কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আজব হলেও গুজব নয়

প্রকাশিত : ৯ জানুয়ারী ২০১৫

ট্রেনের গতি ঘণ্টায় ১২২০ কিমি

দ্রুত এক স্থান থেকে আরেক স্থানে পৌঁছুতে নিশ্চয় আপনি উড়োজাহাজের কথা ভাববেন। উড়োজাহাজের চেয়ে গতিসম্পন্ন কোন মানববাহী যান হতে পারে- এ ভাবনাটাই অমূলক মনে হয়। তবে বুলেট ট্রেনকেও আলোচনা থেকে বাদ দেয়া যায় না। কিন্তু সবকিছুকে ছাড়াতে এবার আসছে হাইপারলুপ ট্রেন। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১২২০ কিলোমিটার। ৬শ’ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে এই ট্রেনে লাগবে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট!

ইলন মাস্ক নামের এক উদ্ভাবক এই ট্রেনের ধারণা দেন। তার মতে, এ ট্রেনের মাধ্যমে সানফ্রান্সিসকো থেকে লসএঞ্জেলস যেতে সময় লাগবে মাত্র ৩৫ মিনিট! উল্লেখ্য, এ পথের দূরত্ব ৫৭০ কিলোমিটার। ২০১৩ সালে ইলন মাস্ক অভিনব হাইপারলুপের ভাবনা নিয়ে এসে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। খসড়া যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে এখনও। ২০১৫ সালে এটি আলোর মুখ দেখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত খরচই এর প্রধান বাধা। কারণ খসড়া অনুযায়ী এর আনুমানিক খরচ হতে পারে সাড়ে সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

জীবন বাঁচাল কুকুর

নিজের পোষা কুকুরের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন ক্যালিফোর্নিয়া স্টেটের রাজধানী সাক্রামেন্টো সিটির এক ব্যক্তি। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন অবস্থায় লোকটির ঘরে আগুন লেগে যায়। বাড়িটিতে ফায়ার অ্যালার্মের কোনও ব্যবস্থাও ছিল না। এ সময় লোকটির পোষা কুকুর পা দিয়ে বেশ কয়েকবার গুতো দিয়ে তার ঘুম ভাঙায়। ঘুম থেকে উঠেই তিনি বুঝতে পারেন কী সর্বনাশ হতে যাচ্ছিলো তার! সাক্রামেন্টোর ফায়ার ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র রবার্টো প্যাডিলা প্রাণে বেঁচে যাওয়া ওই লোকের বরাত দিয়ে বলেন, তিনি রাতের বেলায় গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। এ সময় তার ঘরে আগুন লাগে। পরে তার কুকুর পা দিয়ে গুতো দিয়ে লোকটির ঘুম ভাঙায়। ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পারেন তার শোয়ার ঘরের পেছন দিকে আগুন জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসের ওই মুখপাত্র আরও জানান, লোকটির বাড়িতে ফায়ার ডিটেক্টরের কোন ব্যবস্থা না থাকায় আগুন লাগার পরেও তিনি কোন ফায়ার অ্যালার্ম শুনতে পাননি। আগুনে তার বাড়ির বেশকিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান রবার্টো প্যাডিলা।

কারাগার যেন

রাজপ্রাসাদ

বিশাল প্রাচীর ঘেরা সাদা ধবধবে ভবন। এখানে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের বাস। আছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। টেলিভিশন রুম, বাস্কেটবল খেলার ব্যবস্থা, এসি, উন্নতমানের জিনমেনসিয়াম, দামি মদ, বাদ্যযন্ত্রসহ বিলাসিতার সব উপকরণ। এছাড়া এখানে প্রাথমিক থেকে শুরু করে স্নাতক পর্যন্ত পড়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। এটা কিন্তু কোন রাজপ্রাসাদ নয়, কারাগার। যেখানে দুর্ধর্ষ সব অপরাধীদের রাখা হয়েছে। এটি হলো ফিলিপাইনের বিলিবিড কারাগার। হত্যা, মাদক পাচারসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের রাখা হয় এ কারাগারে। ৫৫১ হেক্টর জমির ওপর নির্মিত কারাগারটির ধারণক্ষমতা ১৭ হাজার কয়েদি। তবে এখন থাকছে প্রায় ৩০ হাজার। তবে দুর্ধর্ষ সব সন্ত্রাসী এসব সুযোগ-সুবিধাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না। তারা কারাগারে জড়িয়ে পড়ছে নানা অনৈতিক কাজে। তাই গত বছরের ডিসেম্বর মাসে পুলিশ কমান্ডোদের দিয়ে এ কারাগারে অভিযানও চালানো হয়।

মাঈন উদ্দিন

প্রকাশিত : ৯ জানুয়ারী ২০১৫

০৯/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: