কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ভিডিও গেমে এখন ভার্চুয়াল রিয়ালিটি

প্রকাশিত : ২১ মার্চ ২০১৫

বিশ্বজিৎ রায় ॥ ঠিক এক বছর আগে খেলাধুলায় ব্যবহৃত বিশেষ ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর) প্রোগ্রাম প্রযুক্তির ধরাছোয়ার বাইরেই ছিল। এখন এটি থার্ড ডাইমেশন বিশ্বে চক্ষু নিমিষেই আমাদের কাছে পরিচিত হয়ে উঠছে। ভিআর হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের এ্যাপ্লিকেশন।

যার মাধ্যমে ভিডিও গেম শিল্পে উন্নয়ন ঘটতে যাচ্ছে। শুধু খেলাধুলা না। এই এ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিনোদনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক ‘গেম ডেভেলপারস কনফারেন্সে (জিডিসি) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গেম নির্মাতা, প্রোগ্রামার এবং প্রাযুক্তিক শিল্প কোম্পানির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবে। তারা এই কনফারেন্সে তাদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ডিজাইন নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে।

এ দশক ধরে হলিউডই শুধু ভিআর ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাযুক্তিক শিল্প এক সময় থেকে আরেক সময়ে কোনকিছু দেখানোর জন্য ভিআর ব্যবহার করে আসছে। এখন সর্বশেষ ভোক্তাদের কাছে ভিআর সেবা পৌঁছে দেয়াই গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন জাপানের মাল্টিমিডিয়া কোম্পানি সনির ভিডিও গেম ইন্ডাস্ট্রির বিশ্লেষক মাইকেল পেচটার। গত বছর সনি প্রথমবারের মতো ভিডিও গেমের জন্য ভার্চুয়াল ডিভাইস চালু করার কথা বলে। সেই থেকে ভিআর তার স্থান ধরে রেখেছে। সনি ডিভাইসের কোড নম্বর হচ্ছে মোরপেআস। এর আগে সনির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ২.৩ বিলিয়ন ডলার ভিআর খাতে বিনিয়োগ করেছিল। তবে তা ততটা সফলতার মুখ দেখেনি। কিন্তু সনি ভিআর-এর সম্ভাবনা হারায় নাই বলে মনে করে কোম্পানির বিশ্লেষক।

ভিআর নতুন কোন নাম নয়। নব্বইয়ের দশকে বিজ্ঞান মনস্ক লেখকরা সায়েন্স ফিকশনে ভিআর কথা উল্লেখ করেন। প্রতিদ্বন্দ্বী গুগল কার্ডবোর্ড ডিআইওয়াই হেডসেট প্রজেক্ট নিয়ে সনির ভিআর অংশীদার এলজি এবং টয়মেকার মাটটেলের সঙ্গে পরামর্শ করে। এমন কী মাইক্রোসফট কর্পোরেশনও এই গেম নিয়ে আলোচনা করে। মাইক্রোসফট কোম্পানি এই রিয়ালিটি হেডসেটকে হোলোলেন্স বলে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে গুগল থার্ড ডাইমেশন ইমেজ চালু করে। তবে সর্বশেষ সনিই ভিডিও গেমে নতুন কিছু দিতে যাচ্ছে।

জিডিসি ফিচার রিফট হেডসেটের অকিউলাস প্লেয়ার সচরাচর ফেসবুকে ব্যবহৃত হলেও ভিআরএ ব্যবহৃত হবে না। এটা গেম ইন্ডাস্ট্রির লেসার হিসেবে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হবে।

যেমন : ভøাভ হাফ্-লাইফ বিজ্ঞান ফিকশন গেম এবং স্টিম অনলাইন স্টর হিসেবে পরিচিত। ভøাভের মাধ্যমে হেডসেটের নিজস্ব দৃশ্য দেখাতে পারে। তখন এটাকে বলে স্টিম ভিআর। পিসি মেকার রেজারও ভøাভের মতো কিছু দেখাতে পারে। আর তখন সে ডিভাইসকে বলে ওএসভিআর হেডসেট। ওএসভিআর যে কোন ডেভেলপারকে একত্র করে থ্রি-ডাইমেশন প্রোগ্রামস মুক্তভাবে ব্যবহার করতে পারে।

কোম্পানির বিশ্লেষক মাইকেল পেচটার মনে করেন, গত বছরের মতো আগামী বছরও গ্রাহকের নজর মোরপেআস হেডসেট সনির দিকে। পেচটার এক সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করার সময় এ কথা বলেন। পেচটার বলেন, এটাই সত্য-মোরপেআস সম্ভবত আমাদের কিছু দেখাতে যাচ্ছে। তবে, ২০১৬ সালের আগে ডিভাইস বাজারে ছাড়া হবে না।

প্রকাশিত : ২১ মার্চ ২০১৫

২১/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: