আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ঢাকা অপারেশন

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী ২০১৫
  • যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান জোরদার
  • রাজশাহীর ২৫ কিলোমিটারে বিশেষ ব্যবস্থা

গাফফার খান চৌধুরী/আজাদ সুলায়মান ॥ দেশব্যাপী টানা অবরোধে নাশকতা ঠেকাতে যৌথবাহিনীর বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান চলছে। ইতোমধ্যেই রাজধানীসহ ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় অভিযান চালানো হয়েছে। নাশকতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। জেলাগুলোর মধ্যে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ের সহিংসতাকে সামনে রেখে জামায়াত-শিবিরের প্রভাব রয়েছে এমন জেলাগুলোতে কর্ডন পদ্ধতিতে বিশেষ অভিযান চলবে। এদিকে নাশকতাকারীরা দেশ ও জাতির শত্রু, তাদের প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ মহাপরিদশক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, র‌্যাব মহাপরিচালক ও বিজিবি মহাপরিচালক। পুলিশ ও র‌্যাবের তরফ থেকে নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী বিএনপির ডাকা টানা অবরোধে সোমবার পর্যন্ত সারাদেশে প্রতিদিন গড়ে ভাংচুর আর অগ্নিসংযোগের কবলে পড়েছে অন্তত ৩৫ যানবাহন। সে হিসাবে গত ২০ দিনে সারাদেশে অন্তত ৭শ’ যানবাহন ভাংচুরের কবলে পড়েছে। অগ্নিসংযোগের কারণে পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে অন্তত ৪ শতাধিক যানবাহন। দেশের ক্ষতি হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। আহত হয়েছেন অন্তত হাজার খানেক মানুষ। কমবেশি দগ্ধ হয়েছেন দুই শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু। মৃত্যু হয়েছে অন্তত পঁয়ত্রিশ জনের। এছাড়া রেললাইন উপড়ে ফেলে চালানো হচ্ছে ধারাবাহিক নাশকতা। রাজধানীর সদরঘাটে যাত্রীদের জন্য অপেক্ষমাণ লঞ্চে পরিকল্পিতভাবে পেট্রোল বোমা মেরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে অবরোধকারীরা।

গত ২৩ জানুয়ারি সবচেয়ে মারাত্মক পেট্রোল বোমা হামলাটি হয় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল কাঠেরপুল এলাকায়। একটি যাত্রীবাহী বাসে থাকা ৩১ জনকে পেট্রোল বোমা দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। দগ্ধদের মধ্যে ২৭ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে বার্ন ইউনিটে সবমিলিয়ে ৫০ জন চিকিৎসাধীন। তাদের সরকারী খরচে চিকিৎসা চলছে। যাত্রাবাড়ীতে পেট্রোল বোমা মারার ঘটনায় আশপাশে যৌথবাহিনী ঘটনার পর থেকেই সন্দেহভাজন এলাকা কর্ডন করে বিশেষ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। হামলাকারীদের ধরিয়ে দিতে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। হামলাকারীদের গ্রেফতারে যাত্রাবাড়ী, শনিরআখড়া, ডেমরা, সায়েদাবাদ, মাতুয়াইল, ডগাই, ভুলতাসহ ঢাকার বিভিন্ন বস্তিসহ তেজগাঁও, বনানী, উত্তরা পূর্ব থানা, মতিঝিল, পল্টন, বাড্ডা, বংশাল, পল্লবী, লালবাগ, শ্যামপুর, রূপনগর, ভাষানটেক, ভাটারাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২০ জন বিএনপি দলীয় এবং ২ জন জামায়াতকর্মী বলে জানা গেছে।

দেশব্যাপী নাশকতার ঘটনায় ইতোমধ্যেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় যৌথবাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়েছে। রাজশাহীর ২৬ কিলোমিটার এলাকা রাখা হয়েছে বিশেষ নজরদারিতে। সেসব এলাকায় যানবাহনে তল্লাশিসহ গোয়েন্দা নজরদারি ও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোসহ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যৌথবাহিনীর জনবল বাড়ানো হয়েছে। অভিযানে প্রায় সাত হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন সারাদেশ থেকে তাদের অন্তত ১০ হাজার নেতাকর্মীকে যৌথবাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর দাফন শেষে শোক কাটিয়ে ওঠার পর নতুন করে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে ২০ দলীয় জোট। তারা জামায়াত-শিবির অধ্যুষিত জেলাগুলোতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ের মতো ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে। ওই সময় জামায়াত-শিবির অধ্যুষিত জেলাগুলোতে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এমনকি উপাসনালয় পর্যন্ত তছনছ করে দিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত-শিবির ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী।

বিশেষ করে যশোরের অভয়নগরের মালোপাড়া, মনিরামপুরের ঋষিপাড়া, সাতক্ষীরা সদর, রংপুর, রাজশাহীর বাঘা, দিনাজপুর সদর, জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি, রংপুরের পীরগঞ্জ, কাউনিয়া, গাইবান্ধার পলাশবাড়ি, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও সদরের পারেয়া, নীমবাড়িতে ব্যাপক তা-ব চালায় বিএনপি-জামায়াত-শিবির। গৃহহীন আর বেকার হয়ে পড়ে শত শত মানুষ। অর্থকষ্টে নিদারুণ দিন কাটে অনেক পরিবারের সদস্যদের। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ আর আর্থিক সহায়তায় সেসব বাড়িঘর, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয় নির্মাণ করে দেয় বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, দেশব্যাপী বিএনপির ডাকা চলমান অবরোধে আবারও সেই পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের। তারা যশোর, সাতক্ষীরা, রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, পঞ্চগড়, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলায় আচমকা ব্যাপক নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা করছে। এজন্য দ্রুত যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে। অভিযানে থাকছে পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, কমিউনিটি পুলিশ আর বিজিবি। পাশাপাশি সমাজের সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের আগ্রহী ব্যক্তিরাও বিভিন্নভাবে অভিযানে সম্পৃক্ত থাকছেন। নাশকতাকারীদের থানাভিত্তিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী অভিযান চালানো হবে।

দেশব্যাপী নাশকতা সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ॥ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জনকণ্ঠকে বলেন, দেশব্যাপী বিএনপির ডাকা চলমান অবরোধে নাশকতা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নাশকতাকারীদের গ্রেফতারে সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। জনগণও নাশকতাকারীদের প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করছে। নাশকতাকারীদের পাশাপাশি তাদের মদদদাতা, অর্থদাতা ও নির্দেশদাতাদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যেই নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিতে সরকারের তরফ থেকে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। অচিরেই সারাদেশে চলমান নাশকতা কমে আসবে বলেও জনকণ্ঠের কাছে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

নাশকতা সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার ॥ সোমবার দুপুরে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বোমা হামলায় আহত যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তাদের যে কোন মূল্যে প্রতিহত করা হবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, গত ৬ জানুয়ারি থেকে বিএনপির ডাকা দেশব্যাপী টানা অবরোধের মধ্যে সোমবার পর্যন্ত রাজধানীতে ১২টি বাস পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ভাংচুর করা হয়েছে ১২০টি যানবাহন। নাশকতায় ৩৬ জন পুলিশ ও দুইজন আনসার সদস্য আহত হয়েছেন। দগ্ধ হয়েছেন ৮৩ জন। এদের মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিলে ২৫ হাজার টাকা থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেন তিনি। টানা রাজধানীতে অবরোধে নাশকতার ঘটনায় বিভিন্ন থানায় ১৪৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৬৩৩ জনকে। এদের মধ্যে ১০৬ জনকে বোমা হামলা ও গাড়িতে আগুন দেয়ার সময় হাতেনাতে ধরা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৬৭ জন বিএনপি এবং ৩১ জন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী। ২৮ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে। এছাড়া গত রবিবার থেকে সোমবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দেয়া হলে ২৫ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেয়া হবে। নাশকতার হুকুমদাতা, আশ্রয়দাতা ও অর্থদাতাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নাশকতা মামলার হুকুমের আসামি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাত্রাবাড়ীর ঘটনায় গ্রেফতারকৃত সেলিম ভূইয়াসহ গ্রেফতারকৃত সবাইকে তথ্য প্রমাণাদির ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। হরতাল ও অবরোধের নামে রাজধানীসহ সারাদেশকে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আমরা এবার আরও কঠোর হব। সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করব।

রাজধানীতে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের সময় হাতেনাতে গ্রেফতারে সহযোগিতা করলে ১ লাখ টাকা, ককটেল, হাতবোমা অথবা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপকালে গ্রেফতারে সহায়তা করলে ৫০ হাজার এবং ককটেল, হাতবোমা ও পেট্রোল বোমার মজুদ অথবা তৈরির ব্যাপারে তথ্য দেয়া হলে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে। তথ্য দাতার নাম গোপন রাখা হবে। ইতিমধ্যেই ২ জন পুলিশকে সহযোগিতা করেছে। তাদের পুরস্কার দেয়া হবে।

সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রিয়াজ রহমানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ, র‌্যাব, সিআইডি, ডিবিসহ সম্মিলিতভাবে কাজ চালাচ্ছে। তাদের যে কোন সময় গ্রেফতার করা হবে।

নাশকতা সম্পর্কে র‌্যাব মহাপরিচালক ॥ র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, রাজধানীসহ দেশব্যাপী নাশকতা কমে আসছে। উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতিও অনেকটাই নিয়ন্ত্রণেই। তারপরও যেসব নাশকতাকারী এখনও সক্রিয়, তাদের যে কোন মূল্যে দ্রুত নির্মূল করা হবে।

সোমবার রাজধানীর গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্সের সামনের মোড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, যে কয়টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে, তাও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে। এজন্য সাধারণ মানুষের সাহায্য অবশ্যই প্রয়োজন। দেশের সাধারণ মানুষ নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ডাকে সাড়া দিয়েছে। দেশের মানুষ শান্তি চায়। আমরা সাধারণ মানুষের সহায়তা নিয়ে নাশকতাকারীদের রুখে দেবো। এছাড়া নাশকতাকারী ও তাদের গডফাদারদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নাশকতাকারীদের রুখে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

নাশকতা সম্পর্কে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) মহাপরিচালক ॥ বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ জনকণ্ঠকে বলেন, দিন দিন দেশে যানবাহনের চলাচল বাড়ছে। পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে। দিন দিন রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা আরও বাড়বে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে যেসব জেলায় তা-ব চালানোর ঘটনা ঘটেছিল, চলমান অবরোধেও সেসব জেলায় নাশকতামূলক কর্মকা- চালানোর চেষ্টা করেছে অবরোধকারীরা। দুই একটি জেলায় যৎসামান্য নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। তবে অধিকাংশ জেলাগুলোতেই নাশকতামূলক কর্মকা- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। দিন যত যাবে পরিস্থিতি আরও উন্নতি হবে। যাও দুই এক জায়গায় নাশকতামূলক কর্মকা- আচমকা হচ্ছে, তাও ভবিষ্যতে আর হবে না। সে পরিকল্পনা নিয়ে তারা কাজ করছেন। সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী ২০১৫

২৭/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: