কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

খুলনায় মাদুরপাল্টা গিলে খাচ্ছে আন্ধারমানিক

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর ২০১৪

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ খুলনার দাকোপ উপজেলার একটি গ্রামের নাম আঁধারমানিক। তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের মাদুরপাল্টা নদীর পাড়ে গ্রামটির অবস্থান। অব্যাহত নদী ভাঙ্গনে বিলীন হতে চলেছে এক সময়ের সবুজ-শ্যামল এই গ্রামটি। ইতোমধ্যে গ্রামটির পাঁচ শতাধিক একর জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে কার্যকর কোন ব্যবস্থা না থাকায় গ্রামবাসীর বসতঘরও রাক্ষুসী মাদুরপাল্টা নদী গিলে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

খুলনার দাকোপ উপজেলা এলাকাটি নদ-নদী বেষ্টিত। এ উপজেলার বিভিন্ন নদী গিলে খাচ্ছে নদী সংলগ্ন এলাকা ও গ্রামগুলোকে। এর মধ্যে একটি গ্রাম হচ্ছে আঁধারমানিক। মাদুরপাল্টা নদীর তীরে অবস্থিত এই গ্রামের ৩০ হাজার মানুষের বসবাস। এখানকার মানুষ এক সময় জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল ও পুকুরে মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কৃষিই ছিল তাদের জীবন ধারনের একমাত্র অবলম্বন। বেঁচে থাকার স্বপ্ন। কিন্তু মাদুরপাল্টা নদী ওই গ্রামের মানুষদের বেঁচে থাকার স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।

এলাকাবাসী জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩২ নম্বর পোল্ডারের আওতাধীন মাদুরপাল্টা নদীতে ২০০১ সালে প্রথম ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। এরপর দফায় দফায় ভাঙ্গন এবং ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলায় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে পাঁচ শতাধিক একর কৃষি জমি। যতবার নদী ভেঙ্গেছে, ততবার নদী তীরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ এগিয়েছে গ্রামের দিকে। ভাঙ্গন এখন বসতবাড়ির কাছে এসে ঠেকেছে। নদী তীরের অসংখ্য ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসী। এদিকে নদীর স্রোত গতিপথ হারিয়ে ‘আঁধারমানিক’ গ্রামের দিকে যাওয়ায় ক্রমান্বয়ে একদিকেই ভাঙ্গছে। বিপরীত দিকে অবস্থিত ২২ নম্বর পোল্ডারের পাইকগাছা উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের কালীনগর ও দারুমল্লিক গ্রাম সংলগ্ন পাড় ভরাট হয়ে যাচ্ছে।

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর ২০১৪

১১/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: