কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

চীনের প্রাচীরে সস্ত্রীক রাষ্ট্রপতি হামিদ

প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর ২০১৪
চীনের প্রাচীরে সস্ত্রীক রাষ্ট্রপতি হামিদ

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য ‘গ্রেট ওয়াল’ পরিদর্শন করেছেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী রাশিদা খানম। এছাড়া রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গীরা সোমবার সকালে গ্রেট ওয়ালের বাদলিং সেক্টরে পৌঁছেন। তাঁরা ঐতিহাসিক স্থাপনাটির এই সেক্টরে পায়ে হেঁটে এখানকার পাহাড়ী ভূমির নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। ওয়াল পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রপতি দর্শনার্থী বইতে স্বাক্ষর করেন। খবর বাসসর।

বেজিং থেকে ৪৩ মাইল (৭০ কিলোমিটার) উত্তর-পশ্চিমে চীন-বাদলিং হচ্ছে গ্রেট ওয়ালের সর্বোচ্চ পরিচিত সেক্টর। ১৯৫০’র দশকের শেষের দিকে এটি সংস্কার করা হয়। প্রতিদিন হাজার হাজার দেশী ও বিদেশী পর্যটক এখানে আসেন।

চীন সাম্রাজ্যে বহিরাক্রমণ ঠেকাতে কিন শি হাং সম্রাটের আমলে খৃস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের ২৫৯ থেকে ২১০’র মধ্যে বিশাল এই স্থাপনার নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এরপর মিং রাজবংশের আমলে খ্রিস্ট পরবর্তী ১৪ থেকে ১৭ শতকে (১৩৬৮ থেকে ১৬৪৪) গ্রেট ওয়ালের সর্বাধিক পরিচিত ও সংরক্ষিত কেস্টর নির্মিত হয়।

জনশ্রুতি আছে যে, এই ওয়াল নির্মাণকালে ৪ লাখ শ্রমিক মৃত্যুবরণ করে এবং তাদের অনেককে এই ওয়ালের মধ্যে সমাহিত করা হয়।

মাটি ও পাথরে নির্মিত ৩ হাজার মাইলেরও বেশি দীর্ঘ এই ওয়াল পশ্চিমে সাংহাই গুয়ানের চীন সমুদ্র থেকে গাংসু প্রদেশ অতিক্রম করেছে। এর ভিত্তি (বেজ) হচ্ছে ১৫ থেকে ৫০ ফুট এবং উচ্চতা ১৫ থেকে ৩০ ফুট। শীর্ষে ১২ ফুট বা এর বেশি উচ্চতার দুর্গ প্রাকার রয়েছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে প্রহরী চৌকিও (গার্ড টাওয়ার) আছে।

বর্তমানে সাধারণভাবে গ্রেট ওয়াল ইতিহাসের এক অতি চিত্তাকর্ষক স্থাপত্য কীর্তি হিসেবে স্বীকৃত। ইউনেস্কো ১৯৮৭ সালে এই স্থাপনাকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে। ২০ শতকের জনশ্রুতি যে, গ্রেটওয়াল হচ্ছে মানুষের তৈরি একমাত্র স্থাপনা যা চাঁদ থেকে দেখা যায়।

প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর ২০১৪

১১/১১/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: