মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

বগুড়ায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত : ২০ মার্চ ২০১৫
  • বিয়াম ল্যাবরেটরি কলেজে চাকরি ছাড়ছেন শিক্ষকরা

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া অফিস ॥ বগুড়া বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষের চরম দুর্ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক যারপর নেই ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকসহ উর্ধতন কর্মকর্তাগণের কাছে অভিযোগ করেছেন। বগুড়া সরকারী আযিযুল হক কলেজের একজন অধ্যাপকসহ কয়েক অভিভাবক ওই স্কুলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত ফি নেয়া এবং শিক্ষার মান নিয়ে নানাধরনের অনিয়মের কারণ জানার জন্য গেলে অধ্যক্ষ চরম অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। কলেজ অধ্যক্ষকে কিল ঘুষি মারেন। একটি উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের এ ধরনের আচরণে বগুড়ার সুধীমহল বিস্মিত হয়েছে। তারা সংবাদ সম্মেলন করেছে। ওই অধ্যক্ষ সম্পর্কে খোঁজখবর করতে গেলে যা উদঘাটিত হয় তা মোটেও সুখকর নয়। সেই অধ্যক্ষের নাম মোঃ নুরুল ইসলাম। বাড়ি নন্দীগ্রাম উপজেলায়। মাদ্রাসাভিত্তিক লেখাপড়া করার পর শুরুতে খ-কালীন শিক্ষক হিসেবে চাকরি পান নিজ এলাকার একটি মাদ্রাসায়। একটি ঘটনায় ওই মাদ্রাসা থেকে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর এলাকাবাসী তাকে গ্রাম থেকে বিতাড়িত করে। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা অর্থ আত্মসাৎ চাঁদাবাজির দুইটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। নন্দীগ্রামে জনতা ব্যাংকের ম্যানেজারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও তাকে হুমকি দেয়ায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করাও আছে। মামলা থাকার পরও কিভাবে বিয়ামের মতো প্রতিষ্ঠিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদে চাকরি করেন এ বিষয়টিও রহস্যজনক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যে অভিযোগ দেয়া হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো, স্কুলের অস্বাভাবিক বাড়তি ফি নেয়া। অভিভাবকদের সঙ্গে চরম অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে শারীরিক নির্যাতন করা। শিক্ষার্থীদের বিনা কারণে স্কুল থেকে বের করে দেয়া ও মানসিক নির্যাতন করা। এই অধ্যক্ষ স্কুলে শিশুদের মানসিক বিকাশে কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেন না। তার মানসিক নির্যাতনে সুমন কুমার মোহন্ত ও বীথি সাহা নামের দুইজন শিক্ষক চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। বর্তমানেও কয়েকজন শিক্ষক স্কুল ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সরকারী বিধি অনুযায়ী বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজ, বিয়াম মডেল স্কুলের অধ্যক্ষ পদের জন্য ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকা বাঞ্ছনীয়। তার সেই অভিজ্ঞতা নেই। উল্লিখিত বিষয়ে ওই অধ্যক্ষের সঙ্গে সেল ফোনে কয়েক দফায় যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। প্রতিবারই তার সেল ফোন সুইচ অফের সিগনাল দেয়।

প্রকাশিত : ২০ মার্চ ২০১৫

২০/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: