কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

অক্ষয় অবিনশ্বর প্রহর

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ ২০১৫
  • শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী

নিরন্তর বয়ে চলেছে প্রহরের পর প্রহর অফুরান তরঙ্গের মতো। কালের গর্ভে বিলীন হয় ওরা কিন্তু কথা থাকে। কোনটির স্মৃতিচিহ্ন আপন ঔজ্জ্বল্যে দেদীপ্যমান হয়ে অনাদিকাল কিরণ ছড়ায়। একাত্তরের ছাব্বিশ মার্চের প্রথম প্রহর এমনি একটি অর্গল ভাঙ্গা ক্ষণ।

শালপ্রাংশু মহান নেতার বজ্রনির্ঘোষ- ‘জাতির উদ্দেশে হয়ত এটাই আমার শেষ বাণী। আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম।’...।

তিনি জানতেন তাঁর সামনে হয় মৃত্যু না হয় অন্য কোন কঠিন দণ্ড অপেক্ষা করছে। ট্যাঙ্ক-কামানসহ আধুনিক অস্ত্র নিয়ে পাকিস্তানী হানাদারদের-কমান্ডো বাহিনী ধেয়ে আসছে তাঁকে গ্রেফতার করতে। পার্শ্বচর সবাইকে বললেন নিরাপদ স্থানে চলে যেতে। গোঁ ধরেন ভক্ত কয়েকজন। নেতাকে ছেড়ে তাঁরা এক পা-ও নড়বেন না। তিনি বুঝিয়ে বলেন, ‘আমি কোথাও যাব না। আমাকে না পেলে ঢাকা শহর আজ ওরা গুঁড়িয়ে দেবে।’

স্ত্রী-সন্তান, পিতামাতা, নিজের জীবন সব পেছনে ফেলে সবার ওপরে দাঁড়ায় দেশ ও দেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ। জেল জুলুম নির্যাতন তাঁকে দমাতে পারেনি। কোন প্রলোভন তাঁকে পথভ্রষ্ট করতে পারেনি। অনমনীয় দৃঢ়তা আর অকুণ্ঠ দেশপ্রেম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে করে তুলেছিল আবাল বৃদ্ধ বণিতার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ, সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী।

সেই অবিস্মরণীয় প্রহরে তিনি আরও বলেছিলেন, ...‘বাংলার প্রিয় জনগণের প্রতি আমার আহ্বান আপনারা যে সেখানে যেভাবে আছেন, যার কাছে যা কিছু আছে, তাই নিয়ে হানাদার মিলিটারি বাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। মনে রাখবেন, পাকিস্তানী মিলিটারি বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকেও বাংলার মাটি থেকে বিতাড়িত করে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হওয়ার মাধ্যমেই কেবল যুদ্ধ শেষ হবে।’

সমগ্র বাঙালী জাতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিল নেতার নির্দেশ। এদেশের কাদা মাটি জলে যার জীবন লালিত, মাটি ও মানুষ যার প্রাণের সস্পন্দন তাঁকে না ভালোবেসে পারে না কেউ। এই প্রাণঢালা ভালোবাসার সঙ্গে মেশামেশি হয়ে গিয়েছিল অবিচল আস্থার। তাইতো নেতার নির্দেশ ছিল বাংলার মানুষের কাছে মুক্তির অমোঘবাণী। নেতাও বুঝেছিলেন জনতা ভুল করে না। তিনি সশরীরে না থাকলেও তাঁরই দিকনির্দেশনায় চলবে মুক্তিযুদ্ধ। জয় আমাদের হবেই। বাঙালীর জীবন সঞ্জীবনী ওই প্রহরের জন্যই সৃষ্টি হলো নতুন এক জাতি রাষ্ট্র।

বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী, এএইচএম কামরুজ্জামান হাল ধরলেন। ‘জয় বাংলা’ বলে আপামর জনসাধারণ ঝাঁপিয়ে পড়ে মরণপণ লড়াইয়ে। মহান নেতার বরাভয় আছে বুকে। অবশেষে যুদ্ধ শেষ হলো চূড়ান্ত বিজয়ের পর।

শত্রুর শত ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে বঙ্গবন্ধু ফিরে এলেন। স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে দিনরাত একাকার হয়ে গেল তাঁর। প্রিয় দেশ ছারখার করে দিয়ে গেছে পাকিস্তানী হানাদাররা। ত্রিশ লক্ষ শহীদের পরিবারে স্বজন হারানোর হাহাকার, কোটি কোটি সহায়সম্বলহীন মানুষের আহাজারি, চারদিকে শুধু নেই আর নেই। দিশাহারা হননি তিনি। শিরদাঁড়া খাঁড়া করে কর্মযজ্ঞে সঁপে দিলেন নিজেকে। দেশবাসীর আহার, বাসস্থান, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের আপ্রাণ চেষ্টা। সব ক্ষতি সামলে নিতে চলল আরেক যুদ্ধ। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আশা পূরণ হলো না। পরাজিত শত্রুরা প্রথম থেকেই ষড়যন্ত্র করছিলো। সাড়ে তিন বছরের মাথায় আইএসআই-এর হিংস্র থাবা আবার পড়লো এসে। সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে শেষ করে দেয়া হলো। বাংলাদেশের ভাগ্য যে বেঁচে গিয়েছিলেন দু’জন। তাঁর দু’কন্যা-শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা। শিবরাত্রির সলতের মতো করে জ্বলছিলেন দেশ থেকে বহু দূরে। তাই রক্ষা পেল বাংলাদেশ।

জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়ার আমলের একুশ বছরে বঙ্গবন্ধুর প্রিয় স্বদেশ ভূমিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো এক চরম অন্ধকার যুগে ঠিক যেমনটি সিআইএ চেয়েছিল। ওদের পরামর্শ, সাহায্য এবং অর্থে ফুলেফেঁপে উঠলো তৎকালীন শাসকেরা। পাকিস্তানকে খুশি করতে দেশ থেকে সমূলে উৎপাটন করলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধুর সকল চিহ্ন, নাম-নিশানা এবং সর্বোপরি মানবিক মূল্যবোধ। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের সব শক্তিকে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে বসানো হলো। বাংলাদেশের জন্মই ওরা চায়নি। ওরা মানুষ চায়নি চেয়েছিল শুধু মাটি তাই গ্রহণ করেছিল পোড়ামাটির নীতি। দেশ যেন স্বাধীন না হতে পারে তার জন্য সবরকম চেষ্টা করেছে যারা সেই যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় বসার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলো। আমরা ডুবে গেলাম গভীর অন্ধকারে। ত্রিশ লক্ষ প্রাণের আত্মাহুতি, চার লক্ষ নারীর সম্ভ্রম বিসর্জন সবই কি ব্যর্থ হবেÑ এই ভাবনায় আমাদের নিদ্রাহীন, স্বস্তিহীন দিনযাপন শুরু হলো।

সেই দুর্যোগের ভয়ঙ্কর সময়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা পিতার মহৎ সৃষ্টিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে নিজেকে উৎসর্গ করলেন দেশের কাছে। শক্ত হাতে হাল ধরে ডুবন্ত জাতিকে উদ্ধার করে নিয়ে চললেন সম্মুখ পানে। পেছন ফিরে তাকানো নয়। এগিয়ে চললো দেশ। জাতির প্রাণ সঞ্চার হয় নতুন করে। ফিরে আসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। বিশ্ব অবাক চোখে তাকিয়ে রয়। লৌহ কঠিন পদক্ষেপ বাংলাদেশের। উন্নয়নের ছোঁয়া সবখানে। জাতির পিতা বলেছিলেন, তোমরা দাবায়ে রাখতে পারবা না। সফল হলো তাঁর অমিয় বাণী।

সহ্য হলো না পাকিস্তানের। নিজেদের দেশ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশকেও করতে হবে তাদের শামিল। তাই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দিয়ে কেনা হলো বাংলাদেশের নিষ্ঠুর সন্ত্রাসী নেত্রী খালেদা জিয়া ও তাঁর দলকে এবং দুর্জন-দুঃশীল তারেক রহমানকে। কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে লন্ডনে পোষা হচ্ছে তাকে। সে সিআইএ এবং জামায়াতের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবার, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের যত ব্যক্তি, মুক্তচিন্তার যত মানুষ এবং নিবেদিতপ্রাণ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের জীবননাশের দায়িত্ব নিয়েছে তারেক রহমান। এ কাজ সমাপ্ত করে দেশকে তুলে দেবে পাকিস্তানের কাছে। ছেলের নির্দেশ হুবহু তামিল করছে খালেদা জিয়া। হরতাল, অবরোধ, দুগ্ধপোষ্য শিশু থেকে শুরু করে গর্ভবতী মা, কিশোর-কিশোরী, তরুণ, মহিলা, পুরুষ, বৃদ্ধ, দুস্থ, অসহায় সবাইকে পেট্রোলবোমা দিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে। সম্পদ ধ্বংস করছে। উন্নয়নের সব পথ রুদ্ধ করছে। তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিএনপি জামায়াত শিবির সন্ত্রাসীরা পাকিস্তানী হানাদারদের মতো করেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে নিরীহ মানুষের ওপর। খালেদা জিয়া টাকার বিশাল ভা-ার খুলে দিয়েছেন ওদের জন্য। ওরা দু’হাতে টাকা নিচ্ছে আর মানুষ খুন করছে, সম্পদ ধ্বংস করছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলমান সহিংসতায় আমাদের দেশের মূল বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও দ- না হলে দেশের শতভাগ উন্নয়ন সম্ভব নয়, আইনের শাসনও বার বার বিঘিœত হবে। তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারও তাই ছিল। মহাজোট ক্ষমতায় আসার পরই বহু কাক্সিক্ষত যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু হয়। এ পর্যন্ত সতের জনের বিচার হয়েছে। আরও হওয়ার পথে। এতেই গাত্রদাহ হচ্ছে খালেদা জিয়ার। এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি বন্ধ করতে তিনি উন্মত্ত হয়ে গেছেন। তাঁর স্বামীও একইভাবে বঙ্গবন্ধুর শুরু করা বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ওদের বিচার বন্ধ করে দিয়ে ঘাতকদের ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন।

খালেদা জিয়া নিজে শিক্ষা গ্রহণ করেননি। ছেলেরাও তথৈবচ। শিক্ষাই জ্ঞানলাভের বড় মাধ্যম। যেহেতু তিনি ও তারেক রহমান এ ব্যাপারে একেবারেই অন্ধ সেহেতু এই হরতালের জন্য চার কোটি শিশু-কিশোর স্কুলে যেতে পারছে না, পড়তে পারছে না তাতে তিনি আত্মপ্রসাদ লাভ করছেন। তাঁর পাকি বন্ধুরা বুদ্ধিজীবী হত্যা করে দেশকে মেধাশূন্য করেছিল। তিনি এখন বুদ্ধিজীবী সৃষ্টিই যেন না হয় যে চেষ্টা করছেন। তিনি চান ভবিষ্যতের জাতি যেন জ্ঞানবুদ্ধিহারা কুলাঙ্গার হয়। তাঁর ছেলের মতো দুর্নীতি আর অপসংস্কৃতি শিখে বড় হয়।

বেগম খালেদা জিয়া দেশকে ভালোবাসেন না। দেশের মানুষকেও না। কেউ কি বলতে পারবে যে তাঁর জীবনে তিনি কোন কল্যাণমুখী কাজ করেছেন? এমন কোন চিত্র গত তেতাল্লিশ বছরে আমাদের চোখে পড়েনি। বরং দুষ্কর্মে পরিপূর্ণ তাঁর জীবন। যদি তালিকা করি তাহলে এ লেখায় স্থান সঙ্কুলান হবে না।

দেশবাসীকে লক্ষ রাখতে হবে যেন জামায়াত-বিএনপি আর কখনও ক্ষমতায় না আসে। ওরা আরেকবার ক্ষমতায় বসলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের যত মানুষ আছেন তাদের অভিজিৎ রায়ের মতো হত্যা করবে। লক্ষ লক্ষ বিএনপি-জামায়াত-শিবির কর্মীকে চাপাতি দিয়ে ঘরে ঘরে পাঠিয়ে দেবে। সব স্কুল বন্ধ হয়ে যাবে। তার পরিবর্তে পাড়া, মহল্লায় গড়ে উঠবে শত শত মাদ্রাসা। সেখানে তাদের জিহাদ শেখানো হবে। শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধে কেউ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে পারবে না। গান, নাচ, নাটক, চলচ্চিত্র, ছবি আঁকাসহ যত সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। নারী হবে গৃহবন্দী, ক্ষমতায়ন তো সুদূর পরাহত। এগুলো কোন কাল্পনিক কথা নয়। এমন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য একটি কালোহাত লন্ডনে বসে নানান ছক কষছে। মধ্যে মধ্যে পত্রিকায় তার ছিটেফোঁটা প্রকাশিত হয় বৈকি। সমগ্র বাংলাদেশে কত মাদ্রাসা আছে কেউ বলতে পারবে না। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কেমন হয় তা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন হেফাজতীদের তা-বলীলা যখন হয়েছিল ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মতিঝিলে। গুটি কয়েক ছাড়া সব মাদ্রাসার ভেতরে পাকিস্তান, বাইরে বাংলাদেশ। দেশে যত গহীন অরণ্য আছে সবগুলোয় স্থাপিত হয়েছে জঙ্গী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ওদের কাছে নিয়মিত আসে অফুরন্ত অর্থ, সোনা, ডলার। শতাধিক এনজিও এসব কাজে লিপ্ত।

জামায়াত-বিএনপি কোটি টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছে সাংবাদিক, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, বিচারক, প্রশাসক, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এবং আরও অনেককে। তাই আমরা দেখলাম অভিজিৎ হত্যাকারীরা পুলিশের সামনে চাপাতি দিয়ে দু’জনকে কুপিয়ে নির্বিঘেœ হেঁটে চলে গেল। পুলিশ ওদের ধরল না। অভিজিৎ-বন্যাকে হাসপাতালেও নিয়ে গেল না। শোনা যচ্ছে আগামীতে যে পঞ্চাশ হাজার পুলিশ নিয়োগ করা হবে তার মধ্যে প্রায় ষাটভাগ যেন জামায়াত-বিএনপি ঢুকতে পারে সে জন্য কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন জায়গায় দেয়া হচ্ছে। এই সংস্কৃতি সমাজে এখন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। তাই ছেলেরা টেন্ডারবাজিতে নিজেরাই এখন মারামারি, গোলাগুলি করে। ভয়ঙ্কর খুনীরা জামিনে ছাড়া পায়। মাদ্রাসা কোটি টাকার সাহায্য পায়।

আজ স্বাধীনতা দিবসে এসবই লিখতে হলো। কারণ আমাদের এই দুর্লভ অর্জন আবার পুরনো শকুনরা ব্যর্থ করে দেবে তা মেনে নিতে পারছি না। স্বজন হারানোর দুঃসহ যন্ত্রণা আমাদের আজ পর্যন্ত কুরে কুরে খাচ্ছে। তাতে প্রলেপ পড়ে যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার দেশ চালায়, যখন জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলতে পারি, শুনতে পারি কিন্তু যখন এসব হারাবার আবহ সৃষ্টি হয় তখন চোখেমুখে অন্ধকার দেখি। তাই ছাব্বিশ মার্চের এই মাহেন্দ্রক্ষণে সকলের কাছে আমার আবেদন, বঙ্গবন্ধুর দেশ, ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে ভেজা মাটি যারা কলঙ্কিত করছে তাদের সমূলে উৎপাটিত করার অগ্নিশপথ নিতে হবে আজ বাঙালীকে। আমরা হারতে পারি না, আমরা যে শহীদের আত্মার কাছে দায়বদ্ধ।

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ ২০১৫

২৬/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: