রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ই-টেন্ডার নিয়েও নয়-ছয় করার অভিযোগ

প্রকাশিত : ১৫ মার্চ ২০১৫
  • লাখ লাখ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত সরকার

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ॥ টেন্ডার সন্ত্রাসী রোধে সরকার চালু করেছে ই-টেন্ডার। কিন্তু ই-টেন্ডারে চলছে ছয়-নয়। জাল জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় সোয়া ৪ কোটি টাকার কাজ হাতিয়ে নিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ই-টেন্ডার নিয়ে চলছে একের পর এক অনিয়ম। কর্মকর্তারা অনিয়মে জড়িয়ে পড়ায় সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সে সঙ্গে কাজের মান নিয়ে অভিযোগ বিস্তর। গত সপ্তাহে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পর্যাপ্ত কাগজপত্র ছাড়াই সোয়া ৪ কোটি টাকর কাজ দেয়া হয়েছে বিশেষ একটি প্রতিষ্ঠানকে। এ ব্যাপারে প্রধান প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ জানানো হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বছরের শেষ দিকে জেলার বিজয়নগর উপজেলার রামপুরা ব্রিজের দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২০১৪ সালে ২ ডিসেম্বর ৯টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। এতে সর্বনিম্ন দরদাতা এম এ জাহের ৩ কোটি ৬১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, দ্বিতীয় দরদাতা প্রগতি এন্টার প্রাইজ ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা প্রায় এবং তৃতীয় দরদাতা হাসান এন্টার প্রাইজ (জে.বি) ৪ কোটি ৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা প্রদান করে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করে এলজিইডির কর্মকর্তা তৃতীয় দরদাতাকে কাজটি প্রদান করে। এতে সরকারের লোকসান হয়েছে ৪২ লাখ টাকা। এছাড়া তৃতীয় দরদাতা যে স্মারক নম্বর দিয়েছে এই স্মারক নম্বরের অস্তিত্ব এলজিইডিতে নেই। কাজের টার্ন ওভারের যথাযথ কাগজপত্র ছাড়াই কাজটি দিয়ে দেয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ই-টেন্ডারে কোন কাগজপত্রের ঘাপলা প্রমাণিত হলে ঠিকাদারের দরপত্র বাতিল করা হয়। এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। ঠিকাদারদের অভিযোগ ই-টেন্ডারের তথ্য পছন্দের ঠিকাদারদের স্থানীয় প্রভাবশালী কর্মকর্তারা আগেই ফাঁস করে দেন। এতে করে একের পর এক অনিয়মের ঘটনা ঘটছে। এদিকে নির্বাহী প্রকৌশলী ও সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী ই-টেন্ডারের গোপন প্রক্রিয়া ফাঁস করে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করার লক্ষ্যে নাম কাওয়াস্তে দরপত্র যাচাই বাছাই করছে বলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন জানান, আমাদের এখানে অনেক কাজের টেন্ডার হয়। কোনটিতে এমন হয়েছে বলতে হলে আপনাকে অফিসে আসতে হবে। তিনি তথ্য ফাঁস করার কথা অস্বীকার করেন।

প্রকাশিত : ১৫ মার্চ ২০১৫

১৫/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: