মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ঢাকা ডায়িংয়ের দরবৃদ্ধি

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী ২০১৫

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি ঢাকা ডায়িংয়ের শেয়ারের দর গত সপ্তাহে ডিএসইতে বাড়ে ১৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। সার্বিকভাবে কোম্পানিটি দরবৃদ্ধির তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে। সপ্তাহ জুড়ে এর মোট ২ কোটি ৭২ লাখ ৯৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইতে সর্বশেষ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর বাড়ে ১০ দশমিক ১৪ শতাংশ বা ১ টাকা ৫০ পয়সা। দিনভর দর ১৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১৬ টাকা ৩০ পয়সায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৬ টাকা ৩০ পয়সায়। লেনদেন শেষে এর সর্বশেষ দর ছিল ১৬ টাকা ৩০ পয়সা। এদিন এর ১৪ লাখ ৪ হাজার ৬৯১ শেয়ার ৭৩৬ বারে লেনদেন হয়।

দেখা গেছে, দুই কার্যদিবস ধরে বাড়ছে শেয়ারটির দর। এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ১৪ টাকা ২০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৬ টাকা ৩০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ১৪ টাকা ২০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২১ টাকা ৬০ পয়সা।

সর্বশেষ প্রকাশিত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রির মুনাফার পরিমাণ ২০ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এ সময় নিট মুনাফা হয় ২ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২৯ পয়সা।

প্রসঙ্গত শ্রম আইন অনুসারে কোম্পানির হিসাব বছর শেষে পরবর্তী নয় মাসের মধ্যে কর্মীদের মুনাফার অংশ বণ্টন করে না ঢাকা ডায়িং। এ নিয়ে কোম্পানির ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদনে আপত্তি তুলে ধরে মন্তব্য করেছেন কোম্পানিটির বহিরাগত নিরীক্ষক। এছাড়া কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কোম্পানির মুনাফা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হিসাব করতে বাংলাদেশ এ্যাকাউন্টিং স্টান্ডার্ড অনুসরণ করেনি।

ডিএসইতে প্রকাশিত সংবাদে নিরীক্ষক তার মন্তব্যে উল্লেখ করেন, শ্রমিকদের মুনাফায় অংশগ্রহণ ও কল্যাণ তহবিলের পুঞ্জীভূত অর্থ শুরু থেকেই বণ্টন করা হয়নি। এ তহবিলে পুঞ্জীভূত অর্থের পরিমাণ ২ কোটি ৬৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। কোম্পানির কল্যাণ তহবিল গঠন এবং তা বণ্টনের বিষয়ে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ এর সংশ্লিষ্ট ধারা যথাযথভাবে অনুসরণ করেনি।

শ্রম আইনের ১৫ অধ্যায় অনুসারে, প্রতিষ্ঠানের মুনাফার ৫ শতাংশ শ্রমিকের অংশগ্রহণ তহবিল ও একটি শ্রমিক কল্যাণ তহবিল স্থাপন করতে হয়। আর প্রতিষ্ঠানের নিট মুনাফার ৫ শতাংশ অর্থ হিসাব বছর শেষ হওয়ার নয় মাসের মধ্যেই বিতরণ করতে হবে। এ মুনাফার ৮০ শতাংশ যাবে অংশগ্রহণ তহবিলে। অবশিষ্ট ২০ শতাংশের মধ্যে ১০ শতাংশ কল্যাণ তহবিলে যাবে এবং ১০ শতাংশ বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৪ এর অনুসারে স্থাপিত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে প্রদান করতে হয়।

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী ২০১৫

১১/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: