কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে বোমার কারিগর কানা সেলিমের স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত : ১৯ মার্চ ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামে জামায়াত-বিএনপির নাশকতার ঘটনায় ককটেল ও বোমা সরবরাহকারী ও প্রস্তুতকারক মোঃ সেলিম ওরফে কানা সেলিম (৫২) চট্টগ্রাম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাসফিকুল ইসলামের আদালতে বুধবার কানা সেলিমের স্বীকারোক্তি গ্রহণ করেন। এ জবানবন্দীতে সে গত দু’মাসে ৩শ’ বোমা তৈরি ও সরবরাহের কথা স্বীকার করেছে। এমনকি ১৯৮৮ সালে বোমা তৈরির সময় তার বাম চোখসহ মুখম-ল ঝলসে যায়। ২০১৩ সাল থেকে মহানগর বিএনপির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

বাকলিয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার কানা সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর কানা সেলিম ১৯৮৮ সালের আগ থেকে বোমা তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওই বছরের ৮ এপ্রিল বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরিত হয়ে তার মুখম-ল ঝলসে যায়। দীর্ঘসময় চিকিৎসার পরও তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত দুই মাসে সে প্রায় তিনশ’ বোমা তৈরি করেছে। প্রতিটি বোমা তৈরির জন্য তাকে বিএনপির পক্ষ থেকে ১শ’ টাকা করে দেয়া হয়েছে। ২০১৩ সালে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত মানিক নামের একজনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর বিএনপির শওকত হোসেন খাজা তাকে পাহাড়তলী বাজারের প্রকাশ নামের একজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এই প্রকাশের মাধ্যমেই লেনদেন চলত খাজার সঙ্গে। প্রতিটি ককটেল বানানোর জন্য শওকত হোসেন খাজা তাকে ৮০ থেকে ১শ’ টাকা প্রদান করত। তবে বোমা তৈরির উপকরণ খাজার লোকজনই কিনে দিত বলে সে পুলিশকে জানায়। বাকলিয়া থানার পক্ষ থেকে বুধবার তাকে চট্টগ্রাম আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে সেলিম।

এ ব্যাপারে বাকলিয়া থানার ওসি মোঃ মোহসিন জনকণ্ঠকে জানিয়েছে, কানা সেলিম বোমা তৈরিতে তুখোড়। বোমা তৈরির উপকরণ সংগ্রহ থেকে শুরু করে সরবরাহ পর্যন্ত সবকিছুই তার নখদর্পণে রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বোমার ক্রেতা, বিক্রেতা ও সরবরাহকারীদের বেশকিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সে অনুযায়ী নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালাবে পুলিশ।

প্রকাশিত : ১৯ মার্চ ২০১৫

১৯/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: