হালকা কুয়াশা, তাপমাত্রা ১৮.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ ও বৈরাগ্য-বিলাস‘

প্রকাশিত : ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪
  • মোতাহের হোসেন চৌধুরী বিএ

রবীন্দ্রনাথ বৈরাগ্য-বিলাসিতার চির-বিরোধী। তাঁর সমগ্র কাব্য-সাহিত্যের মধ্যে এমন কতকগুলো স্থান দেখতে পাওয়া যায় যা বৈরাগ্যের বিরুদ্ধে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বাস্তবিক পক্ষে এই জরায়-মরা দেশে যেখানে জন্মলাভ করা মাত্র ‘ব্রহ্ম সত্য জগত মিথ্যা’, ‘দুনিয়া কিছু নয় সব ফাঁকি’- এ প্রকারের নানা বৈরাগ্যসূচক বচন শুনতে হয়, সেখানে রবীন্দ্রনাথই প্রথমে জীবনের গান গেয়ে এসেছেন। অবশ্য তাঁর আগেও কেউ যে এ ধরনের গান গাননি তা নয়। তবে যাঁরা গেয়েছেন তাঁদের ভেতর মৌলিকতা জিনিসটা খুব কমই দেখতে পাওয়া যায়। তাঁদের কেউ বা ইংরেজ কবির কবিতা অনুবাদ করে গেছেন, আর কেউ বা ইংরেজ কবির কবিতা হতে অনুপ্রেরণা লাভ করে লিখতে প্রয়াস পেয়েছেন।

কিন্তু রবীন্দ্রনাথের সুর তাঁর নিজস্ব, তাঁর অন্তরের স্বতঃউৎসারিত সুর। এই বিচিত্র রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শময়ী ধরণী তাঁর নিকট মিথ্যা বলে মনে হয়নি। এই মুক্ত নীল আকাশের তলে শ্যামল দুর্ব্বাদলের ওপরে বসে কি এক অনির্ব্বচনীয় রসে তাঁর অন্তর আত্মা পুলকিত হয়ে উঠেছে! তাঁর অনন্ত রূপ পিয়াসী মন এই অপরূপ রূপসী পৃথিবীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তার কান্না-হাসি, আলো-ছায়ার খেলার মাঝে বাঁচবার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। বাস্তবিক এই স্বাভাবিক বাঁচবার সাধটিই মানুষ তার বুদ্ধির দ্বারা ঢেকে রেখে বিশ্বের প্রতি বৈরাগ্য প্রকাশের দ্বারা নিজের বুজরগী জাহির করতে চেষ্টা করে। মনে করে, দুনিয়াকে অবহেলা করলেই বুঝি মস্ত বড় একটা কাজ করা গেল। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এ ভান করেননি। তিনি তাঁর মনের কথাটি চাপা না দিয়ে বলে ফেলেছেন-

মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,

মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই।

এই সূর্য্যকরে এই পুষ্পিত কাননে

জীবন্ত হৃদয়-মাঝে যদি স্থান পাই!

কী নিবিড় ধরণীপ্রীতি ফুটে উঠেছে এ কটি লাইনে! আমাদের মতো সাধারণ মানুষের নিকট এ বড় অদ্ভুত বলে মনে হয়। কারণ আমরা দেখছি সব মানুষই মরছে, কেউই অমর হয়ে থাকছে না; এবং এই দেখে ঠিক করে নিয়েছি যে, মরণটাই মানুষের জন্য সত্য, জীবনটা মিথ্যা। কিন্তু এটুকু ভেবে দেখছিনে যে যত দিন বেঁচে আমি ততদিন এই জীবনটারও একটা মূল্য আছে এবং সে মূল্য একটা বড় রকমের মূল্য।

রবীন্দ্রনাথের নিকট জীবনের সত্যতা আলোকের মতো উজ্জ্বল হয়ে দেখা দিয়েছে। তিনি জানেন, মরণটা যেমন সত্য, জীবনটাও তেমনি সত্য। তাঁর মতে জীবনটাকে এড়িয়ে চললে খুব বড় একটা শক্তিমত্তার পরিচয় দেয়া হয় না, বরং হীন দুর্বলতারই পরিচয় দেয়া হয়। জগত, জীবন ও মরণকে তিনি কিভাবে দেখেছেন ‘বলাকা’র একটি কবিতায় তা অতি সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

এমন একান্ত করে চাওয়া

এও সত্য যতÑ

এমন একান্ত ছেড়ে যাওয়া

সেও সেই মত।

এ দুয়ের মাঝে তবু কোনখানে আছে কোন মিল;

নহিনে নিখিল

এত বড় নিদারুণ প্রবঞ্চতা

হাসি মুখে এত কাল কিছুতে বহিতে পারিত না।

এই সূত্রে রবীন্দ্রনাথের সৌন্দর্যানুভূতি সম্বন্ধে কিছু আলোচনা করা উচিত মনে করি। প্রথমে ‘কড়ি ও কোমলে’র সনেটগুলোতেই তাঁর সৌন্দর্যপ্রীতির পরিচয় পাওয়া যায়। এই কবিতাগুলোকে অনেকে ভোগের কবিতা বলে উল্লেখ করে থাকেন এবং এই জন্য রবীন্দ্রনাথকে অনেকের নিকট খোঁচাও খেতে হয়েছে। আমরাও এগুলো ভোগের কবিতাই বলি; কিন্তু ভোগের কবিতা বলে এ উপেক্ষার বস্তু মনে করিনে। ভোগের যে একটা সত্য আনন্দ আছে তাই এই কবিতাগুলোয় ফুটে উঠেছে। এই সম্বন্ধে ‘রবীন্দ্র কাব্যপাঠে’র লেখক অধ্যাপক ওদুদ সাহেবের উক্তি তুলে দিচ্ছিÑ

‘এই সব সনেটের কতকগুলোর ভিতরে যে ভোগের সুর বাজছে তার জন্যে রবীন্দ্রনাথকে যথেষ্ট নিন্দা সহ্য করতে হয়েছে। মনে হয়, নানা অর্ধ সত্যের অত্যাচারে আমাদের জাতীয় জীবন বড় ক্লিষ্ট বলেই একটুখানি সংস্কারমুক্ত হয়ে কাব্যের সৌন্দর্য উপভোগ করবার ক্ষমতা আমাদের ভিতরে এমন ব্যাহত। কাব্য আত্মারই এক প্রকাশ, কাজেই এর সৌন্দর্যও ‘ন বলহীনেন লভ্যঃ।’

এই ভোগের ‘কুসুমের কারাগার’ থেকে উদ্ধার পাবার জন্য পরে কবির অন্তরে আকাক্সক্ষা জেগেছে বলেই যে কবি আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র তা সত্য নয়। অনেক বড় কবির ভেতরে এ বিদ্রোহ জাগেনি। তাই বলে তাঁদের কাব্য আমাদের কম প্রিয় নয়।...

তাছাড়া রবীন্দ্রনাথের প্রতিবাদেরও বিশেষত্ব আছে। নৈতিক বোধ তাঁর ভেতর দুর্বল ছিল, পরে সবল হয়েছে বলে তাঁর মনে এই প্রতিবাদ জেগেছে তা সত্য নয়। কুসুমের কারাগারে বদ্ধ হওয়ার আকাক্সক্ষা তাঁর পক্ষে যেমন স্বাভাবিক, এর থেকে মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছাও তাঁর ভিতরে তেমনি বলবতী। কেননা, এই দুই-ই একই মূল থেকে উৎসারিত হচ্ছেÑ তাঁর ভেতরকার সেই চিরজাগ্রত রহস্যের সন্ধানপরতা থেকে।’ ওদুদ সাহেবের সঙ্গে আমরাও একমত। কবি গুরু নিকট চিরদিনই নতুনের ডাক আসছে, আর তারই উত্তরে তিনি পুরাতনের জীর্ণ জরা ঝরিয়ে দিয়ে সাড়া দিয়ে উঠছেন।

‘যৌবন স্বপ্ন’ কবিতার তিনি বলেছেনÑ

আমার যৌবন-স্বপ্নে যেন ছেয়ে আছে বিশ্বের আকাশ।

ফুলগুলি গায়ে এসে পড়ে রূপসীর পরশরে মতো।

পরাণে পুলক বিকাশিয়া বহে কেন দক্ষিণা বাতাস

যেথা ছিল যত বিরহিণী সকলের কুড়ায়ে নিঃশ্বাস।

‘কুড়ি ও কোমল’ রবীন্দ্রনাথের যৌবনকালের লেখা। সুতরাং এর কবিতাগুলোতেও যৌবনসুলভ ভোগানুরাগ বর্তমান। জগতের সকল বৈচিত্র্যই এখন তাঁর নিকট স্পষ্ট হয়ে দেখা দিয়েছে। কিন্তু নারী সৌন্দয যতটা প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে ততটা আর কিছুই পারেনি। ‘যৌবন স্বপ্ন’ কবিতাটাতে কবি যৌবনের চিরন্তর রূপটিকে কি অপূর্বভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। চিরদিনই এটি যুবকদের জন্য নতুন আনন্দ বহন করে আনবে। এ কবিতাটি শুধু কবির নিজের মনের কল্পনা নয়, সমগ্র যুবক সম্প্রদায়েরই মনের কথা।

‘রাহু’, ‘অঞ্চলের বাসাত’, ‘দেহের মিলন’, ‘হৃদয়-আসন’, ‘কল্পনার সাথি’, ‘হাসি’ প্রভৃতি এবং আরও কতকগুলো কবিতাও ভোগের কবিতা। এগুলোর সৌন্দর্য তাঁরাই নিবিড়ভাবে অনুভব করবেন যাঁরা একটি রঙ্গীন মন, তথা, কবিতার রক্ত গ্রহণ করবার একটি স্বাভাবিক শক্তি নিয়ে এসেছেন।

জীবনকে ভালবেসেছেন বলে জীবনের একটা দিক ভোগকেও তিনি অবহেলা করেননি। অবহেলা করলে হয়ত বুদ্ধিমানের কাজই করতেন। কেননÑ তা হলে তিনি নিন্দা হতে মুক্তি পেতেন; কিন্তু সত্যকে ফাঁকি দেয়া হতো।

‘কুড়ি ও কোমলে’ কবির প্রাণ বেশি কল্পনাপ্রবণ। কিন্তু ‘সোনার তরী’তে দেখতে পাই তিনি কল্পনা থেকে বাস্তবতার দিকে, আকাশ থেকে নিচের দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন। তাই সংসারের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাজের মধ্যেও তিনি অনন্ত আনন্দের সাক্ষাত পেয়েছেন। ‘আকাশের চাঁদ’ কবিতাটিতে যেন সেই আনন্দই মূর্তি পরিগ্রহ করেছে। সেখানে এক খেয়ালি, বিশ্ববিমুখ মানুষ জগতের সুখ-আনন্দ শোভা-সৌন্দর্যকে উপেক্ষা করে আকাশের চাঁদ হাতে পাাবার জন্য ব্যগ্র হয়ে চলেছিল। পথে তাকে কত পথিক কত কি জিজ্ঞেস করলে; কিন্তু সবার উত্তরে তার একই কথাÑ ‘আকাশের চাঁদ চাই।’

হাতে তুলে দাও আকাশের চাঁদÑ

এই হল তার বুলি।

দিবস রজনী যেতেছে বহিয়া,

কাঁদে সে দু-হাত তুলি।

প্রেম, পূর্বরাগ, অনুরাগ, মান, অভিমানÑ এইসব দেবতাদেরই জন্য মানুষের জন্য নয়, এই ভাবটিরও প্রতিবাদ তিনি করেছেনÑ তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘বৈষ্ণবের গানে’।

সংসারের সুখ-দুঃখের দিকে দৃষ্টি দিলেও ‘সোনার তরীর লেখাগুলোও কল্পনা বলে উড়িয়ে দেয়া যায়। কিন্তু ‘নৈবেদ্যে’র আমলে তিনি এমন একটি উচ্চস্তরে পা দিয়েছেন যেখান থেকে আরম্ভ হলো তাঁর সাধক জীবন। আগেকার কবিতার মতো এ কবিতাগুলোতে কল্পনা বিলাস ও চঞ্চলতা নেই। এগুলো ঋষি-দৃষ্ট বাণীর মতোই বীর্যবন্ত এবং গম্ভীর। সাধক জীবনের লেখা হলেও এ কবিতাগুলো সাধারণ আধ্যাত্মিক কবিতার মতো নয়। বিশ্বপিতার ধ্যানে-নিমগ্ন হয়ে তিনি জগতকে ভুলে যাননি। কারণ তিনি জানেন ভগবান কোন বিশেষ আকার ধারণ করে কোন বিশেষ স্থানে বসে নন। জলে-স্থলে, আকাশে-বাতাসে, সর্বত্রই তিনি নিবিড়ভাবে মিশে আছেন। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সুখ-দুঃখ, হর্ষ-বিষাদের মধ্য দিয়ে তাঁরই লীলা চলছে। জন্ম-মৃত্যুর রহস্যের মধ্য দিয়ে তিনি এই লীলাকেই চির-প্রবহমান রেখেছেন। ‘আনন্দ রূপমমৃতং যদ্বিভাতি’, রবীন্দ্রনাথ উপনিষদের এই মন্ত্রটির উপাসক। তাই তিনি জগত হতে বৈচিত্র্যকে উচ্ছেদ করে দিয়ে একের ধ্যানে নিমগ্ন হননি। বরং বৈচিত্র্যের ভেতর দিয়েই অরূপ একের সন্ধান পেতে চেষ্টা করেছেন। আকার যে নিরাকারেরই আকার, এবং রূপ যে অরূপেরই রূপ এই ধারণা তাঁর অন্তরে সত্য হয়ে দেখা দিয়েছে। ‘আকার এঁকে এঁকে চলছে নিরাকার’ এবং ‘রূপের মাঝে অরূপ বীণা লুকিয়ে বাজে’Ñ এ দুটি লাইনেরই তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ।

বিশ্বের সঙ্গে যে ভগবানের যোগ আছে এবং বিশ্ব-পরিচয়ের মধ্য দিয়েই যে ভগবানের পরিচয় পাওয়া যায় ‘নৈবেদ্যের’ নিম্নলিখিত কবিতাটাই তার সাক্ষ্য দিচ্ছেÑ

নির্জ্জন শয়ন-মাঝেকালি রাত্রিবেলা

ভাবিতেছিলাম আমি বসিয়া একেলা

গত জীবনের কত কথা; হেন ক্ষণে

শুনিলাম তুমি কহিতেছ মোর মনেÑ

নানা রূপ, নানা আকার, নানা দুঃখ-সুখের অনুভূতির ভেতর দিয়েই ভগবান মানুষের হৃদয়ে প্রবেশ করেন। তিনি আনন্দরূপে নিজেকে সতত প্রকাশিত করে রেখেছেন; একবার হৃদয় খুলে বরণ করে নিলেই হলো। ‘ধর্মের আনন্দরূপ’ নামক প্রবন্ধের এক জায়গায় তিনি বলছেনÑ

‘সত্যং জ্ঞানমনন্তম্।

রবীন্দ্রনাথ বৈরাগ্যকে জীবনে কিরূপ স্থান দেন, এ প্রবন্ধে আমরা তাই আলোচনা করবার চেষ্টা করেছি এবং দেখেছি যে তিনি কখনও বৈরাগ্যের ভক্ত নন। তিনি সৌন্দর্য ও আনন্দবাদীসাধক। সৌন্দর্য ও আনন্দ সংযম ছাড়া লাভ করা যায় না। কিন্তু এ সংযম সর্ব ইন্দ্রিয়ের দ্বার রুদ্ধ করা নয়, জীবনকে নিয়ন্ত্রিত ও সংহত করা মাত্র। তাই তাঁর জীবনে সাধারণ-সংসার বিরাগী-সুলভ ক্লীবতা ও নির্জীবতা না দেখে অনেকে তাঁর সৌন্দর্য-রসাত্মক আধ্যাত্মিকতার প্রতি প্রায়ই বিদ্ধপোক্তি প্রকাশ করে থাকে। তারই প্রতুত্তরে যেন ‘যৌবন বেদনারসে উচ্ছল আমার দিনগুলি’ কবিতায় তিনি বলেছেনÑ

তপোভঙ্গদূত আমি মহেন্দ্রের, হে রুদ্র সন্ন্যাসী!

স্বর্গের চক্রান্ত আমি। আমি কবি যুগে যুগে আসি

তব তপোবনে।

দুর্জ্জয়ের জয়-মালা পূর্ণ করে মোর ডালা,

উদ্দ্যমের উতরোল বাজে মোর ছন্দের ক্রন্দনে।

ব্যথার প্রলাপে মোর গোলাপে গোলাপে জাগে বাণী,

কিশলয়ে কিশলয়ে কৌতূহল কোলাহল আনি

মোর গান হানি ॥ বাস্তবিক পৃথিবীব্যাপী যে চির-বিবাহ-উৎসব, যে চিরন্তন মিলন-মেলা চলেছে সেখানেই কবির আসন-সেখানেই ত তিনি পরম বিলাসে ‘পুষ্পের মত সঙ্গীতগুলি আকাশ ভালে’ ফুটিয়ে তুলবেন। রবীন্দ্রনাথ বৈরাগ্য-বিরোধী, কিন্তু তাই বলে তিনি অতিরিক্ত সাংসারিক নন। অতিরিক্ত সাংসারিকতা, যা দেখে ডড়ৎফং ডড়ৎঃয বলেছিলেন, ‘ঞযব ড়িৎষফ রং ঃড়ড় সঁপয রিঃয ঁং’, তা যে আধ্যাত্মিকতার পথে বিঘœস্বরূপ এ কথা তিনিও বিশ্বাস করেন। তাঁর জীবনে প্রবৃত্তি-নিবৃত্তির সমন্বয় হয়েছে। এই সমন্বয়ের ফলেই তিনি এই জগতকে স্বর্গীয় আলোকে ম-িত দেখেছেন। তাই ‘বলাকা’য় তিনি বলেছেনÑ

স্বর্গ আমার জন্ম নিল মাটির মায়ের কোলে

বাতাসে তার খবর ছোটে আনন্দ কল্লোলে।

সূত্র : শিখা সমগ্র

প্রকাশিত : ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪

১৯/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: