মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

রমজানে এবার নিত্যপণ্যের সঙ্কট হবে না ॥ তোফায়েল

প্রকাশিত : ৯ জুন ২০১৫, ০১:০০ এ. এম.

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ রমজান মাসে বাজারে নিত্যপণ্যের কোন সঙ্কট হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, চাহিদার তুলনায় মজুদ বেশি আছে তাই দামও বাড়বে না। পবিত্র রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের চাহিদার দেড় গুণ মজুদ রয়েছে। সোমবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর কাওরান বাজারে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরার (ইপিবি) মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই বৈঠকে নিত্যপণ্যের পাইকারি ও খুচরা মূল্যের বড় ধরনের পার্থক্যের বিষয়টি উঠে আসে। ঢাকার মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা বলেন, আমরা যেই দামে পণ্য বিক্রি করি, দেখা যায় খুচরা ব্যবসায়ীরা তার চেয়ে ২০ টাকা বেশি দামেও ওই পণ্য বিক্রি করে। এত পার্থক্য হয় কীভাবে? পাইকারি ও খুচরায় দামের পার্থক্য যদি কমানো না যায়, তাহলে ভোক্তারা এর সুফল পাবেন না। তিনি জানান, রবিবার মৌলভীবাজারে প্রতিকেজি চিনি ৩৩ টাকা ৮৫ পয়সা, পাম তেল ৫৬ টাকা ৬১ পয়সা, সুপার পাম ৫৯ টাকা ও সয়াবিন তেল ৬৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গোলাম মাওলার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী জানতে চান বৈঠকে খুচরা ব্যবসায়ীদের পক্ষে কে এসেছেন। তখন বক্তব্য দেন মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব। তিনি বলেন, ৩৩ টাকায় পাইকারিতে চিনি বিক্রি হয় বলা হচ্ছে, সেই দামে তো আমরা পাই না। শবে বরাতের আগে আমরা চিনি বিক্রি করেছি ৩৮-৪০ টাকায়। এখন চিনির দাম বেড়ে গেছে। ছোলার দাম বাড়তির দিকে। তিনি জানান, অন্যান্য পণ্যের দাম খুচরা পর্যায়ে স্থিতিশীল আছে।

এই দুজনের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পাইকারি ও খুচরায় পণ্যের দামের পার্থক্য অনেক বেশি। এটাকে সহনীয় রাখতে হবে। এ সময় তিনি আরও বলেন, রমজানে চিনির দাম যেন ৪০ টাকার ওপর না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

প্রকাশিত : ৯ জুন ২০১৫, ০১:০০ এ. এম.

০৯/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: