মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে কেশবপুরের দৃশ্যপট

প্রকাশিত : ৪ মার্চ ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, কেশবপুর, ৩ মার্চ ॥ কেশবপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় এখন সন্ধ্যার পর আলোকিত হয়ে ওঠে। গ্রাম থেকে সাধারন মানুষ তাদের উৎপাদিত পন্য দ্রুত এবং অনায়াসে বড় বড় শহরে নিয়ে যেতে পারছে সড়ক ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ায়। জলাবদ্ধতা নেই। সার বীজসহ কৃষি উপকরনের নেই কোন অভাব। তাই কৃষকের বাম্পার ফসল ফলছে। দীর্ঘকাল পরে কেশবপুরের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নে ছোঁয়া লাগায় মানুষের ভেতর অনাবিল আনন্দ দেখা দিয়েছে।

অবহেলিত কেশবপুর উপজেলাকে উন্নয়নের ছেঁয়ে দেন প্রয়াত শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক। কেশবপুর আসনে তিনি আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৯৬ সালে নির্বাচিত হয়ে সরকারের শিক্ষামন্ত্রী হন। সে সময় কেশবপুরের মানুষ ছিল উন্নয় বঞ্চিত। গ্রামের সড়কে কাঁদামাটির দূর করে তিনিই প্রথম পাকা সড়কের ব্যবস্থা করেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি ব্যাপক উন্নয়ন করে কেশবপুর বাসি কাছে তিনি পরম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হয়ে আছেন। বর্তমান সরকার দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার আগে কেশবপুর আসন পার্শ্ববর্তী অভয়নগর উপজেলার সাথে এক করে নির্বাচন হয়। এ সময় আওয়ামীলীগের প্রার্থী আব্দুল ওহাব নির্বাচিত হয়ে হুইপ নিযুক্ত হন। কিন্তু তিনি কোন উন্নয়ন করেননি কেশবপুরে। উল্টো কেশবপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টাকার বিনিময়ে অদক্ষ শিক্ষক নিয়োগ করে নিজের আখের গুছিয়ে গেছেন। ধবংস করে গেছেন কেশবপুরের শিক্ষা ব্যবস্থা। শিক্ষামন্ত্রীর আমলে করে রাখা রাস্তাগুলো মেরামত পর্যন্ত করা হয়নি। প্রতিটি সড়কে যানবাহন চলা দূরে থাক হেটে চলার উপায় ছিলনা। ফলে ৮/১০ বছর কেশবপুরবাসি চমর দূর্ভোগে জীবন যাপন করছিলেন। গত ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে কেশবপুর আসনে আওয়ামীগের প্রার্থী হিসেবে প্রয়াত শিক্ষমন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেকের স্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এম পি নির্বাচিত হয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। তিনি গত এক বছরে কেশবপুরকে মডেল উপজেলা বানানোর জন্য ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছেন। প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক গত এক বছরে কেশবপুরে ৮১ কোটি ৯০ লাখ ২৫ হাজার ৮শ’ ৫৮ টাকার উন্নয়ন কাজ করে কেশবপুরবাসির উন্নয়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত : ৪ মার্চ ২০১৫

০৪/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: