আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

খালেদার নাইকো দুর্নীতি মামলায় ১৪ জুনের পর যে কোন দিন রায়

প্রকাশিত : ২৯ মে ২০১৫, ০১:৪০ এ. এম.
  • রুলের শুনানি শেষ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা নাইকো দুর্নীতি মামলার রুল শুনানি শেষ হয়েছে। রায় ঘোষণা অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন হাইকোর্ট। ১ জুন থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত সুপ্রীমকোর্টে গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলবে। সুপ্রীমকোর্ট ১৪ জুন খোলার পর যে কোন দিন রায় ঘোষণা করা হবে। শুনানি শেষে বিচারপতি মোঃ নূরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে হাইকোর্ট দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ প্রদান করেছেন। খালেদা জিয়ার পক্ষে রুলের শুনানি ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন তাঁর আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল। দুদকের পক্ষে বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন দুদকের আইনজীবী মোঃ খুরশিদ আলম খান।

মোঃ খুরশিদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, আমরা শুনানি শেষ করেছি। বিচারিক আদালতে মামলা সচল রাখার আরজি জানিয়েছি। খালেদার আইনজীবী রাগিব আহমেদ চৌধুরী জানান, আদালত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন। আমরা একটি সম্পূরক আবেদন জমা দেব। নাইকো ছাড়াও গ্যাটকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার রুল শুনানিও চলছে একই বেঞ্চে। এর মধ্যে প্রথমে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার রুল শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য রয়েছে রবিবার।

কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন। ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান।

অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মোঃ শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ। এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই নাইকো দুর্নীতির মামলার কার্যক্রম দুই মাসের জন্য স্থগিত ও রুল জারি করেন আদালত। পরে স্থগিতাদেশের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়।

এছাড়াও ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় সরকারের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। চট্টগ্রাম বন্দর ও রাজধানীর কমলাপুরে কন্টেনার টার্মিনালে কন্টেনার উঠানামার বিষয়ে ঠিকাদার নিয়োগ নিয়ে এক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে মেসার্স গ্লোবাল এ্যাগ্রোট্রেড কোম্পানি (গ্যাটকো) লিমিটেডের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়।

প্রকাশিত : ২৯ মে ২০১৫, ০১:৪০ এ. এম.

২৯/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: