রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

পাক হানাদারদের শিক্ষায় এগিয়ে চলেছে বিএনপি ॥ আমু

প্রকাশিত : ২১ মে ২০১৫, ০১:২৮ এ. এম.

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, বিএনপি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি বলেই সরকারের সব কাজের বিরোধিতা করছে, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী যে শিক্ষা দিয়েছিল সেই শিক্ষায় এগিয়ে চলছে বিএনপি। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কৃষক লীগের আলোচনাসভায় তিনি বলেন, জনগণই সবচেয়ে বড় শক্তি। তারাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আছে। তাই বিএনপির বিদেশীদের কাছে ধরনা দিয়ে কোন লাভ নেই। বিএনপি যতই আন্তর্জাতিক শক্তির কাছে ধরণা দিক না কেন, কেউ সরকার উৎখাত করতে পারবে না। কোন অপশক্তির কাছেই আওয়ামী লীগ হার মানবে না। কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আব্দুর রাজ্জাক, শামসুল হক রেজা ও সহসভাপতি আনিসুর রহমান বুলবুল প্রমুখ।

আমির হোসেন আমু বলেন, গণতন্ত্রের আন্দোলনের নামে বিএনপি পেট্রোলবোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে। সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করে তারা দেশকে একটি অরাজক অবস্থার দিকে ঠেকে দিতে চেয়েছিল। এ কারণে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশবাসী আর বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও সাধারণ মানুষের সমর্থনের কারণে সেদিন তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, পেট্রোলবোমা ছুড়ে ও রেললাইন উপড়ে ফেলে মানুষ মারার রাজনীতি আওয়ামী লীগ করে না। ভারতের পার্লামেন্টে স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল পাস হওয়ায় বিএনপি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেও নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ না জানানোয় দলটির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি কথায় কথায় আওয়ামী লীগকে বলে ভারতের দালাল। অথচ স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পরে তারা আওয়ামী লীগকে অভিনন্দন না জানিয়ে ভারতকে জানিয়েছে। কিন্তু এ চুক্তি বাস্তবায়ন হয়েছে একমাত্র শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের জন্যই। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবেও সমাদৃত হচ্ছে। জীবনবাজি রেখে শেখ হাসিনা এ দেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন, দেশের উন্নয়ন করছেন। কিন্তু উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্রকারীরা একের পর এক ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।

আমির হোসেন আমু বলেন, ষড়যন্ত্র-চক্রান্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে আন্দোলন, সংগ্রাম ও রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা চালাতে হবে। তাদের রাজনৈতিক বিদায় জানাতে হবে। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার চেতনা মুছে দেয়ার অপচেষ্টা চালায়। জিয়া ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের মধ্য দিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা বৈধ করে নেন। তিনি সংবিধান সংশোধন করে সামরিক ক্ষমতার বৈধতা প্রদান করেন, যা ছিল সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

প্রকাশিত : ২১ মে ২০১৫, ০১:২৮ এ. এম.

২১/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: