কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

আজো চোখে ভাসে ১৯৭১ সালের সেই ৯টি মাস

প্রকাশিত : ২০ মার্চ ২০১৫
  • আসাদ চৌধুরী, কবি

যে বই বারবার পড়ি

রবীন্দ্রনাথের গীতবিতান। এ বইটি আমার বালিশের তলে থাকে সবসময়। প্রতি রাতেই আমি সেটা পড়ি। আমার এ অভ্যাস গড়ে উঠেছে সেই ১৯৭৩ সাল থেকে।

যে বই এখনো হয়নি পড়া

অনেক বই-ই তো পড়িনি জীবনে। এমনকি অনেক বই কিনে রেখেছি, সেগুলোও পড়া হয়ে ওঠেনি আজো। এর সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

যে চলচ্চিত্র দাগ কেটে আছে মনে

অসংখ্য ছবি। কেননা প্রচুর ছবি দেখি আমি। তবে এর মধ্যে যদি বিশেষ করে বলতে হয়, তবে রোমান হলিডে, বাফেলো সোলজার বেশ ভালো লেগেছে।

সিনেমার যে নায়িকা আমার চোখে নায়িকা

একজনের নাম বললে অবিচার করা হবে। সুচিত্রা সেন, সোফিয়া লরেন, এলিজাবেথ টেইলর, মাধুরী দীক্ষিত, সাবিহা খানম...

যে গান গুনগুন করে গাই

প্রচুর গান শুনি আমি। তাই একেক সময় একেক গান গুনগুন করি। রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, ভাটিয়ালি, লালনের অনেক গান আমার বড়ো প্রিয়। হেমন্ত, লতা, মুকেশ অসম্ভব প্রিয় আমার।

প্রিয় যে কবিতার পঙ্ক্তিটি মনে পড়ে মাঝে মাঝে

অনেকের অনেক কবিতাই আমার মনে পড়ে। জীবনানন্দ দাশ, আল মাহমুদ, নির্মলেন্দু গুণ, আবুল হাসান, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহসহ অনেকের কবিতা...

খ্যাতিমান যে মানুষটি আমার বড়ো প্রিয়

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আমার খুবই প্রিয় ব্যক্তিত্ব

যে ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না

ফুলের মধ্যে আমার কাছে বরাবরই শীর্ষে আছে গোলাপ। এরপর রজনীগন্ধার গন্ধ আমার বেশ ভালো লাগে। বকুল ফুলও আমার বড়ো প্রিয় ফুল।

যা খেতে ভালোবাসি খুব

চা, পান (হা হা হা...)

যা সহ্য করতে পারি না একেবারেই

ভণ্ডামী

জীবনে যার কাছে সবচেয়ে বেশি ঋণী

আমার আম্মা

যেমন নারী আমার পছন্দ

তাকে এখনো খুঁজছি আমি। তবে আমার বউয়ের মধ্যে আমার সেই প্রিয় নারীকে খুঁজে বেড়াই।

যেখানে যেতে ইচ্ছে করে

কক্সবাজারে যেতে আমার কখনো ক্লান্তি লাগেনি। এছাড়া সুন্দরবন আমাকে অনেক টানে (যদিও মাত্র দুইবার যাওয়া হয়েছে সেখানে)। আরও কিছু দিন বেঁচে থাকলে দার্জিলিংয়ে যাওয়ার ইচ্ছে আছে।

যেভাবে সময় কাটাতে সবচেয়ে ভালো লাগে

আড্ডা দিয়ে, বই পড়ে, টেলিভিশনে সিনেমা কিংবা খেলা দেখে, গান শুনে।

যে স্বপ্নটি দেখে আসছি দীর্ঘদিন ধরে

মানুষ মানুষকে শ্রদ্ধা করবে, ভালোবাসবে...

যে কারণে আমি লিখি

ভালোবাসি বলে। বাঁচার আনন্দটাকে প্রকাশ করবো বলে...

নিজের যে বইটির প্রতি বিশেষ দুর্বলতা আছে

এখন পর্যন্ত সেই বইটি লিখতে পারিনি।

ভালোবাসা মানে আমার কাছে

রফিক আজাদের কবিতার পঙ্ক্তি দিয়ে বলি ‘দুজনার পাগলামী’

আমার চোখে আমার ভুল

অনেক, অনেক, অনেক। জীবনের প্রতি পাতায় না হোক, অন্তত তিন পাতা পর পর ভুল আছে।

জীবনে যা এখনো হয়নি পাওয়া

অনেক অপূর্ণ ইচ্ছা রয়ে গেছে। আজকের বাংলাদেশে যেভাবে মানুষ মরছে, তা তো কক্সিক্ষত ছিল না, এই বাংলাদেশ তো আমি চাইনি। মানুষ নিরাপদে বাঁচবে, দু-মুঠো খেতে পারবে, রাতঘুমে সুন্দর স্বপ্ন দেখবে, তা আর হলো কোথায়? না-পাওয়ার তালিকাটা অনেক বড়ো... থাক!

যে স্মৃতি এখনো চোখে ভাসে

আজো চোখে ভাসে ১৯৭১ সালের সেই ৯টি মাস। ত্যাগে, সাহসে সমগ্র বাঙালী জাতি সেসময় যেভাবে জেগে উঠেছিল, পরবর্তী সময়ে আর তা খুঁজে পাওয়া গেল না।

যা হতে চেয়েছিলাম- পারিনি

অনেক কিছুই তো হতে চেয়েছিলাম। হওয়া হলো না। পানের দোকানদার, হকার, সিনেমার টিকিট বিক্রেতা, উকিল, আরও কত কি.......

জীবনের এ প্রান্তে এসে যতটা সফল মনে হয় নিজেকে

সফলতা-বিফলতায় আমি বিশ্বাস করি না। এটা নিয়ে ভাবিও না।

যা ভালো লাগে- পাহাড় নাকি সমুদ্র?

দুটোই। তবে সমুদ্র যেহেতু বেশি দেখার সুযোগ হয়নি, সেটার প্রতি দুর্বলতা বেশি।

যেটা বেশি টানে- বর্ষার বৃষ্টি নাকি শরতের নীলাকাশ?

সবসময়ই বর্ষার বৃষ্টি।

সাক্ষাতকার : অঞ্জন আচার্য

প্রকাশিত : ২০ মার্চ ২০১৫

২০/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: