মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

জানা-অজানা

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫

বাঙালীর এক সর্বজনীন উৎসবের নাম নববর্ষ। বাঙালীর এ উৎসব এখন কেবল বাংলাদেশ বা পশ্চিমবঙ্গেই সীমাবদ্ধ নয়; বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে উদযাপিত হচ্ছে বৈশাখ। নাম আর দেশভেদে ভিন্নতা থাকলেও নববর্ষ সবখানেই প্রায় অভিন্ন।

বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির সঙ্গে মিলিয়ে বৈশাখ পালন করলেও উৎসবের ধরনে রয়েছে ভিন্নতা। বৈশাখের নামও বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকমের। কয়েকটি অঞ্চলে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১৪ এপ্রিলেই দিবসটি পালন করা হয়।

বাঙালী জনগোষ্ঠীর বাইরে পহেলা বৈশাখে এদেশীয় অন্য যেসব জাতিগোষ্ঠী তাদের নববর্ষ উদযাপন করে বলে তথ্য পাওয়া যায়, তারা হলো পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১১ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী। এছাড়া বৃহত্তর সিলেট জেলার মণিপুরী জনগোষ্ঠী।

ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই ও চাকমাদের বিজু উৎসব। বর্তমানে তিনটি জাতিসত্তা একত্রে এ উৎসব পালন করে। যৌথ এ উৎসবের নাম বৈসাবি। বৈসাবির বিশেষত্ব হলো বাঙালীর মতো বৈশাখের প্রথম দিনে চাকমারা বর্ষবরণের উৎসব করে না। চৈত্র মাসের শেষ দু’দিন হয় তাদের নতুন বছর বরণ করে নেয়ার নানা অনুষ্ঠান, যা বিজু নামে পরিচিত।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী পহেলা বৈশাখে বৈসু বা বৈসুক নামে নববর্ষ উদযাপন করে। ত্রিপুরাদের বৈসু বা বৈসুক শুরু হয় পহেলা বৈশাখের দুই দিন আগে থেকে।

পহেলা বৈশাখে মারমা ও চাকমা জনগোষ্ঠী যথাক্রমে সাংগ্রাই ও বিজু নামে নববর্ষ উদযাপন করে থাকে। চাকমা জনগোষ্ঠীও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর মতো পহেলা বৈশাখের আগের দুই দিন থেকে নববর্ষ উদযাপন শুরু করে।

রিজওয়ানা হাসিন

ভিকারুননিসা নূন স্কুল এ্যান্ড কলেজ, ১০ম শ্রেণী

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫

১১/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: