মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

নগরজুড়ে নিরাপত্তা বলয়ের প্রস্তুতি

প্রকাশিত : ৬ এপ্রিল ২০১৫

মাকসুদ আহমদ, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা বেস্টনি তৈরিতে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামের নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক দফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব বাহিনীর সদস্যসংখ্যা নির্ধারিত হবে। এক্ষেত্রে জনবল সঙ্কট নিরসনে জেলা পর্যায়ের পুলিশ ও আনসার বাহিনী অতিরিক্ত জনবল হিসেবে চসিক নির্বাচনে নিয়োজিত করা হবে। এদিকে, নির্বাচনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে ভোটাররা এবং প্রার্থীদের অনেকেই নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পক্ষে মত ব্যক্ত করেছেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রগুলো ঝুঁকিমুক্ত রাখার চেষ্টায় পুলিশ সদস্যরা আগেভাগেই কাজ শুরু করেছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও কোন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক দফতরের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকে নির্বাচন সুসম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতসংখ্যক সদস্য প্রয়োজন রয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এছাড়াও ওই বৈঠকে পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম নিয়েও বিশদ আলোচনা হবে। সিএমপির এক উর্ধতন কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন, সিএমপিতে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার সদস্য রয়েছে। নির্বাচন পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বল্পসংখ্যক পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে জেলা পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্য থেকেও বিপুলসংখ্যক পুলিশ বরাদ্দের প্রয়োজন রয়েছে। প্রায় ৬০ বর্গ কিলোমিটার আয়তন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের। নির্বাচন পূর্ববর্তী দিন এবং নির্বাচনের দিন ও ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ সদস্যদের কমপক্ষে তিন দিনের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশন প্রহরায় ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে অতিরিক্ত পুলিশ বরাদ্দ পাওয়া না গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

র‌্যাব, পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যরাও ভোট কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া বিজিবি সদস্যরা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে টহল দেয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতেও কড়া নজরদারি রাখবে বলে জানা গেছে। তবে বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আগেভাগেই সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে র‌্যাব সেভেনের সিও লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব সদস্যরা নির্বাচন উপলক্ষে কাজ করবে। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সদস্য মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। র‌্যাব সেভেনের সঙ্গে এ ব্যাপারে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকাশিত : ৬ এপ্রিল ২০১৫

০৬/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: