে দুইজন সাফাই সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। সাক্ষী গ্রহণ শেষে প্রসিকিউশন পক্ষ তাদের জেরা করেন। আজ অপর সাফাই সাক্ষীর জবানবন্দীর জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২ এ আদেশগুলো প্রদান করেছেন।

পটুয়াখালীর রাজাকার কমান্ডার ফোরকান মল্লিকের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সত্যরঞ্জন সাহা জবানবন্দী প্রদান করেছেন। আজ তাকে জেরা করার জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান শাহীনের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ প্রদান করেছেন। ট্রাইব্যুনালে অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মোঃ মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মোঃ শাহিনুর ইসলাম। এ সময় প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল উপস্থিত ছিলেন। তিনি জবানবন্দীতে বলেন, আমার নাম সত্যরঞ্জন রায়। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। আমি মামলার তদন্তকালে মুক্তিযুদ্ধের কারণ ও ইতিহাস সম্পর্কে পর্যালোচনা করি। তদন্তকালে ২০১৪ সালের ২৫ জুন আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইস্যুকৃত প্রোডাকশন ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে আসামি ফোরকান মল্লিকের এই মামলার গ্রেফতার দেখানো হয়।

তিনি আরও বলেন, তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে প্রকাশ পায় যে, মুক্তিযুদ্ধের সময় আসামি ফোরকান মল্লিক ওরফে ফোকরান একজন রাজাকার ছিল। মির্জাগঞ্জ থানার কমান্ডার ছিলেন শাহজাহান সিকদার। সুবিদখালী বাজারের শহীদ দেবেন্দ্র ডাক্তারের বাড়িটি ছিল পিস কমিটির স্থানীয় কার্যালয়। তদন্তে পাইয়ে, দেবেন্দ্র ডাক্তারের হত্যাকা-ের পর তার ঘরটি পিস কমিটির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ দখলে নেয়। আসামি ফোরকান মল্লিক ১৯৭০ সালে মুসলিম লীগের একজন সমর্থক ছিলেন। ফোরকান মল্লিকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল।

সাফাই সাক্ষী ॥ বাগেরহাটের তিন রাজাকারের বিরুদ্ধে দুইজন সাফাই সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। এরা হলেন মোঃ আমজাদ শেখ ও সরদার আব্দুল মান্নান। জবানবন্দী গ্রহণ শেষে প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন তাদের জেরা করেন। আজ পরবর্তী সাফাই সাক্ষীর জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ প্রদান করেছেন। ট্রাইব্যুনালে অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক।

প্রকাশিত : ৭ এপ্রিল ২০১৫

০৭/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: