আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ব্যাঙের বন্ধুত্ব

প্রকাশিত : ৬ মার্চ ২০১৫

বন্ধুত্ব এখন খুব দুর্লভ সম্পর্ক। বিশ্বব্যাপী ভেঙ্গে যাচ্ছে সকল মানবিক সম্পর্ক। ইউরোপে অনেক আগেই যৌথ পরিবার প্রথা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে এশিয়ার যৌথ পরিবার প্রথা এখন চরম হুমকির মুখে। বর্তমানের সন্তানরা আবেগহীন এক একক জগতে মানুষ হচ্ছে। দীর্ঘমেয়ািদ সম্পর্কের বুনোট না থাকায় মানুষের ভেতর দীর্ঘমেয়াদি হতাশা গেড়ে বসছে। আর এই হতাশার সুযোগ নিচ্ছে আকাশ সংস্কৃতি, যুদ্ধ, বিক্ষোভ, মানবিক বিপর্যয় ইত্যাদি।

নিখাঁদ বন্ধুত্বের এই আকালে ইন্দোনেশিয়ার আলোকচিত্রী হারফিয়ান হারদি বন্ধুত্ব আর সৌহার্দ্যরে নিদর্শন স্বরূপ এক অদ্ভুত সুন্দর আলোকচিত্র তুলে ধরেছেন বিশ্ববাসীর সামনে। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে দেশটির পশ্চিম কালিমানতার সামবাস অঞ্চল থেকে এই আলোকচিত্রী কিছু ব্যাঙের ছবি তোলেন। সেই ছবিতে ক্রীড়ারত তিনটি ব্যাঙকে দেখা যায়। আলোকচিত্রের ভাষায় একে ডিসাইসিভ মোমেন্ট বলা হলেও, মানবিক দিক বিচারে প্রকৃতির বাস্তুসংস্থনের নিচুস্তরে টিকে থাকা এই প্রাণীদের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ককে দৃশ্যত রচনা করার যে সাহসিকতা আলোকচিত্রী দেখিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

প্রাণবৈচিত্র্যের দিক দিয়ে বরাবরই ইন্দোনেশিয়া অনেক অগ্রগামী। দেশটিতে যেমন রয়েছে ঘন বনাঞ্চল, তেমনি রয়েছে প্রাকৃতিক আশীর্বাদ। বিশাল রেইনফরেস্ট অঞ্চল হওয়ার কারণে বিভিন্ন প্রাণী দেখতে পাওয়া যায় এখানে। যেমনটা এই ছবিতে আমরা দেখতে পাই। প্রকৃতির সবুজের মাঝে ক্যামোফ্লেজ হয়ে থাকা ব্যাঙগুলোকে মনে হচ্ছে পরস্পরের সঙ্গে যেন তারা গভীর বন্ধনে আবদ্ধ।

আলোকচিত্রী হারফিয়ান এই ছবিটি তুলতে ব্যবহার করেছেন নিক্কন ডি৩২০০ ক্যামেরা। এর সঙ্গে ছিল ৫০ মিলিমিটারের লেন্স। হারফিয়ানের ভাষায়, ছবি তোলার জন্য যতটা ক্যামেরা দরকার, তার চেয়েও বেশি দরকার চোখ। দেখার চোখ থাকলেই কেবল ক্যামেরা দিয়ে ভাল ছবি তোলা যায়। আর দেখার সেই চোখ না থাকলে অনেক দামী ও উন্নত ক্যামেরা হাতে থাকলেও লাভ হয় না।

সাতসতেরো প্রতিবেদক

প্রকাশিত : ৬ মার্চ ২০১৫

০৬/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: