মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

স্বপ্নসিঁড়ির শিখরে হিলারি!

প্রকাশিত : ২ জানুয়ারী ২০১৫

টেক্সটাইল ব্যবসায়ী বাবা আর বহু ভাষায় পারদর্শী মায়ের ঘরে জন্ম হিলারি রডহ্যামের। ১৯৭৫ সালে বিল ক্লিনটনকে বিয়ে করার মাধ্যমে হিলারি ক্লিনটন নামে পরিচিতি পান। কর্মযোগ্যে তিনি ছিলেন স্বতন্ত্র, নিজ পরিবার ও স্বামীর অনুপ্রেরণায় এগিয়েছেন বহুদূর। তার চেয়ে বড় কথা হিলারি নিজের জায়গায় নিজ যোগ্যতাকে প্রতিষ্ঠা করেছেন ব্যক্তিগত দৃঢ়তায়। হিলারির বন্ধু লিসা মাসকেতিনের ভাষায় : হিলারি আগেই চিন্তা করতেন কোন কাজে তিনি জয়ী হলে প্রতিক্রিয়া কী হবে, হলে কেমন প্রতিক্রিয়া হবে এবং সে ক্ষেত্রে তাঁর কী করা উচিত। তাঁর মতে, হিলারি খুবি আশাবাদী এক জন মানুষ, সামনের বিষয়টি ভাবেন এমন মানুষের মাঝে তিনি অন্যতম।

১৯৪৭ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করা হিলারি বিশ্বের প্রভাবশালী রাজনীতিকদের একজন। রাজনীতি সচেতনতা থেকে ১৯৬৮ সালে যোগ দেন ডেমোক্রেটিক পার্টিতে। ১৯৭৯ সালে মার্কিন রোজ ল ফার্মে প্রথম নারী আইনজীবী হিসেবে যোগ দিয়ে সে বছরই স্থান করে নেন টাইমস পত্রিকার পাতায়। মার্কিন ফার্স্ট লেডির পতাকা পান ১৯৯৩ সালে। ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার তাঁকে লিগ্যাল সার্ভিস করপোরেশন বোর্ডে নিয়োগ দেন। সিনেটর হিসেবেও তিনি সফল নারী।

২০০৮ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ার পর সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল আফগানিস্তানে সেনা মোতায়েন ও ইরাক পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে হিলারির করা কাজ। ২০১৩ সালের ফোর্বস ম্যাগাজিনের জরিপ অনুযায়ী হিলারি বিশ্বে ক্ষমতাধর মহিলাদের মাঝে ৫ম। অন্য এক জরিপে দেখা যায় তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বিদায় নেয়ার সময় ৭০ শতাংশ নাগরিক তাঁকে সমর্থন করেছে।

চলচ্চিত্র নির্মাতা জেমস পনসোল্ড হিলারির আত্মজীবনীমূলক এক চলচ্চিত্র তৈরি করতে যাচ্ছেন। হিলারির নামের সঙ্গে মিলিয়ে ছবিটির নাম রাখা হয়েছে ‘রডহ্যাম।’

২০১৬ সালের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্টপ্রার্থী হিসেবে হিলারি ক্লিনটনের প্রার্থিতার ব্যাপারে মত দিয়েছেন বারাক ওবামা। তাঁর ভাষায়, হিলারি নির্বাচিত হলে তিনি হবেন অসাধারণ প্রেসিডেন্ট। হিলারি ১৯৯৫ ও ২০০০ সালে বাংলাদেশ সফর করেছেন।

রায়হান ফরাজী

প্রকাশিত : ২ জানুয়ারী ২০১৫

০২/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: