কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মেয়র প্রার্থীদের ॥ সেয়ানে সেয়ানে লড়াই

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল ২০১৫

মোয়াজ্জেমুল হক, চট্টগ্রাম অফিস ॥ আর মাত্র দুদিন পরেই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত প্রার্থীরা। এ জন্য চট্টগ্রামের অলি গলি চষে বেড়াচ্ছেন তারা। শেষ মুহূর্তের প্রচারে ভোটারদের কাছে টানার প্রতিযোগিতা চলছে প্রার্থীদের মধ্যে। চলছে নির্ঘুম গণসংযোগ। তবে আগামীকাল মধ্যরাত থেকে সব ধরণের প্রচার বন্ধ হবে। এদিকে মেয়র পদে প্রধান দুই প্রার্থী আওয়ামী লীগ সমর্থিত আ জ ম নাছির উদ্দিন ও বিএনপি সমর্থিত এম মনজুর আলমের ভোটযুদ্ধ নিয়ে অগ্রিম ধারণা কোন মহল করতে পারছেন না। প্রচারে আ জ ম নাছির উদ্দিন বহুভাবে এগিয়ে রয়েছেন মনজুর আলমের চেয়ে। এমনকি নির্বাচনের একেবারে আগ মুহূর্তে এসে নির্বাচনী ইশতেহারও আ জ ম নাছির প্রকাশ করেছেন মনজুর আলমের একদিন আগে। আ জ ম নাছির দিয়েছেন চট্টগ্রামের উন্নয়নে ৩৬ দফা আর মনজুর আলম দিয়েছেন ৫৪ দফা। অপরদিকে, এ দু’জন ছাড়া বাকি ১০ প্রার্থীর অনেকে ইতোমধ্যে তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছেন।

এ নির্বাচনে প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার যাই হোক না কেন তা নিয়ে নগরবাসীর তেমন কোন আগ্রহ নেই বলে প্রতীয়মান। কেননা, নির্বাচন এলেই সব ধরনের প্রার্থীরা যে কোনভাবে আগাম কিছু ওয়াদা এবং বিরোধীপক্ষকে ঘায়েল করার নানা বক্তব্য দিয়ে ভোটারদের কাছে টানার যে প্রয়াস তা নতুন নয়। সঙ্গত কারণে শিক্ষা-দীক্ষায় অনগ্রসর শ্রেণীভুক্ত ভোটাররা এসব ইশতেহার নিয়ে মোটেই আগ্রহী নয়। পাশাপাশি শিক্ষিত শ্রেণী-পেশার ভোটাররা এসব দফার বাস্তবায়ন নিয়ে বিশ্বাসী নয়। চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। এর পাশাপাশি রয়েছে আরও অসংখ্য নাগরিক সমস্যা। মেয়র নির্বাচিত হয়ে যিনি বাস্তবিক অর্থে বিরাজমান সমস্যা সমাধানে তৎপর হবেন তিনিই সাধারণ মানুষের কাছের যে হবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অরাজনৈতিক এ নির্বাচন প্রকারান্তরে রাজনৈতিক সমর্থনের হওয়ায় বিভিন্ন প্রার্থী নিয়ে অধিকাংশ মহলে সমালোচনার কমতি নেই। এরপরও দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক অঙ্গন এখন রাজনৈতিক দলীয় সমর্থনে ঘেরাটোপে নিমজ্জিত। সে হিসেবে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনেও রাজনৈতিক দলীয় সমর্থনে যাঁরা এগিয়ে থাকবেন তাঁরাই শেষ পর্যন্ত বিজয়ের মুকুট পরবেন একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এবারের চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের এন্তার অভিযোগ রয়েছে। এর ফলাফল রয়েছে বলা যায় শূন্যের কোটায়। আচরণবিধি ভঙ্গকারীদের সতর্কীকরণই বেশি করেছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। দু’য়েকটি ঘটনায় জরিমানা এবং সমাবেশ বন্ধ করা ছাড়া অন্য কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ লক্ষণীয় নয়।

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল ২০১৫

২৫/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন



ব্রেকিং নিউজ: