মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

হরতাল-অবরোধে ক্ষতিগ্রস্তদের কেন খালেদাসহ ১৯ জন ক্ষতিপূরণ দেবেন না ?

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • হাইকোর্টের রুল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের টানা সহিংস অবরোধ ও হরতালে নিহত ব্যক্তি ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, বিকল্প ধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ ১৯ বিবাদীকে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এই ১৯ বিবাদীর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণের অর্থ থেকে ক্ষতিপূরণের অর্থ সংগ্রহের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

কেরানীগঞ্জের ব্যবসায়ী মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীনের করা ওই রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মোঃ সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ রুল জারি করেন। সোমবার সন্ধ্যায় আদালতের আদেশের অনুলিপি প্রকাশিত হয়, যা মঙ্গলবার জনকণ্ঠের হাতে আসে।

রবিবার আদালত নৃশংস হরতাল ও অবরোধ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। একই সঙ্গে ‘হরতাল ও অবরোধের নামে নৈরাজ্য বন্ধে’ সিরিয়াস ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশনাও দেয়া হয় আদেশে। ওই রুল ও আদেশের বিষয়ে সোমবার সংবাদ মাধ্যমে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, তার অতিরিক্ত আরও কয়েকটি রুল আদেশের অনুলিপিতে রয়েছে।

ওই আদেশে ব্যাংক হিসাব জব্দ করে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র, আইন ও পররাষ্ট্রসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ ১৪৩ জনের প্রতি এ রুল জারি করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চার সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদেশে রিট আবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয়, হরতাল-অবরোধের নামে কিছু রাজনৈতিক দলের তথাকথিত রাজনৈতিক কর্মসূচীর বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। শুনানিতে এ আবেদনের পক্ষে আইনজীবীরা বলেছেন, এ পর্যন্ত ৭০ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে দগ্ধ হয়ে মারা গেছে ৪২ জন। এ ছাড়া কয়েক শ’ ব্যক্তি আহত হয়েছে, যার মধ্যে অগ্নিদগ্ধ হয়েছে দেড় শ’ জন। কতিপয় রাজনৈতিক নেতার তথাকথিত প্রেস রিলিজের মাধ্যমে হরতাল বা অবরোধ ডাকা হচ্ছে। এতে শিশুদের শিক্ষা, ব্যবসা সেক্টর, যানবাহন সেক্টরসহ সারা দেশে সব সেক্টর স্থবির হয়ে পড়েছে। দেশের কেউ বাড়ির বাইরে নিরাপদ বোধ করছে না। কখনও কখনও নিজ ঘরও নিরাপদ নয়। এসব বক্তব্যের সমর্থনে কিছু ডকুমেন্ট দাখিল করেছেন আইনজীবীরা।

২০ দলীয় জোটের অপর যে ১৭ নেতার বিষয়ে রুল জারি করা হয়েছে তারা হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, আবদুল মঈন খান ও মির্জা আব্বাস, সাদেক হোসেন খোকা, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহম্মদ ও শমসের মবিন চৌধুরী, খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, রিয়াজ রহমান ও সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, সালাহ উদ্দিন আহমেদ ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ও কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইবরাহিম।

এসব রুল বিচারাধীন থাকাবস্থায় অসাংবিধানিক প্রাণঘাতী অবরোধ ও হরতাল রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের চলমান অবরোধ-হরতালে যেসব নাশকতার ঘটনা ঘটছে তার চিত্র তুলে ধরে জনস্বার্থে হরতাল-অবরোধে সন্ত্রাস, নাশকতা বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ওই রিট আবেদন করা হয়।

সংগ্রহের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

কেরানীগঞ্জের ব্যবসায়ী মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীনের করা ওই রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মোঃ সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ রুল জারি করেন। সোমবার সন্ধ্যায় আদালতের আদেশের অনুলিপি প্রকাশিত হয়, যা মঙ্গলবার জনকণ্ঠের হাতে আসে।

রবিবার আদালত নৃশংস হরতাল ও অবরোধ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। একই সঙ্গে ‘হরতাল ও অবরোধের নামে নৈরাজ্য বন্ধে’ সিরিয়াস ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশনাও দেয়া হয় আদেশে। ওই রুল ও আদেশের বিষয়ে সোমবার সংবাদ মাধ্যমে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, তার অতিরিক্ত আরও কয়েকটি রুল আদেশের অনুলিপিতে রয়েছে।

ওই আদেশে ব্যাংক হিসাব জব্দ করে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র, আইন ও পররাষ্ট্রসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ ১৪৩ জনের প্রতি এ রুল জারি করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চার সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদেশে রিট আবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয়, হরতাল-অবরোধের নামে কিছু রাজনৈতিক দলের তথাকথিত রাজনৈতিক কর্মসূচীর বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। শুনানিতে এ আবেদনের পক্ষে আইনজীবীরা বলেছেন, এ পর্যন্ত ৭০ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে দগ্ধ হয়ে মারা গেছে ৪২ জন। এ ছাড়া কয়েক শ’ ব্যক্তি আহত হয়েছে, যার মধ্যে অগ্নিদগ্ধ হয়েছে দেড় শ’ জন। কতিপয় রাজনৈতিক নেতার তথাকথিত প্রেস রিলিজের মাধ্যমে হরতাল বা অবরোধ ডাকা হচ্ছে। এতে শিশুদের শিক্ষা, ব্যবসা সেক্টর, যানবাহন সেক্টরসহ সারা দেশে সব সেক্টর স্থবির হয়ে পড়েছে। দেশের কেউ বাড়ির বাইরে নিরাপদ বোধ করছে না। কখনও কখনও নিজ ঘরও নিরাপদ নয়। এসব বক্তব্যের সমর্থনে কিছু ডকুমেন্ট দাখিল করেছেন আইনজীবীরা।

২০ দলীয় জোটের অপর যে ১৭ নেতার বিষয়ে রুল জারি করা হয়েছে তারা হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, আবদুল মঈন খান ও মির্জা আব্বাস, সাদেক হোসেন খোকা, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহম্মদ ও শমসের মবিন চৌধুরী, খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, রিয়াজ রহমান ও সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, সালাহ উদ্দিন আহমেদ ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ও কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইবরাহিম।

এসব রুল বিচারাধীন থাকাবস্থায় অসাংবিধানিক প্রাণঘাতী অবরোধ ও হরতাল রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের চলমান অবরোধ-হরতালে যেসব নাশকতার ঘটনা ঘটছে তার চিত্র তুলে ধরে জনস্বার্থে হরতাল-অবরোধে সন্ত্রাস, নাশকতা বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ওই রিট আবেদন করা হয়।

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

১৮/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: