মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

প্রেমিকাকে হত্যার পর ঘাতক প্রেমিকের আত্মহত্যার চেষ্টা

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, নোয়াখালী, ১০ জানুয়ারি ॥ নোয়াখালীর সেনবাগে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হওয়ায় তরুণীকে হত্যার পর ঘাতক নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে। শনিবার উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের নলদিয়া গ্রামের রজনি সর্দার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনবাগ থানা পুলিশ নিহত অর্চনা রানী দাসের মৃতদেহ ও আহত প্রেমিক রিপন চন্দ্র দাসকে উদ্ধার করে নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। আহত রিপনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। নিহত অর্চনা রানী দাস (২২) উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের নলদিয়া গ্রামের রজনি সর্দার বাড়ির সুরেশ চন্দ্র দাসের মেয়ে। ঘাতক প্রেমিক রিপন চন্দ্র দাস (২৫) একই গ্রামের রাখাল মেম্বারের বাড়ির টকন চন্দ্র দাসের ছেলে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় লোকজন জানান, দরিদ্র অর্চনা রানী দাস সেলাইয়ের কাজ করে পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করত। আর রিপন দাস পেশায় একজন জেলে। দুইজন একে অপরের পড়শী। রিপনরা দীর্ঘদিন ধরে নানা বাড়িতে বসবাস করে আসছে। রিপন মাঝে মধ্যে অর্চনাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলেও কোন সাড়া না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত ছিল। এরই মধ্যে আগামী মাঘ মাসে অর্চনার বিয়ে ঠিক করে তার পরিবার। এতে রিপন আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে অর্চনা ঘরে সেলাইয়ের কাজ করছিল। এ সময় রিপন ঘরে ঢুকে সেলাই মেশিনে বসা অর্চনাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। বাড়ির লোকজন অর্চনাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

বাংলার ভাবসঙ্গীত ও বাউল তত্ত্ব নিয়ে গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের অধ্যাপক

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ বাংলার ভাবসঙ্গীত ও বাউল তত্ত্ব নিয়ে পিএইচডি করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্ট্রা ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং সহকারী অধ্যাপক বেঞ্জামিন ক্রাকাউ। গত ৫ জানুয়ারি তিনি চট্টগ্রামে এসে কয়েকদিন থেকে ঢাকায় ফিরে যান। চট্টগ্রামে তিনি কয়েক গবেষক, কবি সাহিত্যিক ও সাংবাদিকের সঙ্গে এ ব্যাপারে মতবিনিময় করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সুফী সাধকদের এলাকা ভ্রমণ করেন। ঘুরে দেখেন কিছু দর্শনীয় স্থান। তবে অবরোধের কারণে মাইজভা-ার দরবার শরীফ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারেননি।

সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের সঙ্গীত সাধক আবদুল গফুর হ্নালীকে নিয়ে গবেষণায় তিনি আগ্রহী হয়েছেন। তিনি জানান, তার গবেষণার জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গের নানা জায়গায় ঘুরেছেন। এরপর এসেছেন বাংলাদেশে। এখানে সুফী সাধকদের গান ও বাউল তত্ত্ব নিয়ে গবেষণার বিষয়ে বাংলা একাডেমির সহযোগিতা পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে বেঞ্জামিন উত্তরবঙ্গের নানা জায়গায় ঘুরেছেন। কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও ময়মনসিংহের লোকসঙ্গীত নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। লালনের আস্তানায় গিয়েছেন। বাংলাদেশে আসার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাকে এক বাঙালীর কাছ থেকে বাংলাভাষা শিখেন। সাংবাদিক ও কবি সাহিত্যিকদের সঙ্গে চট্টগ্রামে আড্ডায় তিনি চমৎকারভাবে গেয়ে শুনিয়েছেন ‘নবী মোর পরশমণি, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক গান ওরে সাম্পানওয়ালা তুই আমারে করলি দেওয়ানাসহ আকর্ষণীয় বিভিন্ন গান। চট্টগ্রামে অবস্থানকালে তিনি সঙ্গীত সাধক আবদুল গফুর হৃালীর সঙ্গে দেখা করার জন্য পটিয়ায় যান। তার বয়স এখন ৮৮ বছর। নিত্যান্ত সাদামাটা হৃালীর জীবন। তার গানে রয়েছে প্রকৃতির রূপ রস ও গন্ধ।

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী ২০১৫

১১/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: