কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

পানি ব্যবহারে সচেতন না হলে সামনে কঠিন সময়

প্রকাশিত : ২১ মার্চ ২০১৫
  • জাতিসংঘের হুঁশিয়ারি

বিশ্ব যেভাবে ক্রমাগত গরম হতে শুরু করেছে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে পানি হয়ে উঠতে পারে দুষ্প্রাপ্য বস্তু। পানি ব্যবস্থাপনায় আশু সংস্কার করা না হলে তা বড় ধরনের সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। শুক্রবার প্রকাশিত জাতিসংঘের একটি বার্ষিক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ওয়াটার ডেভেলপমেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে যেভাবে পানি অপচয় করা হচ্ছে এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে পানি ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০ শতাংশে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে মোট পানির পরিমাণ মানুষের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট। সমস্যা হলো এর ব্যবহার নিয়ে। জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড মেটেরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএমও) প্রধান মাইকেল জেরাড বলেছেন, ‘পানি খরচের বিষয়টি নজরদারির আওতায় আনা উচিত। কারণ বিশ্বে যেভাবে জনসংখ্যা বাড়ছে তা পানির ওপর চাপ তৈরি করছে। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা এখন ৭৩০ কোটি। প্রতিবছর আট কোটি করে জনসংখ্যা বাড়ছে। ২০৫০ সালে এ সংখ্যা ৯১০ কোটিতে গিয়ে দাঁড়াতে পারে। বর্তমানে কৃষি উৎপাদন কাজে মোট উত্তোলিত পানির ৭০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। উল্লিখিত মাত্রায় জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঘটলে এ পানির ব্যবহার আরও ৬০ শতাংশ বাড়বে। এছাড়া জনসংখ্যা বাড়লে নগরায়নও বাড়বে তার ফলে জলবায়ু পরিবর্তন আরও চরম আকার ধারণ করবে। অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বৃষ্টি বাদলের ধারা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করে থাকে। এছাড়া ভূগর্ভ থেকে উত্তোলিত পানির ৪৩ শতাংশ সেচ কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। মাটির নিচে পানির ওপর যে হারে চাপ বাড়ছে তার ফলে পানির সঞ্চিত ভা-ারে যেমন টান পড়ছে তেমনি মাটি ঘনত্ব নষ্ট হয়ে গিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে সঞ্চিত পানির সঙ্গে লবণ ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান পানির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেবল নগরায়নের জন্য ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বে সুপেয় পানির চাহিদা ৫৫ শতাংশ বেড়ে যাবে। শহর ও নগরগুলোতে তখন বর্তমানের চেয়ে আরও নিচের থেকে পানি উত্তোলনের প্রবণতা বেড়ে যাবে। খবর এএফপির।

প্রকাশিত : ২১ মার্চ ২০১৫

২১/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

বিদেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: