মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

উৎসবমুখর রাজধানী খণ্ড খণ্ড মিছিল পথসভা

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল ২০১৫
  • শেষ দিনের প্রচার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেষ দিনের প্রচারে মধ্যরাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন প্রার্থীরা। সকাল থেকেই খণ্ড-খণ্ড মিছিল। দলে দলে ভোট প্রার্থনা। পোস্টার টাঙানো। পথসভায় সরগরম ছিল শহর। অলি-গলিতে দলে দলে মানুষের ভিড়। মাইকিং। সব মিলিয়ে গোটা রাজধানীতেই ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রধান দুই রাজনৈতিক দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থীরা ফল যাই হোক তা মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে প্রচারের শেষ দিনে রাজধানীজুড়ে ছিল যানজট।

ফল মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি খোকনের ॥ ফল যাইহোক, মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাঈদ খোকন। রবিবার শেষদিনের প্রচারে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন। বেলা সোয়া বার্টোায় সায়েদাবাদ ব্রিজ থেকে শেষদিনের প্রচার শুরু করেন সাঈদ খোকন। ৪৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল কালাম অনু ও তার সমর্থকদের নিয়ে পুরো এলাকায় প্রচার চালান। পরে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন সাঈদ খোকন। এরপর ৪৭, ৪৮ ও ৪৯, ৫০, ৫৩ ও ৫৪ ওয়ার্ডে প্রচার চালান।

যাত্রাবাড়ী চাংপাই রেস্তরাঁর সামনে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন সাঈদ খোকন। আমি এ সরকারের আমলে কোন ব্যবসা-বাণিজ্য করিনি। দলকে ব্যবহার করিনি। দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্ক নেই আমার। মেয়র নির্বাচিত হলে নগর ভবনকে দুর্নীতিমুক্ত রাখব। তিনি বলেন, প্রচারে অনেকেই আমার বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ দিয়েছেন। আমি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ দূরের কথা, প্রতিদ্বন্দ্বীর নামও নেইনি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মির্জা আব্বাস আমার বাবার সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। তিনি মুরব্বি, মুরব্বিদের নাম নেয়াও আমাদের রীতিতে নেই। অনেকে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও আমি সহ্য করেছি, ধৈর্য ধরেছি। মেয়র নির্বাচিত হলেও এমন ধৈর্যের পরিচয় দেব। প্রতিশ্রুতি সাঈদ খোকনের।

এক প্রশ্নের জবাবে সাঈদ খোকন বলেন, জয়পরাজয় যাই হোক, আমি ফল মাথা পেতে নেব। তিনি বলেন, আমি ঢাকার সন্তান। ঢাকাবাসীর ভোটে আমার অধিকার একটু হলেও বেশি। এই মেয়র হানিফ উড়াল সেতুর মতো উন্নয়নের গতি অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনা সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট দিন। বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে ইলিশ প্রতীকে ভোট দিন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের সাংসদ গোলাম দস্তগীর গাজী, ডেমরা-যাত্রবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ মুন্নাসহ স্থানীয় নেতারা।

বিকেল সাড়ে পাঁচটায় নবাবপুর থেকে মিনি ট্রাকে উঠে গণমিছিল শুরু করেন সাঈদ খোকন। প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ গণমিছিল নবাবপুর রোড হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড়, ধোলাই খাল, টিপু সুলতান রোড, র‌্যাঙ্কিং স্ট্রিট, হেয়ার স্ট্রিট এবং রাজধানী মার্কেটের সামনে হয়ে টিকাটুলির কেএম দাস, অভয় দাস লেন শেষ করে হাটখোলায় এসে শেষ হয়।

মিছিলে বিভিন্ন মাইকে রেকর্ডিং করা কণ্ঠশিল্পী মমতাজের গান শোনা যায়। মাইকের আওয়াজ ও গানের সুরে উৎসুক জনতা রাস্তার দুইপাশে ভিড় জমান। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা ওই গণমিছিলের মাঝখানে একটি মিনি ট্রাকে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে জনতাকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। তিনি উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনা সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। সাঈদ খোকন বলেন, বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে ইলিশ প্রতীকে ভোট দিন।

আপনারাই আমাকে মেয়র নির্বাচিত করতে পারেন- আনিসুল হক ॥ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক তাকে নির্বাচনের বিষয় জনগণের ওপর ছেড়ে দিয়ে বলেন, আপনারাই আমাকে মেয়র নির্বাচিত করতে পারেন। যদি ২৮ এপ্রিল আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন তাহলে আবার আপনাদের মাঝেই ফিরে আসব। রাজধানীর মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী প্রচার সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক খন্দকার এনায়েত উল্যাহর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী কর্নেল (অব) ফারুক খান এমপি, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডাঃ দীপুমনি এমপিসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ফল মেনে নেবেন আব্বাসপতœী ॥ নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ফল যাই হোক তা মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস। তিনি বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হলে, গণমাধ্যম এবং জনগণ যদি বলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে তাহলে ফল যাই হোক মেনে নেব। সকালে সিদ্ধেশ্বরীতে প্রচারে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এ সময় তিনি ভোটারদেরকে সকাল সকাল ভোট দিতে যাওয়ারও আহ্বান জানান।

এর আগে তিনি সকাল সোয়া ৮টার দিকে পুরানা পল্টনে প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হকের সঙ্গে সাক্ষাত করতে তার বাসায় যান। রফিকুল হকের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, নির্বাচনী প্রচারে নামার প্রথম দিন থেকেই বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। আফরোজা আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসন এবং প্রশাসনের সহায়তায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আমাদের প্রচারে বাধা দিয়েছে, দিচ্ছে। প্রচারে প্রথম দিন থেকেই বাধা পেয়েছি। কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। মির্জা আব্বাস প্রচারে নামতে পারেননি। সরকার তাকে জামিন দেয়নি।

তিনি অভিযোগ করেন, ভোট চাওয়া মির্জা আব্বাসের অধিকার, এই অধিকার সরকার দেয়নি। এছাড়া আমাদের বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী যারা আছেন তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়া প্রচারে নেমেছিলেন, তাকে বাধা দেয়া হয়েছে। প্রার্থীদের পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। কিন্তু জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে। আমরা ভয় পাই না। ভোটে অনিয়ম, ভোট ডাকাতি না হলে আমরা বিজয়ী হব।

ভোটে আছি থাকব- তাবিথ ॥ যতই হামলা-মামলা হোক, ভোটে আছি, থাকব, বলেছেন ঢাকা উত্তরে বিএনপি সমর্থিত মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল। শ্যামলী এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারকালে তিনি একথা বলেন। তাবিথ বলেন, নির্বাচন কমিশনকে আগেও বলেছি, এখনও বলছি, সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করুন। আশা করি, নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব থেকে ভোটের দিন অন্তত সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হই বা না হই জনগণের পাশে আছি, থাকব। তবে আমার পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ী হব।

নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে- সিপিবি ॥ সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ বলেছেন, ‘টাকার খেলা, হুমকি-ধমকি, সহিংসতার মধ্যেই সিটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ধারাবাহিকভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কার্যকর কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রবিবার কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা এ সব অভিযোগ তোলেন। এদিকে হামলার শিকার হয়ে শেষ দিনে প্রচারাভিযানে নামতে পারেননি বিকল্পধারার মেয়র প্রার্থী মাহি বি চৌধুরী। তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। রবিবার তাঁর পক্ষে মাঠে নামেন দলের সাধারণ সম্পাদক মেজর অব. আব্দুল মান্নান। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাহীর পক্ষে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।

নাদের চৌধুরী ॥ জাসদ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী অভিনেতা নাদের চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনী চ্যালেঞ্জে আছি, থাকবÑ সরে দাঁড়ানোর প্রশ্ন ওঠে না। তিনি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর কথায় কান না দিয়ে ‘ময়ূর’ প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের হোতাদের চ্যালেঞ্জ করতেই আমি নির্বাচনী যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি। কারও সঙ্গে আপোসের কোন প্রশ্নই আসে না। তিনি বলেন, নির্বাচনী ফল যাই হোক না কেন দুর্নীতি বিরোধী জনগণের ঢাকা মহানগর গড়ার সংগ্রাম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ, খিলগাঁও তালতলা মার্কেট, বাড্ডা পাংশি হোটেলের সামনে, মিরপুর সনি সিনেমা হলের সামনে, রাজলক্ষ্মী, মোহাম্মদপুর টাউন হলের সামনে পথ সভা, জনসংযোগ ও প্রচার র‌্যালি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন, দলের নেতা মীর হোসাইন আখতার, শিরীন আখতার এমপি, নুরুল আখতার, মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু, ওবায়দুর রহমান চুন্নু, শফিকুর রহমান বাবুল প্রমুখ।

দিনভর মাঠ চষে বেড়ালেন মিলন ॥ জাতীয় পার্টি সমর্থিত ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হাজী সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলনের পক্ষে শেষ দিনে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছেন দলের নেতৃবৃন্দ। প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খানের নেতৃত্বে একটি দল খিলগাঁও, সবুজবাগ, গোড়ান এবং বাসাবো বৌদ্ধমন্দির এলাকায় হাজী মিলনের পক্ষে প্রচারণা ও গণসংযোগ করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন দোকান, বাজার ও মহল্লায় লিফলেট বিলি করেন এবং হাজী মিলনকে সোফা মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। এদিকে মিলন নিজেও দিনভর প্রার্থীদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেছেন। তিনি লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, পিলখানা, চকবাজার, মৌলভীবাজার, বেচারাম দেউরী, বড়কাটরা, ছোটকাটরা, উর্দু রোড, ইমামগঞ্জ, মিটফোর্ড, নিউমার্কেট, কলাবাগান, ধানম-ি, শাহবাগ, মতিঝিল, পল্টন, সেগুনবাগিচা, খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী এলাকায় মেয়র পদে সোফা প্রতীকের গণসংযোগ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মিলন, হাজী মোঃ মাসুম চৌধুরী, মোঃ ওয়াহিদউল্ল্যাহ, মোঃ সাদেক, মোঃ হানিফ, মোঃ নাসিরসহ অনেকে।

চরকা প্রতীকে দিনভর মাঠে বাবলু ॥ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী বাহাউদ্দিন আহমেদ বাবলু উত্তরা, মহাখালী, গুলশান, মগবাজার এলাকার বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বিপণি বিতান ও আবাসিক এলাকায় মেয়র পদে চরকা প্রতীকের গণসংযোগ করেন। এসময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম ফয়সল চিশতী, যুগ্ম-মহাসচিব নুরুল ইসলাম নুরু, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, মোঃ আলী শেখ, নজরুল ইসলাম সর্দার, ইদ্রিস আলী কুদু, হাজী রফিকসহ জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন থানা- ওয়ার্ড শাখার নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মেধা নিয়োগ আর আত্মত্যাগ করব- ক্বাফী ॥ সিপিবি-বাসদসহ বাম-প্রগতিশীলদের সমর্থিত ‘সবার জন্য বাসযোগ্য ঢাকা আন্দোলনের’ মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী (কাফি রতন) নির্বাচনী প্রচারাভিযান ও গণসংযোগকালে বলেছেন, নির্বাচনের আগে ফাঁকা বুলি নয়, প্রয়োজন প্রতিশ্রুতির সফল বাস্তবায়ন। তার জন্য প্রয়োজন মতাদর্শিক সুস্পষ্ট অবস্থান। আমি ৭১ দফা নির্বাচনী ও ব্যক্তিগত কিছু অঙ্গীকার করেছি। জনগণের প্রতি কমিটমেন্টের জন্য কিছুতেই শুধু অঙ্গীকারের মধ্যে আটকে থাকব না, নির্বাচিত হলে ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ শ্রম, মেধা নিয়োগ আর আত্মত্যাগ করব। তেজগাঁও, মহাখালী, বাড্ডা, বনানী, গুলশান, উত্তরায় গণসংযোগ করেন। গণসংযোগকালে তাঁর সাথে ছিলেন সাজ্জাদ জহির চন্দন, রফিজুজ্জামান লায়েক, দিবালোক সিংহ, ডা. সাজেদুল হক রুবেল, রুহুল আমিন, শেখ আব্দুল মান্নান, খান আসাদুজ্জামান মাসুম, বেলায়েত হোসেন, মঞ্জুর মঈন প্রমুখ। গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন উদীচী’র শিল্পী সিদ্দিক আহমেদ। ‘হাতি’ মার্কার মেয়র প্রার্থী ক্বাফী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত সিটি মেয়রদের বহু দুষ্কর্ম দেখেছেন।

নগর সরকার গঠনে টেলিস্কোপে ভোট দিন- সাকি ॥ ঢাকা উত্তরে গণসংহতি আন্দোলন সমর্থিত মেয়র প্রার্থী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘নিরাপত্তাহীনতা আর অস্থিরতার যে পরিবেশ দেশের মানুষকে গ্রাস করছে, তার অবসান হওয়া দরকার। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন থেকে সেই পরিবর্তনের রাজনীতির সূচনা করতে ও নগর সরকার গঠনে টেলিস্কোপ মার্কায় ভোট দিন। রবিবার সকাল থেকে রাজধানীর লালমাটিয়া, নিউকলোনি, মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড, সলিমুল্লাহ রোড, নূরজাহান রোড, জেনেভা ক্যাম্প বাজার, মিরপুরের সাংবাদিক কলোনি, উত্তর কালশী, রামপুরার উলন প্রভৃতি এলাকায় জনসংযোগকালে তিনি এ সব কথা বলেন।

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল ২০১৫

২৭/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: