মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

রফতানি প্রবৃদ্ধি অব্যাহত

প্রকাশিত : ৭ এপ্রিল ২০১৫

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিএনপি-জামায়াতের চলমান সহিংসতায়ও দেশের রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হলেও অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে এ প্রবৃদ্ধি প্রায় তিন শতাংশ।

সোমবার রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী এ প্রবৃদ্ধি হয়। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ শতাংশ কম প্রবৃদ্ধি হলেও রফতানিকাররা আশা করছেন, রাজনীতিতে স্বস্তি ফিরে এলে রফতানিতেও তা ইতিবাচক প্রভাব রাখবে।

ইপিবির হিসাব মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ ২ হাজার ২৯০ কোটি ৩০ লাখ (২২.৯০ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে। গত বছরের মার্চ মাসে পণ্য রফতানি থেকে বাংলাদেশ ২৪১ কোটি ৪০ লাখ ডলার আয় করেছিল। এবারের মার্চে আয় হয়েছে ২৫৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

সদ্য শেষ হওয়া মার্চ মাসে গত বছরের মার্চের চেয়ে প্রায় ৭.৪৩ শতাংশ বেশি রফতানি আয় দেশে এসেছে বলে ইপিবির তথ্যে উঠে আসে। ফেব্রুয়ারিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৫.১৫ শতাংশ। জানুয়ারিতে যা ছিল প্রায় ৫ শতাংশ। সব মিলে চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে রফতানি আয় বেড়েছ ২.৯৮ শতাংশ। ৮ মাসে অর্থাৎ জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২.৪৩ শতাংশ। জুলাই-জানুয়ারি সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ২.০৬ শতাংশ। গত তিন মাস ধরে দেশে যে সহিংস-আতঙ্কের রাজনীতি চলেছে সেটা না থাকলে রফতানি আয় আরও বাড়ত বলে মনে করেন বিজিএমইএ’র সহসভাপতি মোঃ শহিদুল্লাহ আজিম। তিনি বলেন, দেশে অস্থিরতা না থাকলে ওভেন খাতে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল সেটা অর্জন সম্ভব হতো। বিজিএমইএ’র এই সহসভাপতি বলেন, আগামী দিনগুলোতে অস্থিরতা না হলে বাংলাদেশের ৫০ বছরে ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানির যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব। এজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

ইপিবি তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-মার্চ মাসে তৈরি পোশাক রফতানি থেকে এসেছে মোট রফতানি আয়ের ৮১ শতাংশ। এর মধ্যে ওভেন পোশাক রফতানি থেকে এসেছে ৯৫৫ কোটি ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৬৪ বেশি। নিট পোশাক রফতানি থেকে আয় হয়েছে ৯০৫ কোটি ডলার। এখাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২.৬৯ শতাংশ। এ সময়ে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ শতাংশ। অন্য পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ৬.৬২ শতাংশ। চামড়াজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ৭ শতাংশ। ফুটওয়্যার (পাদুকা) রফতানি বেড়েছে ২৩.৪ শতাংশ। তবে হিমায়িত মাছ রফতানি কমেছে ৬.৭২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩২০ কোটি (৩৩.২০ বিলিয়ন) ডলার। গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩০.১৯ বিলিয়ন ডলারের রফতানি আয় দেশে এসেছিল।

প্রকাশিত : ৭ এপ্রিল ২০১৫

০৭/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: