কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বিশ্বকাপ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মঞ্চ নয়

প্রকাশিত : ৪ মার্চ ২০১৫
  • খন্দকার জামিল উদ্দিন

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর কিছুটা হলেও যেন কঠিন হয়ে পড়েছে টাইগারদের কোয়ার্টার ফাইনাল স্বপ্ন। সম্মুখে এখন প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়িয়ে তিন ‘ল্যান্ড’! স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার প্রত্যাশা বাস্তবে পরিণত করতে অন্তত দুটিকে হারাতে হবে টাইগারদের। অন্যথায় বিষাদবধনে ঘরে ফিরতে হবে মাশরাফিদের। বিশ্বকাপের সূচী চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পর থেকেই স্কটল্যান্ডকে হারানোর লক্ষ্য ঠিক হয়ে আছে। প্রত্যাশিত সেই জয় অর্জনের সঙ্গে ইংল্যান্ডকেই এখন শিকার বানাতে হবে টাইগারদের। এই ম্যাচটি জিততে পারলে কাজের কাজ আদায় করে নেয়া সম্ভব। তবে বিশ্বকাপে অপ্রতিরুদ্ধ হয়ে ওঠা নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে নিজেদের শেষ ম্যাচে কিছু করে ফেলার আশাটা হবে আকাশকুসুম কল্পনা। যদিও কিউইদের বাংলাওয়াশ করার কৃতিত্ব আছে টাইগারদের। তবে নিউজিল্যান্ডের ঘরের মাঠে জেতার মতো কিছু করা বেশ কঠিন। যদিও ক্রিকেটে শেষ বলে কিছু নেই। তবে এই মুহূর্তে সব সমীকরণের মাঝে শেষ কথা আগামীকাল নেলসনে বধ করতে হবে স্কটিশদের।

আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেছিল টাইগাররা। খেলোয়াড়রা মুখে না বললেও সেই আত্মবিশ্বাসের পালে জোর হাওয়া লেগেছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বৃষ্টির কল্যাণে এক পয়েন্ট পেয়ে যাওয়ায়। আগে তিন ম্যাচ জিতলে যেখানে রানরেটাও নিয়ামক হতো সেখানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক পয়েন্ট পাওয়ায় এখন আর সেটা মাথায় রাখতে হচ্ছে না। যা টাইগারদের জন্য সুখের বিষয়ই। কিন্তু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের পর যেন খ- খ- মেঘ জমেছে বাংলাদেশের স্বপ্নের আকাশে। মেঘগুলো দানা বেঁধে বর্ষণ হয়ে ঝরে পড়ে কিনা সেটাই এখন ভয়। আফগানদের বিপক্ষে যে আলোক রেখা দেখা গিয়েছিল তা এখন কিছুটা হলেও যে মলিন। যার মূলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাজে পারফর্মেন্স। হতাশার এই ম্যাচের পর। ‘প্রথম ম্যাচে জয়ের পর সবারই প্রত্যাশার মাত্রা বেড়ে গিয়েছিল। আমার ক্ষেত্রেও তাই। যদিও কাগজে-কলমে আমরা শ্রীলঙ্কা থেকে পিছিয়ে। তবে অতীতে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর রেকর্ড আমাদের রয়েছে। চারটা ম্যাচে আমরা তাদের বিপক্ষে জয় পেয়েছিলাম। তবে আমি বিশ্বাস করি বিশ্বকাপের সব ম্যাচই ফিফটি। সবার সম্ভাবনা এক প্রকার সমান। কেউ নিশ্চিত করে বলতে পরে না আমি জিতবই। সে বিবেচনায় আমাদের প্রত্যেকের আশা ছিল বাংলাদেশ উজ্জিবিত নৈপুণ্য দেখাবে। বিশ্বাসটা আরও বেড়ে গিয়েছিল এজন্য যে, বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের আগে শ্রীলঙ্কার পারফর্মেন্স আশানুরূপ ছিল না। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাজেভাবে হারের পর আফগানিস্তানের সঙ্গেও লঙ্কানরা হারতে হারতে জিতে গেছে ভাগ্যগুণে। এ কারণেই আমাদের প্রত্যাশার মাত্রাটা বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেরকম কোন তকমা আমরা দেখাতে পারিনি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।’

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং-তিন বিভাগেই ওদের ছাড়িয়ে বা পেছনে ফেলতে পারেনি বাংলাদেশ। যার পরিণাম ৯২ রানের বড় পরাজয়। তবে ব্যাটিং কিংবা বোলিংয়ের ব্যর্থতা ছাপিয়ে বাজে ফিল্ডিং পরাজয়ের অন্যতম বড় কারণ। ফিল্ডিংই আসলে টাইগারদের ডুবিয়েছে। ‘যেভাবে ক্যাচগুলো আমাদের হাত থেকে ফঁসকেছে, মাশরাফির বলে এনামুল যে ক্যাচটি ছেড়েছে, আসলে তারই মাসূল দিতে হয়েছে শেষ পর্যন্ত। প্রথম ওভারে দিলশানের সেই উইকেটটা পড়ে গেলে খেলার ধারা অন্যরকমও হতে পারত। কিন্তু আমরা দেখলাম ওই সুযোগ হারানোর পর আরও অনেকটি সহজ সুযোগ হাত ছাড়া হয়েছে। এ কারণে প্রথম উইকেটেই বড় ভিত গড়ে তোলে লঙ্কানরা। মোদ্দাকথা বাংলাদেশ ম্যাচ থেকে ছিঁটকে যেতে শুরু করে ক্যাচ মিসের মহড়ায়। সাঙ্গাকারও দুবার জীবন পেয়েছে। তার মতো ব্যাটসম্যান দু-দুবার জীবন পেলে জেতার কল্পনা অবান্তর হয়ে ওঠে। তবে এদিন ভাগ্যও টাইগারদের সঙ্গে পাশে ছিল না। এমসিজির মাঠে তিনশ’ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড কখনো ছিল না। তাই শ্রীলঙ্কা ৩৩২ করার পরই মূলত বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটা শেষ হয়ে গেছে। তারপরও ফাইট দেয়ার একটা প্রত্যাশা ছিল। কারণ উইকেটে তেমন কোন জুজু ছিল না। পূর্ণাঙ্গ একটা ব্যাটিং উইকেটে খেলা হয়েছে। টসে জিতলে আমরাও হয়ত ব্যাটিং নিতাম। প্রথমে ব্যাট করে আমরা তিনশ’ করতে পারলে শ্রীলঙ্কাও চাপে পড়ত। প্রথমেই দুর্ভাগ্যের শুরু। সেই পুরো ম্যাচে আর আমাদের পিছু ছাড়েনি। তামিমের উইকেটটাও পড়ে গেল শুরুতেই। মালিঙ্গার যে বলে তামিম আউট হলো তাতে বলব শুধু তামিম কেন? বিশ্বের যে কোন ব্যাটসম্যানই ওই বলে আউট হতে পারত।’

তবে টপ অর্ডারে অন্যদের ব্যাটিং নিয়ে যারপরনাই আমি ব্যাথিত। তামিমের আউট হয়ে যাওয়ার পর উইকেটে গিয়ে অনেকে নিজের উইকেটটা ছুড়ে দিয়ে এসছে। সৌম্য সরকার খুব ভাল খেলছিল। কিন্তু সৌম্য সরকারের মতো ব্যাটসম্যানদের বুঝতে হবে এখানে জিম্বাবুইয়ের মতো দলের সঙ্গে আমরা খেলছি না। এটা বিশ্বকাপের ম্যাচ এবং তাও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। প্রতিটি বলে ধারাবাহিকভাবে সটস খেলে কখনোই নিজেরই ইনিংসকে লম্বা করা যায় না। এ রকম স্ট্রোক খেলা যায় তখনই যখন কিনা আপনি উইকেটে থিতু হয়ে যাবেন। বলটাকে একেবারে ফুটবলের মতো দেখবেন। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় শেষ দশ ওভারে অনেক দল শতাধিক রান তুলে ফেলছে। ওই পর্যন্ত উইকেট ধরে রাখতে পারলে আমরাও হয়ত শেষ পনেরো ওভারে একটা সুযোগ নিতে পারতাম। কিন্তু আমরা সেটা পারিনি কারণ আমাদের ব্যাটসম্যানরা মাঠে নেমেই অনেক বেশি সটস খেলেছে। যার প্রয়োজন ছিল না। সৌম্য সরকারকে বলব তাকে এমন একটা জায়গায় খেলতে দেয়া হচ্ছেÑ যে জায়গায় কিনা বিশ্বের সব সেরা ব্যাটসম্যানরা ব্যাট করে থাকেন। সৌম্য এটা অনুধাবন করতে পারেনি। এখানে প্রতি বলেই কখনো সটস খেলা যায় না। প্রতি বলের চার, ছয় ক্রিকেটে সম্ভব নয়। তামিমের উইকেট চলে যাওয়ার পর উচিত ছিল অত স্ট্রোক না খেলে উইকেটে আঁকড়ে থাকা। শেষ ১০-১৫ ওভারে তাহলে একটা চান্স নেয়া যেত। এটা করতে পারেনি মাশরাফিবাহিনী। একই জিনিস আমরা পরবর্তিতে এনামুল ও রিয়াদের মধ্যেও দেখলাম।’ মুশফিক, সাকিবকে নিচে খেলানোয় আর সবার মতো আমিও হতাশ। কোন সন্দেহ নেই মুশফিক আমাদের দলের সেরা ব্যাটসম্যান এবং সাকিব বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। তাই তদেরই বেশি বল খেলার সুযোগ করে দিতে হবে। আমি মনে করি মুশফিককে চার এবং সাকিবকে পাঁচে ব্যাট করানো উচিত।’

বিশ্বকাপকে যেন ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মঞ্চ বানিয়ে ফেলেছ বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রথম ম্যাচে মুমিনুলকে তার জায়গায় সুয়োগ না দিয়ে খেলিয়েছে নয় নম্বরে। পরের ম্যাচে আবার চারে। এটা বড় ধরনের ভুল। অদূরদর্শি সিদ্ধান্ত। আমি বুঝতেছি না বিশ্বকাপের মতো কঠিন আসরে কেনা ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে এত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। টিম ম্যানেজমেন্ট কেন ব্যাটিং অর্ডার ওলট-পালট করছে এটা আমার মাথায় আসছে না। মুমিনুল অনেক আগেই প্রমাণ করেছে তিন নম্বর পজিশন তার জন্য সেরা জায়গা। এই পজিশনে সে তার সামর্থের প্রমাণও দিয়েছে বহুবার। কিন্তু আমরা দেখলাম মুমিনুল একবার নয় নম্বরে ব্যাট করছে। আবার পরের ম্যাচে চার নম্বরে। এ রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা আসলে বিশ্বকাপের মতো জায়গায় কখনো মঙ্গল বয়ে আনে না। আনতে পারে না। আমি বলব, মুমিনুলকে যদি দলে রাখা হয় তবে অবশ্যই তাকে তিন নম্বরে খেলার সুযোগ করে দিতে হবে। অন্যথায় তাকে একাদশে রাখার দরকার নেই। কারণ সাত কিংবা আট নম্বরে নাসির খুব ভাল ব্যাট করে। ভাল অফ স্পিনও করে। সেক্ষেত্রে আমি মনে করি পরের ম্যাচে মুমিনুলকে বাদ দিয়ে নাসিরকে সুযোগ দেয়া হোক।’

মাশরাফির অধিনায়কত্ব আমাকে শতভাগ সন্তুষ্ট করতে পারছে না। অবাক লেগেছে মাশরাফির মতো এত বিনয়ী স্বভাবের অধিনায়ককেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে শান্ত দেখিনি। বিভিন্ন সময় তাকে চিৎকার, রাগারাগি করতে দেখেছি। সে এতটাই খেই হারিয়ে ফেলেছিল সবাই ওভার প্রতি সাত-আট করে রান দেয়ার পরও সৌম্য সরকারের কথা সে ভুলেই গেছে। তাকে তো ব্যবহার করা হয়নি এবং মুমিনুলকেও না। সবাই যখন মার খাচ্ছে তখন সৌম্য এবং মুমিনুলকে দিয়ে দু-এক ওভার বল করানো উচিত ছিল। যখন নিয়মিত বোলাররা কিছু করে ওঠতে পারে না। তখন অনেক সময় পার্টটাইম বোলাররা কার্যকর হয়। বিশ্ব ক্রিকেটে যা আমরা সচারচারই দেখে থাকি। কিন্তু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আমরা সেটা দেখিনি। আমার এটা খুবই অবাক লেগেছে। আসলে মাশরাফির কাছ থেকে থেকে আরও ভাল নেতৃত্ব আশা করি। আরও ভাল নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষমতা সে রাখে।’ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগের দুই দেখায় অনেক বড় ব্যবধানে এবং আরও বাজেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ। যার কোনটিতেই দু’শ রানের কোটা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। সেই তুলনায় ২৪০ রান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে একমাত্র ইতিবাচক দিক বলে আমি মনে করি।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ এখন ইজ্জত রক্ষার লড়াই টাইগারদের। এই ম্যাচ হেরে গেলেও কোয়ার্টার ফইনালের যদিও সুযোগ থাকছে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিততে পারলে। কাজেই যেন এ ধরনের ভুল আর না হয়। বিশেষ করে ব্যাটিং নিয়ে আর পরীক্ষা-নিরীক্ষা যাতে না হয়। এখনই যেন ঠিক করে নেয়া কোন জায়গায় কে খেলবে। আবারও বলছি বিশ্বকাপ মোটেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জায়গা নয়।’

পরের ম্যাচে একাদশে পরিবর্তনের পক্ষে আমি। তাসকিন আহমেদের বোলিং নিয়ে সমালোচনার পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘ সামনে আমাদের তিনটা ভাইটাল ম্যাচ, যার দুটাই আমাদের জিততে হবে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে হলে। তাই আমার মনে হয় এখন আমাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো দরকার। আমি আবারও সরাসরিই বলব মুমিনুলকে তিন নম্বরে না খেলালে নাসিরকে খেলানো হোক। সঙ্গে তাসকিনের জায়গায় আমি সফিউলকে দলে নেয়ার পক্ষে। কারণ সফিউল ২০১১ বিশ্বকাপে অভাবনিয় নৈপুণ্য দেখিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে, আমাদের বিজয় এনে দিয়েছিল। যেহেতু এখন সে দলে আছে তাই মনে হয় আমরা তাকে ব্যবহার করা উচিত। এই দুজন অভিজ্ঞ ক্যাম্পেইনার দলে আসলে আমার মনে হয় সেটা মঙ্গল বয়ে আনবে। স্কটল্যান্ডের সঙ্গে বাড়তি স্পিনার খেলালে আরাফাত সানিকে নেয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে মুমিনুলের জায়গায়ই আরাফাত সানিকে যোগ হতে পারে।’

আমি বিশ্বাস করি এখনও টাইগারদের সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি। যথেষ্ট ভাল সযোগ আছে চমক দেখানোর। স্কটল্যান্ডকে যদি আমরা পরাজিত করতে পারি তাহলে টিম আবারও উজ্জীবিত হয়ে ওঠবে। এতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাড়তি মনোবল যোগাবে। আমি খুবই আশাবাদী মানুষ। কাজেই জোর দিয়েই বলতে চাই বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনাল খেলবে। আশা করি সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ পরিকল্পনা করে দল সাজাবে।

তবে তার আগে দলের টিম স্পিরিট বাড়ানোর বিকল্প নেই। শৃঙ্খলা ভঙ্গের মতো নানা অনাকাক্সিক্ষত বিষয়ের সমালোচনা সর্বত্র। সম্প্রতি কিছু অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটতে দেখেছি। আল আমিনকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ম্যানেজমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ এক সদস্যকে নিয়েও অপ্রত্যাশিত গুঞ্জন সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এই জিনিসগুলো কিন্তু দলের ওপরে প্রভাব ফেলবে। বিসিবির বেশ কয়েকজন পরিচালক ওখানে অবস্থান করছেন। আমি মনে করি পরবর্তী খেলার আগেই এই সমস্যাগুলো সমাধান তাদের করতে হবে। এর আগেও ম্যানেজারের সঙ্গে কোচের দ্বন্দ্বের খবর পত্র-পত্রিকায় পড়েছি। কোন রকম দ্বন্দ্ব, কোন রকম বিতর্ক, কোন ধরনের রেষারেষি সবকিছু ভুলে গিয়ে একটা টিম হিসেবে খেলতে হবে। টিম স্পিরিটের মাধ্যমে দলকে উজ্জীবিত করতে হবে। মাশরাফিকে ঠা-া মাথায় নেতৃত্ব দিতে হবে। দলের মধ্যে যে ধরনের অভিযোগ-অনুযোগ এসব কিছুর অবসান ঘটাতে হবে। দলটা যাতে একটা পরিবারের মতো থাকতে পারে এবং নিজেদের একটা দল হিসেবে মেলে ধরতে পারে সেই প্রত্যাশা থাকবে আমার।’

অনুলিখন : তোফায়েল আহমেদ

প্রকাশিত : ৪ মার্চ ২০১৫

০৪/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: