রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আসন্ন পরীক্ষায় কর্মসূচী প্রত্যাহার প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেবে লিয়াজোঁ কমিটি

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী ২০১৫
  • সাংবাদিকদের বললেন নজরুল ইসলাম খান ॥ সোমবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপি-জামায়াত জোটের হরতাল-অবরোধে নাশকতার শঙ্কা নিয়ে সোমবার থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসছে ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ২৬৬ শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে জোটকে কর্মসূচী তুলে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এদিকে বেগম জিয়ার সঙ্গে বিএনপি স্থায়ী কমিটির ৭ সদস্য দেখা করে রাতে বের হয়ে এলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আসন্ন পরীক্ষার সময় অবরোধ প্রত্যাহার হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবে ২০ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটি। এর আগে বেগম জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির ৭ সদস্য। সেখান থেকে বের হয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বেগম জিয়ার সঙ্গে আমরা এক সঙ্গে কাজ করি। কোকোর মৃত্যুর পর আমরা সমবেদনা জানিয়েছি। সেখানে কোন রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি।

আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার সময় অবরোধ প্রত্যাহার হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে কর্মসূচীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা তুলে ধরে জোটকে কর্মসূচী তুলে নেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমাদের লাখ লাখ শিক্ষার্থীর দিকে তাকান, তাদের কথা একবার চিন্তা করেন, যারা পুড়ে মরেছে তাদের দিকে একবার তাকান। এসব কর্মসূচী প্রত্যাহার করেন। আওয়ামী লীগ হোক, বিএনপি হোক, জাতীয় পার্টি হোক সবার প্রতি আহ্বান কর্মসূচী দিয়ে ছেলে মেয়েদের ক্ষতি করবেন না। এদিকে এবার পরীক্ষার সময় ২০ দলীয় জোটের অমানবিক কর্মকা- জনগণই প্রতিরোধ করবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা, পরীক্ষার প্রস্তুতিসহ সার্বিক দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেনÑ শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুনসহ সংশ্লিষ্টরা। পরীক্ষার মধ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচীতে ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ছয় বছর আগেই নির্ধারিত হয়েছে ফেব্রুয়ারির কোন তারিখে এসএসসি এবং এপ্রিলের কোন তারিখে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার রুটিন দেখেও এই সময়ে তারা কেন এসব কর্মসূচী দেন? তাদের কি কা-জ্ঞান নেই? হরতাল-অবরোধ করে বিএনপির কোন ‘লাভ’ হচ্ছে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারা শিক্ষার্থী ও পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছে। এটা কারও কাম্য নয়, এটা হতে দেয়া যায় না। ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেলের পরীক্ষা সম্প্রতি অবরোধের আওতামুক্ত ঘোষণা করে বিএনপি। তবে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা অবরোধের আওতামুক্ত রাখা হবে কিনা সে বিষয়ে এখনও কিছু বলেননি দলটির নেতারা। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা তাকিয়ে আছি, ইংরেজী মাধ্যমের মতো এসএসসি পরীক্ষাও বিএনপি অবরোধের আওতামুক্ত রাখে কিনা। অবরোধের কারণে পরীক্ষা পেছানো হবে না। এর সঙ্গে হরতালের কর্মসূচী থাকলে পরীক্ষা পেছানো হবে কিনা- এমন প্রশ্নে নাহিদ বলেন, তা পরে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলা যাবে। আগের দিনের মতো আবারও বিএনপি ও শরিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আল্লাহর দোহাই, মানবতার দোহাই, শিক্ষার্থীদের দোহাই দিচ্ছি... আর কিভাবে আবেদন জানাব? তারা যা করছেন তা গ্রহণযোগ্য না। আরও তিনদিন সময় আছে, আশা করছি এর মধ্যে তাদের মানবতা জাগ্রত হবে। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি- আল্লাহ তাদের রহম দাও।

পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ২৬৬ জন ॥ শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবার ২৭ হাজার ৮০৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তিন হাজার ১১৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসবে। গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৪ লাখ ৩২ হাজার ৭২৭ জন অংশ নিয়েছিল, এই হিসাবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৪৬ হাজার ৫৩৯ জন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে এবার ছাত্র সাত লাখ ৩৩ হাজার ২২০ জন। ছাত্রী ছয় লাখ ৯৯ হাজার ৫২৫ জন। আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে ১১ লাখ ১২ হাজার ৫৯১ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিলে দুই লাখ ৫৬ হাজার ৩৮০ জন এবং কারিগরি বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনালে পরীক্ষার্থী এক লাখ ১০ হাজার ২৯৫ জন। এবার বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া অন্যসব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা হবে। গণিত ও উচ্চতর গণিতে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা হবে এবারই প্রথম।

এ বছর থেকে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা নামে নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যার পরীক্ষাও সৃজনশীল প্রশ্নে হবে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন পরীক্ষার্থীরা স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেয়া হবে।

জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াতের হরতালের কারণে ২০১৩ সালে এসএসসির ৩৭টি বিষয় এবং এইচএসসির ৪১টি বিষয়ের পরীক্ষা পেছাতে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ। ওই বছরের জেএসসি-জেডিসির ১৭টি বিষয় এবং প্রাথমিক ও এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীর দুটি বিষয়ের পরীক্ষা হরতালের কারণে পিছিয়ে দেয়া হয়। এরপর গত বছরের শেষদিকে জেএসসি-জেডিসি এবং প্রাথমিক ও এবতেদায়ী পরীক্ষাও বিএনপির হরতালের কবলে পড়লে পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত বছরও পরীক্ষার সময় সঙ্কট মোকাবেলা করতে হয়েছে। এবারও সমস্যার মধ্যে আছি। আমরা উদ্বিগ্ন, শিক্ষার্থী-অভিভাবকরাও উদ্বিগ্ন। এর প্রভাব ভবিষ্যতে পড়বে। এসব বিষয় শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ সৃষ্টি করে, অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে। এই উদ্বেগ শিক্ষাকে, ভবিষ্যতকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য, ভবিষ্যতকে পঙ্গু করে দেয়ার জন্য- এটা চলতে পারে না।

ক্ষুব্ধ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ শিক্ষক, অভিভাবকরা ॥ এদিকে হরতাল-অবরোধে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এসএসসি পরীক্ষার সময় ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের অমানবিক কর্মকা- এবার জনগণই প্রতিরোধ করবে। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্ মাঠে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০ দলীয় জোটের সহিংস কর্মকা- অমানসিক ও অমানবিক। এজতেমার সময় তাদের কর্মসূচীতে কোনপ্রকার ছাড় দেয়া হয়নি। ওই সময়ও তারা নাশকতা অব্যাহত রাখে। এসএসসি পরীক্ষার সময় যদি তারা নাশকতা অব্যাহত রাখে তবে পুলিশের সঙ্গে জনগণও তাদের প্রতিরোধ করবে। অন্যদিকে দেশের স্বার্থের কথা বলে মুখে ফুলঝুরি ফোটালেও দেশের শিক্ষা এমনকি বিশাল পরীক্ষার কথা বিবেচনায় না নিয়ে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচীর ঘটনায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে ভুক্তভোগী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে। তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, পরীক্ষার মধ্যে হরতাল ডাকা যুক্তিহীন, দায়িত্বহীন, জ্ঞানহীন ও অবিবেচকের কাজ। জাতীয় শিক্ষক-কর্মচারী ফ্রন্টের সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম বলেছেন, দেশব্যাপী পরীক্ষা চলাকালীন এই ধরনের হরতাল কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষার্থীদের জিম্মি করার অধিকার কোন রাজনৈতিক দলেরই নেই। কিন্তু সরকার কেন বসে আছে? হরতাল-অবরোধের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার অফিস ঘেরাওয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। সংগঠনের সভাপতি ও শ্যামলী আইডিয়াল পলিটেকনিট ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ এমএ সাত্তার বলছিলেন, এটা আর মানা যায় না। এটা কি কোন আন্দোলন? এটাতো সন্ত্রাসী কর্মকা-। আমাদের কোটি কোটি শিক্ষার্থী হরতাল-অবরোধের ধ্বংসাত্মক কর্মসূচীতে উদ্বিগ্ন, ক্ষুদ্ধ। শিক্ষাকে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। হরতাল-অবরোধে শিক্ষা কার্যক্রমে মহাসমস্যার সৃষ্টি হয় উল্লেখ করে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক শেখ একরামুল কবীর বলেন, দেশের স্বার্থের কথা বিবেচনায় এনেই সরকার বছরের শুরুতে একটা শিক্ষা ক্যালেন্ডার দিয়েছে এবং সে অনুসারেই পুরো শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। শৃঙ্খলা ভেঙ্গে এর একটিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হলেই সঙ্কটে পড়ে আমাদের লাখ লাখ সন্তান। অভিভাবক ফোরামের নেত্রী নিপা সুলতানা এ ধরনের কর্মকা-ের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, কোটি কোটি সন্তানের জন্য ক্ষতিকর এ কাজ কোন দল করতে পারে না। আমি অভিভাবকদের পক্ষে কথা বলি। তারা কি আমাদের নিয়ে যা ইচ্ছা তাই করবে? এটা হতে পারে না। কোন দৃশ্যমান কর্মসূচী নেই। গোপনে হামলা চালিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোই তাদের কাজ। এটা মানা যায় না। পরীক্ষার সময় হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহার এবং ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। সমাবেশে বক্তারা এসএসসি পরীক্ষাকে হরতাল-অবরোধের আওতামুক্ত রাখার জন্য আন্দোলনকারীদের প্রতি এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। মানববন্ধন কর্মসূচীতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেনÑ বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার, কারিগরি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান আলম সাজু, আবুল কাশেম, অধ্যক্ষ মোকসেদুর রহমান, অধ্যাপক এমএ বারী, বজলুর রহমান, অধ্যক্ষ বেনি আমিন, অধ্যক্ষ সলিম উল্লাহ সেলিম, আজগর আলী, অধ্যক্ষ দেলোয়ার ইসলাম, শাহজাহান খান প্রমুখ।

বেগম জিয়ার সঙ্গে দলের ৭ নেতার

সাক্ষাত ॥ বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাত সদস্য। রাত পৌনে আটটার দিকে গুলশান কার্যালয়ে গিয়ে তাঁরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করে তাঁকে ছেলের মৃত্যুতে সমবেদনা জানান। উল্লেখ্য, কোকা মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার রাতে এই সাত নেতা প্রথম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করেন।

সেখান থেকে বের হয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বেগম জিয়ার সঙ্গে আমরা একসঙ্গে কাজ করি। ছেলের মৃত্যুর পর আমরা সমবেদনা জানিয়েছি। সেখানে কোন রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। এসএসসি পরীক্ষার সময় অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে কিনাÑ জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০ দলীয় জোটের লিয়াঁজো কমিটির সঙ্গে আলাপ করে কর্মসূচীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা হলেনÑ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আর এ গনি, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সারোয়ারী রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী ২০১৫

৩০/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: