রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মাইক্রোসফটের জন্মদিন

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫

১৯৭৫ সালের চার এপ্রিল বিল গেটস ও পল এ্যালেনের হাত ধরে শুরু সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটের। প্রতিষ্ঠানটির ৪ দশক পূর্তিতে মাইক্রোসফট কর্মীদের উদ্দেশে এক খোলা চিঠি লিখেছেন সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। তিন এপ্রিল মাইক্রোসফটের কর্মীদের উদ্দেশে ওই চিঠি পাঠান গেটস। যে ‘অসম্ভব লক্ষ্য’ নিয়ে মাইক্রোসফটের শুরু হয়েছিল সেটি অর্জন করতে পারার গর্বের কথা ওই চিঠিতে লিখেছেন গেটস। চিঠিতে অতীত অর্জন নিয়ে নিজের সন্তুষ্টির কথা যেমন লিখেছেন তেমনি জানিয়েছেন মাইক্রোসফটের ভবিষ্যত নিয়ে তার ভাবনা।

মাইক্রোসফট কর্মীদের উদ্দেশ্যে গেটসের লেখা সেই চিঠির বাংলা অনুবাদ তুলে ধরা হলো নিচে : ‘‘আগামীকাল একটি বিশেষ দিন : মাইক্রোসফটের ৪০তম বার্ষিকী। শুরুর দিকে পল এ্যালেন ও আমার নির্ধারিত লক্ষ্য ছিল প্রতিটি বাড়ির ডেস্কে কম্পিউটার পৌঁছে দেয়া। এটি দুঃসাহসী একটি লক্ষ্য ছিল এবং আমাদের কল্পনা বাস্তবে পরিণত হবে এমন বিশ্বাসের কারণে অনেকেই মনে করেছিলেন আমরা আকাশকুসুম চিন্তা করছি। সেই সময়ের তুলনায় এখন কম্পিউটার যে পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে তা ভাবলে অবাক বিস্ময় কাজ করে এবং সেই বিপ্লবে মাইক্রোসফট যে ভূমিকা পালন করেছিল তা নিয়ে আজ আমরা সবাই গর্ববোধ করতেই পারি। তারপরও আজ আমি মাইক্রোসফটের অতীতের চেয়ে ভবিষ্যত নিয়ে বেশি চিন্তা করছি। আমার বিশ্বাস, আগামী দশ বছরে আগের চেয়েও দ্রুত বিবর্তন ঘটবে কম্পিউটারের। ইতোমধ্যেই আমরা একটি মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম বিশ্বে বাস করছি এবং কম্পিউটিং আরও বিস্তৃত হবে। আমরা এমন একটি সময়ের কাছে আছি, যেখানে কম্পিউটার এবং রোবট দেখতে, শুনতে ও কথা বলতে পারবে, নতুন অনেক এ্যাপ্লিকেশন আসবে এবং মানুষের ক্ষমতায়ন আরও বৃদ্ধি পাবে। নাদেলা অধীনে মাইক্রোসফট আগামীর নেতৃত্ব দেয়ার জন্য ভাল অবস্থানে রয়েছে। কঠিন সমস্যা পাড়ি দিতে এবং তা সমাধানের জন্য আমাদের সম্পদ রয়েছে। এখন আধুনিক কম্পিউটিংয়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা জড়িত এবং এই শিল্পের জন্য গবেষণা চালিয়ে যেতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। নাদেলার কারিগরি উপদেষ্টা হিসেবে আমি ‘প্রোডাক্ট রিভিউ’-এ যোগ দেয়ার সুযোগ পাই এবং তার মেধা ও কল্পনাশক্তি দেখে মুগ্ধ হই।কর্টানা, স্কাইপ ট্রান্সলেটর এবং হলোলেন্সের মতো পণ্য ও আরও যেসব উদ্ভাবন আসছে সেগুলোই এর স্পষ্ট প্রমাণ।আগামী বছরগুলোতে, মাইক্রোসফট বিশ্বের আরও মানুষ ও সংস্থার কাছে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে। প্রযুক্তি এখনও অনেক মানুষের হাতের নাগালের বাইরে, কারণ এটি জটিল ও ব্যয়বহুল বা তাদের এতে যুক্ত হওয়ার মতো কোনো সুযোগ নেই। আর তাই আমি আশা করি, আপনারা চিন্তা করবেন কী করলে প্রযুক্তির শক্তিকে সব মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া যাবে, তাদের একজনকে অন্যজনের সঙ্গে সংযুক্ত করা যাবে। ব্যক্তিগত কম্পিউটিংকে সর্বত্র সহজলভ্য করে তুলুন। আমরা প্রথম ৪০ বছরে এক সঙ্গে অনেক কিছু অর্জন করেছি, ক্ষমতায়ন করেছি অগণিত ব্যবসা এবং মানুষকে তাদের পূর্ণ ক্ষমতা সম্পর্কে অনুধাবন করিয়েছি। কিন্তু এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে, আমরা পরবর্তীতে কী করব। মাইক্রোসফটকে বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য অসাধারণ একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে আপনারা যে সহায়তা করেছেন, সেজন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।” সূত্র ॥ আইটি ডট

কম ডেস্ক

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫

১১/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: