মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আপীল করলেও দণ্ডিত মন্ত্রী, এমপি পদে থাকতে পারবেন কী

প্রকাশিত : ৩ জুলাই ২০১৫

আরাফাত মুন্না ॥ আইনে রয়েছে মন্ত্রী, এমপি বা সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দ-িত হলেই পদে থাকার অযোগ্য হবেন। রায়ের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করলেও নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই পদে থাকার যোগ্যতা হারাবেন। দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান, গবর্নমেন্ট অফিসার্স ডিস্পোজাল এ্যান্ড কনভিকশন এ্যাক্ট, উচ্চ আদালতের রায় ও বিশিষ্ট আইনজ্ঞদের মতে এমন সিদ্ধান্তই পাওয়া যায়।

তবে সংসদ সদস্যদের পদ যাওয়া না যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে সংসদ এবং নির্বাচন কমিশনের ওপর। অন্যদিকে, এ্যাক্টে থাকায় রায় ঘোষণার দিন থেকেই বরখাস্ত হবেন সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা।

সংসদ সদস্যদের বিষয়ে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২ ধারার ঘ-উপধারায় বলা হয়েছে, ‘কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ সদস্য থাকবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দু’বছর কারাদ-ে দ-িত হন এবং তার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে।’

অন্যদিকে, গবর্নমেন্ট অফিসার্স ডিস্পোজাল এ্যান্ড কনভিকশন এ্যাক্ট-১৯৮৫ অনুযায়ী, কোন সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী ন্যূনতম ছয় মাস কারাদ-ে দ-িত হলে, রায় প্রদানের দিন থেকেই তিনি বরখাস্ত বলে বিবেচিত হবেন। এই এ্যাক্টে আরও বলা হয়, তিনি যদি আপীল করে চূড়ান্তভাবে নির্দোষ প্রমাণিত হন তাহলেই কেবল স্বপদে ফিরতে পারবেন। আর চূড়ান্তভাবে দোষী প্রমাণিত হলে বরখাস্তই বহাল থাকবেন।

আইনজ্ঞরা বলেছেন, নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর আপীল করলেই সংসদ সদস্যদের সাজা স্থগিত হয়ে যাবে না। বরং আপীলে নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি দোষীই থাকবেন। তবে সঙ্গে সঙ্গেই তার এমপি পদ চলে যাবে কি না, সেটা নির্বাচন কমিশন ও জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। তারা বলেন, কোন সংসদ সদস্য আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন চাইলেই সঙ্গে সঙ্গে ওই আসন শূন্য ঘোষণা করতে পারে না। এর জন্য কিছু নিয়ম রয়েছে সেগুলো অনুসরণ করেই নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করবে। এর আগে অবশ্যই সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তারা। তারা আরও বলেন, এই যুক্তিতেই আওয়ামী লীগের গত আমলে ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরের সংসদ সদস্য পদ বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের জারি করা গেজেট অবৈধ ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট।

সাবেক প্রধান বিচারপতি ও আইন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ২০০১ সালে এইচ এম এরশাদের জনতা টাওয়ার দুর্নীতির মামলায় সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা করেছিলেন। ওই রায়ে তিনি বলেছিলেন, আপীল করলেও দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সাজা বাতিল না হওয়া পর্যন্ত সংসদের সদস্য পদ থাকবে না।

জনতা টাওয়ার মামলায় সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের যে ব্যাখ্যা দিতে ২০ পৃষ্ঠা রায় লিখেছেন বিচারপতি খায়রুল হক (১০ বিএলটি এইচসিডি ২০০২)। দেশের ইতিহাসে একমাত্র তিনিই ২০০১ সালে প্রথমবারের মতো সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২ ধারার ঘ উপ-ধারা ব্যাখ্যা করেন।

২০০১ সালে হাইকোর্টে তৎকালীন এ্যাটর্নি জেনারেল কে এস নবী যুক্তি দিয়েছিলেন, ‘ওই বিধানে ‘দোষী সাব্যস্ত’ অর্থ ‘চূড়ান্তভাবে দোষী সাব্যস্ত’ পড়তে হবে। কারণ আপীলের অধিকার থাকলে তা একেবারে রিভিউ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকবে।’ রায়ে বিচারপতি খায়রুল হক তার এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে যুক্তি দেন, সংবিধান প্রতিবন্ধকতামূলক বিধান করেছে। দুই বছরের কারাদ-ে দ-িত হলেই পদের অযোগ্য হবেন। আপীলে খালাস না হওয়া পর্যন্ত দোষী সাব্যস্ত থাকবেন।

রায়ে বিচারপতি খায়রুল হক ভারতের একটি উদাহরণ টেনে লেখেন হিমাচল প্রদেশের দ-িত রাকেশ সিং ১৯৯০ সালে সুপ্রীমকোর্ট থেকে জামিনে বেরিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে রিটে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়, সুপ্রীমকোর্ট প্রার্থিতা বাতিলের রায়ে বলেন, ‘রাকেশকে আমরা জামিন ও তার দ- স্থগিত করেছিলাম বলে তিনি প্রার্থী হতে পারেন না।’

সাবেক এ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলাম তাঁর কনস্টিটিউশনাল ল অব বাংলাদেশ বইয়ে বলছেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরও কোন ব্যক্তি সংবিধানের ওই ৬৬(২) অনুচ্ছেদের কারণে অযোগ্য গণ্য হতে পারেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২ ধারার ঘ উপধারা অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত হলেই তিনি পদের অযোগ্য হবেন। স্বপদে বহাল হবেন চূড়ান্তভাবে খালাস পাওয়ার পর। তার আগে নয়। ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার ক্ষেত্রেও সম্প্রতি ঠিক একই দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

গত বছর সেপ্টেম্বরে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সিংহাসন হারাতে হয়েছিল জয়ললিতাকে। তবে গত ১১ মে তাকে বেকসুর খালাস দেন কর্নাটক হাইকোর্ট। পরে গত ২৩ মে মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টেনারি পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এর আগে ২১ মে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা পনিরসেলভম পদত্যাগ করেন। এর কিছু পরই চেয়ারম্যান ই মধুসূদনের নেতৃত্বে বৈঠকে বসেন এআইএডিএমকের নীতিনির্ধারকরা। সবার সমর্থনে পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হন জয়ললিতা।

এদিকে, ২০১৩ সালের ১০ জুলাই ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট এক রায়ে বলেন, কেউ কোন অপরাধে দোষী ঘোষিত হলেই তিনি আর লোকসভার সদস্য বা বিধানসভার সদস্য পদে থাকতে পারবেন না। নিম্ন আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও লোকসভা বা বিধানসভার পদ হারাবেন। উচ্চ আদালতে আপীল করলেও তারা কোন ছাড় পাবেন না। একটি রিট মামলায় ভারতের সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতি এ কে পটনায়েক ও এস জে মুখোপাধ্যায়ের বেঞ্চের রায়ে বলা হয়, সাংসদরা ফৌজধারি মামলায় দ-িত হলে আর স্বপদে বহাল থাকতে পারবেন না। আপীল করে সাংসদ পদে থাকার অযোগ্যতা রহিত করার জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ধারা বাতিল করা হয়। দ-িত হওয়ার দিন থেকে সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা হারাবেন।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা দিয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর জনকণ্ঠকে বলেন, কেউ নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে দ-িত হলে তিনি উচ্চ আদালত থেকে খালাস পাওয়ার আগ পর্যন্ত দোষীই থাকবেন। সে হিসেবে কোন সংসদ সদস্য নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দু’বছর কারাদ-ে দ-িত হলে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২ ধারার ঘ উপধারা অনুযায়ী তাঁর সংসদ সদস্য পদ থাকবে না। আর তিনি যদি মন্ত্রী হন তাহলে এমপি পদ না থাকার কারণেই তার ওই পদটিও বাতিল হবে। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে শুধু উচ্চ আদালতে আপীল করলেই পদে থাকার যোগ্য হবেন না। যদি উচ্চ আদালতের রায়ে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন তাহলেই কেবল স্বপদে ফিরতে পারবেন।

অন্যদিকে, সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক এ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম জনকণ্ঠকে বলেন, কোন সংসদ সদস্য নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দু’বছর কারাদ-ে দ-িত হন তাহলে তিনি সংবিধানিকভাবে ওই পদে থাকার যোগ্যতা হারাবেন এটা যেমন ঠিক, তেমনি সঙ্গে সঙ্গেই তার পদ বাতিল হয়ে যাবে না, বা নির্বাচন কমিশন চাইলেই সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করতে পারবেন না। এ জন্য কমিশনকে কিছু নিয়ম ও আইন অনুসরণ করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে সংসদ থেকে বিষয়টি অবহিত করার পরেই কমিশন পরবর্তী ধাপগুলোর কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। তিনি বলেন, ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরের ক্ষেত্রে সঠিক আইন অনুসরণ না করে আসন শূন্য ঘোষণা করায় ওই গেজেট হাইকোর্টে টেকেনি। পরবর্তী সময়ে তিনি পূর্ণ মেয়াদেই এমপি পদে বহাল ছিলেন।

২০১১ সালের ১৮ নবেম্বর হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি (বর্তমানে আপীল বিভাগ) এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রায়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরের সংসদ সদস্য পদ শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছিলেন।

হাইকোর্ট রায়ে বলেছে ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর আপীল বিভাগের আদেশে নির্বাচন করেন। পরবর্তীতে আপীল বিভাগই তার নিম্ন আদালতের দেয়া সাজা বাতিল করে। সুতরাং তিনি কখনই অযোগ্য প্রার্থী ছিলেন না। আপীল বিভাগ সাজা বাতিল করার মানে হচ্ছে তিনি সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন না। আর আপীল বিভাগের রায়ে সাজার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। ইসি তার এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরের সংসদ সদস্য পদ শূন্য ঘোষণা করেছে। রায়ে গেজেট প্রকাশের সিদ্ধান্তও প্রত্যাহারের জন্য ইসির প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়।

ওই সময় রায় ঘোষণার পর আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, রায়ে বলা হয়েছে- কাউকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের পর ওই আসন শূন্য ঘোষণার এখতিয়ার সংবিধান ও আইনে নির্বাচন কমিশনকে দেয়া হয়নি। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেছেন, এই রায়ের ফলে বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ প্রশস্ত হলো।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মহিউদ্দিন আলমগীর মনোনয়নপত্র দাখিল করলে একই বছরের ৩ ডিসেম্বর চাঁদপুরের রিটার্নিং অফিসার তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন। অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিশেষ জজ আদালত ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই এক রায়ে তাকে ১৩ বছরের সাজা দেয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি ইসিতে আপীল করলেও ইসি রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মহীউদ্দীন খান আলমগীর ২০০৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিট করলে আদালত সেদিনই তার আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন। কিন্তু মহিউদ্দিন খান আলমগীরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ ডিসেম্বর আপীল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। একই সঙ্গে তাকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে ইসিকে নির্দেশ দেন চেম্বার বিচারপতি।

সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শামসুদ্দিন ভূইয়া জনকণ্ঠকে বলেন, গবর্নমেন্ট অফিসার্স ডিস্পোজাল এ্যান্ড কনভিকশন এ্যাক্ট-১৯৮৫, অনুযায়ী, সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা যদি ন্যূনতম ছয় মাস কারাদ-ে দ-িত হন তাহলে, আদালতের রায়ের দিন থেকেই তিনি বরখাস্ত হবেন। আর চূড়ান্তভাবে নির্দোষ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত বরখাস্তই থাকবেন। তিনি বলেন, সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিয়ম হচ্ছে, যে আদালত দ- দেবে সেই আদলতই সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে জানাবে।

তবে আদালত যে দিনই জানান না কেন, রায়ের দিন থেকেই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে।

প্রকাশিত : ৩ জুলাই ২০১৫

০৩/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: