মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

প্রজাপতি মেলা

প্রকাশিত : ৭ ডিসেম্বর ২০১৪

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রজাপতি মেলায় হরেক রকম প্রজাপতির ওড়াউড়ি দেখে মুগ্ধ দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা বিভিন্ন বয়সের দর্শনার্থী। হাল্কা শীতে কুয়াশা আর রোদের লুকোচুরির মাঝে হরেক রঙের প্রজাপতির বিচরণ দেখে সার্থক হয়েছে দর্শনার্থীদের মেলায় আসা। প্রজাপতি আর প্রজাপতিপ্রেমীর সরব উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৫ ডিসেম্বর জাবি ক্যাম্পাসে পঞ্চমবারের মতো প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার ‘ডিঙ্গি বুশব্রাউন’, ‘কমন ডাফার’, ‘এপফ্লাই’, ‘প্লেন টাইগার’, ‘কমন ক্রো’, প্লেম জুডি’ ‘পিডব্লু’সহ দেড় শতাধিক প্রজাপতি নানা রঙের ডানা মেলে রাঙ্গিয়ে তোলে জাবি ক্যাম্পাস। মেলাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাস সাজানো হয় বর্ণিল রূপে। প্রজাপতির ছবি সংবলিত ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে যায় জহির রায়হান মিলনায়তন, শহীদ মিনার চত্বর এবং বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকা। জহির রায়হান মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় প্রজাপতির আলোকচিত্র প্রদর্শনী। প্রজাপতি মেলা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারও প্রজাপতিপ্রেমী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছুটে আসেন। এদের মধ্যে শিশু-কিশোরের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রজাপতি দেখার পাশাপাশি প্রজাপতির সঙ্গে ছবি তুলতে ভোলেনি শিশু-কিশোররা। মেলা থেকে বাদ পড়েনি প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও। সবার কাছে প্রজাপতি মেলা পরিণত হয়েছিল মিলনমেলায়। পুরনো বন্ধুকে কাছে পেয়ে খোশগল্পে মেতে ওঠেন অনেকেই। শতাধিক জাতের প্রজাপতি দেখতে দর্শনার্থীরা জহির রায়হান মিলনায়তন ও বোটানিক্যাল গার্ডেনের ‘প্রজাপতির ঘরে’ ভিড় জমায়। দর্শনার্থী অতিথির পদচারণায় মুখরিত দিন কাটে জাবি ক্যাম্পাসের। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের কীটতত্ত্ব শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলার উদ্বোধন করেন জাবি উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম। অনুষ্ঠানে মেলার আহ্বায়ক প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন তুহিন, আই ইউসিএন’র আঞ্চলিক প্রতিনিধি ইশতিয়াক উদ্দিন আহমেদ, ‘প্রকৃতি ও জীবন’ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুকিত মজুমদার বাবু উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রজাপতি গবেষণায় অবদান রাখায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সোহরাব হোসেনকে আজীবন সম্মাননা দেয়া হয়। এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানভীর হাসানকে প্রদান করা হয় প্রজাপতি ইয়ং এ্যাওয়ার্ড ।

ক্যাম্পাস ভাস্কর্য

সড়ক দুর্ঘটনা স্মৃতি স্থাপনা

প্রতিনিয়তই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। এই মৃত্যুর মিছিল বন্ধ করতে দরকার সবার সম্মিলিত উদ্যোগ। ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীরসহ আরও ৩ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে দেশের মানুষের সচেতনতা যাতে বৃদ্ধি পায়, সে লক্ষ্যে সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংলগ্ন ‘সড়ক দুর্ঘটনা স্মৃতি স্থাপনা’ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই স্মৃতিস্থাপনার পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও স্থাপনের কাজ করছেন শিল্পী ঢালি আল মামুন, নিসর্গ-নকশা করেছেন স্থপতি সালাউদ্দিন আহমেদ।

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

প্রকাশিত : ৭ ডিসেম্বর ২০১৪

০৭/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: