মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

পাইলট তামান্নার মৃত্যুর বিচার দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল ২০১৫, ০১:৫৩ পি. এম.

স্টাফ রিপোর্টার। প্রশিক্ষণের সময় রাজশাহীর শাহ মুখদুম বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় নিহত পাইলট তামান্না রহমান হ্রদির পরিবার অবিলম্বে এ ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের দাবি জানিয়েছে। শনিবার সকালে রাজধানীর নিকুেঞ্জ এ উপলক্ষ্যে এক মানবববন্ধনের আয়োজন করে এ দাবি জানানো হয়। এতে অংশ নেয় ক্ষিলক্ষেত জান-ই আলম স্কুলের শিক্ষার্থী সহ এলাকার সর্বস্তরের গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় উপস্থিত তামান্নার শোকার্ত পিতা ডা, আনিসুর রহমান এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাবের উদাসীনতা ও গাফিলতির দরুণ রাজশাহীতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। যেমন ওখানকার প্রধান প্রকৌশলীর পদে দায়িত্ব পালন করছেন মনিরজ্জামান রুমির মতো এইট পাস লোক। যিনি ওই উড়োজাহাজটির বেল্ট নষ্ট হবার পরও সেটা ঠিক করেননি। দ্বিতীয়ত ফ্লাইট ইন্সট্র্ক্টারের ভুলেই ওই দৃর্ঘটনা ঘটে।

ডা.আনিসুর রহমান এই দুর্ঘটনার সুষ্টু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের ফৌজদারি আইনে দৃষ্টান্তুমুলক শাস্তির দাবি জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, প্রায় তিন সপ্তাহ হয়ে গেলেও এখনো তদন্ত কমিটি এখনো নিহতের পরিবারকে কিছুই জানতে দেয়নি। এমনকি তদন্তের কোন সদস্য এখনো পর্যন্ত আমাদের কারোর স্েঙ্গ যোগাযোগ করেনি। তারা সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন শুধু ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর সাইদ কামালের জবানবন্দীর অপ্ক্ষোর কথা বলে কালক্ষেপন করছেন। ফ্লাইং ক্লাবের রক্ষনাব্ক্ষেনের অভাব আর ব্যর্থতার দরুণ একের পর এক ঘটছে দুর্ঘটনা। এ ধরণের কর্মকান্ড আর চলতে দেয়া যায় না।

উল্লেখ্য গত ১ এপ্রিল বুধবার দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘ্টনাস্থলেই প্রাণ হারাণ তামান্না রহমান হৃদি। আহত হন প্রশিক্ষক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শাহেদ কামাল। তিনি এখন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার পর সিভিল এভিয়েশান একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তদন্ত কাজ এখনো শেষ করতে পারেনি।

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল ২০১৫, ০১:৫৩ পি. এম.

১৮/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: