কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ডাক্তারের মতো চিকিৎসায় বিদ্যুতস্পৃষ্ট সঙ্গীর জীবন বাঁচালো বানর

প্রকাশিত : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪

তার ডাক্তারিতেই জীবনদায়ী সাফল্য। রবিবার এমনই অভিনব ঘটনার সাক্ষী রইল ভারতের উত্তর প্রদেশর কানপুর। ঘটনাস্থল রেলস্টেশন। হাইটেনশন বিদ্যুতের তার বেয়ে যথারীতি কসরত দেখাচ্ছে একদল বানর। কিন্তু চোখের পলকে ঘটে গেল বিপত্তি। ইলেকট্রিক শক লেগে একটি বানর ছিটকে পড়ল রেললাইনে। এক নজর দেখেই বোঝা যায় দেহে প্রাণের চিহ্নমাত্র নেই।

প্লাটফর্মে উপস্থিত জনতার হঠাৎ নজরে পড়ল মৃত সঙ্গীর কাছে গুটি গুটি এসে হাজির হয়েছে আরও দু’তিনটি বানর। তার মধ্যে একটি বানর সঙ্গীর দেহটা নিয়ে নেড়েচেড়ে দেখতে লাগল। রীতিমতো দক্ষ ভঙ্গিতে সে লেগে পড়ল মৃতবত পড়ে থাকা সঙ্গীর চিকিৎসায়। প্রথমে তাকে উপুড় করে ঘাড়ের কাছে কামড় দিয়ে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা। তারপর ঝুপ করে জলে চুবিয়ে শক থেরাপি। তারপর প্রায় অবিকল কার্ডিও-পালমোনারি রিসাসিয়েশন (সিপিআর)। অর্থাৎ হৃদস্পন্দন বা শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে মানুষের ক্ষেত্রে যে ইমার্জেন্সি চিকিৎসা ব্যবস্থা অনুসরণ করে কৃত্রিমভাবে হৃদযন্ত্র বা নিঃশ্বাস চালু করার চেষ্টা করা হয়।

কখনও চিত, কখনও উপুড় করে ফেলে মাসাজ করে প্রায় ১৫-২০ মিনিট ধরে চলল বানরটিকে বাঁচিয়ে তোলার প্রাণপণ প্রয়াস। ঘণ্টাখানেক পর অবশেষে মির‌্যাকল! হঠাৎই একটু, খুব অল্প একটু নড়ে উঠল মৃত বানরের দেহটা। চিকিৎসা জারি রইল আরও কিছুক্ষণ। একটু একটু করে ফিরে এলো প্রাণের লক্ষণগুলো। হালকা শ্বাস-প্রশ্বাস, চোখ মেলে তাকানো, হাত-পা নাড়ানো? শেষে উঠে বসল এতক্ষণ নেতিয়ে পড়ে থাকা বানরটি। কিছুক্ষণ পর সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে সোজা হয়ে বসে থাকতেও পারল। দর্শকদের ততক্ষণে খুশি ধরে না। ‘ডাক্তার’-এর এমন চমকপ্রদ সাফল্যে উচ্ছ্বাসে আত্মহারা সকলেই।

প্রকাশিত : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪

২৪/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: