মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

তিস্তায় ভয়াবহ পানি সঙ্কট

প্রকাশিত : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • ব্যারেজের সেচ কার্যক্রম বন্ধের পথে

স্টাফ রির্পোটার, নীলফামারী ॥ তিস্তা নদী শুকিয়ে গেছে। উজানের চুয়ানো পানিতে নদী এখন সরু নালায় পরিণত হয়েছে। গত এক সপ্তাহ আগেও নদীর পানি ৯ শত কিউসেক থাকলেও সোমবার বিকেলে তিস্তার পানিপ্রবাহ প্রায় দুইশত কিউসেকে নেমেছে বলে জানা গেছে। পানি হ্রাস অব্যাহত।

এদিকে তিস্তা নদীতে ভয়াবহ পানি সঙ্কটে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের সেচ কার্যক্রম বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে বোরো আবাদে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সেচ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে মাত্র ৫ কিলোমিটার প্রধান ও মেজর সেকেন্ডারি ক্যানেলে যে পানি সংরক্ষিত রয়েছে তা দিয়ে মাত্র ৭ শত হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া হচ্ছে। উজানের পানি পাওয়া না গেলে এটিও দুই একদিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অপরদিকে একটি নির্ভনযোগ্য সূত্র জানায়, বাংলাদেশ অংশের তিস্তায় পানি না থাকলেও ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমায় অবস্থিত তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত গজলডোবা ব্যারাজের জলধারা পানিতে টইটম্বুর হয়ে রয়েছে। গজলডোবার সবকটি গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। সেখানকার চুয়ানো পানি এখন নদী দিয়ে সরু নালায় প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যে শুধু বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা নয়, গজলডোবা ব্যারাজের ভাটির তিস্তা নদীর প্রায় ৬০ কিলোমিটার ভারতীয় এলাকার কৃষকও সেচ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ভারতীয় এই এলাকার তিস্তা নদীর পানি শুকিয়ে বর্তমানে বালিয়াড়িতে পরিণত হয়েছে। ফলে সেখানকার সেচ সুবিধাবঞ্চিত কৃষকরাও চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।

তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাফিউল বারী জানান, চলতি রবি ও খরিফ-১ মৌসুমে ২৮ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে সেচ প্রদানের টার্গেট ধরা হলেও বর্তমানে যে পরিমাণ পানি রয়েছে তাতে করে মাত্র ৭ শত হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে প্রকল্পের মাত্র ৫ কিলোমিটার প্রধান সেচ খালের তুহিন বাজার এসটি-টু ক্যানেলের পর পানি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে, সম্ভাবনা জাগিয়েও বারবার থেমে থাকছে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি। চুক্তি বাস্তবায়ন না থাকায় বিগত সময়ের ন্যায় এবারো চলতি মৌসুমে নদীর পানি হ্রাস পেয়ে চলেছে। তিস্তার ব্যারাজের ৪৪টি মূল কপাট ও ৮টি সেচের কপাট বন্ধ রাখা হয়েছে।

বার্ন ইউনিটের আহতদের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা

ধর্ম মন্ত্রী আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেছেন, দেশে যারা সহিংসতা এবং মানুষকে হত্যা করছে তারা দেশ, জাতি এবং ইসলামের শত্রু। এসব সহিংসতাকারীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটে সরকারী যাকাত ফান্ডের অর্থ সহিংসতায় আহত গরিব ও অসহায় রোগীদের মাঝে প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, বার্ন ইউনিটের ডাক্তারবৃন্দ, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। -বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

০৩/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: