আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

অনিয়মিত ঘুমে শিশুর বুদ্ধি কমে

প্রকাশিত : ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • ইব্রাহিম নোমান

স্কুলগামী শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক এবং কর্মব্যস্ত প্রতিটি মানুষের ঘুমের একটা নির্দিষ্ট সময় থাকে। কিন্তু একেবারে ছোট শিশুর ঘুমের সময় নিয়ে মা-বাবাকে খুব একটা দুশ্চিন্তা করতে দেখা যায় না। অন্তত বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করানোর আগ পর্যন্ত তো নয়ই। কিন্তু শিশুর অনিয়মিত ঘুম অথবা রাতে দেরিতে ঘুমাতে যাওয়াটা ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক ভোঁতা করে ফেলে। এর প্রভাব তার শিক্ষাজীবনেও পড়তে পারে। ১১ হাজারের বেশি শিশুর ওপর গবেষণা শেষে এমন দাবি করেছেন ব্রিটিশ গবেষকরা।

ওই গবেষণায় শিশুদের তিন থেকে সাত বছর বয়স পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। এতে বিশেষজ্ঞরা দেখেন, তিন বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে অনিয়মিত ঘুম একটি সাধারণ বিষয়। সাত বছর বয়সে পৌঁছাতে পৌঁছাতে অর্ধেকেরও বেশি শিশুর মধ্যে ঘুমের রুটিন তৈরি হয়ে গেছে। তবে যেসব শিশুর মধ্যে নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস তৈরি হয়নি, তারা অন্য শিশুর তুলনায় পড়া, অঙ্ক করা এবং অন্য পরীক্ষায় খারাপ করেছে।

জার্নাল অব এপিডেমিওলজি এ্যান্ড কমিউনিটি হেলথের প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা জানান, অনিয়মিত ঘুমের নেতিবাচক প্রভাব ছেলে শিশুর তুলনায় মেয়ে শিশুর ওপর বেশি এবং সেটা ক্রমেই বাড়তে থাকে। গবেষকদের মতে, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব শিশুর দেহঘড়ির ছন্দ এবং মস্তিষ্কের নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা নষ্ট করে। গবেষক দলের প্রধান ও ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক আমান্ডা সেকার জানান, বিশৃঙ্খল পারিবারিক আবহ শিশুর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। সে জন্য শিশুর মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পাড়ে। এ ছাড়া অনগ্রসর সামাজিক পরিবেশে বড় হওয়া, বেশি টেলিভিশন দেখাটাও মানসিক বিকাশে বাধা হতে পারে। তবে এসব সমস্যার সমাধান করার পরও তাঁরা শিশুর অনিয়মিত ঘুম আর মস্তিষ্কের বিকাশের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন।

তাই শিশুর নিয়মিত ঘুমের ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এখনও কোন শিশুর মধ্যে সে অভ্যাস তৈরি না হলেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, সে অভ্যাস তৈরি করা উচিত বলে তাঁদের অভিমত।

সূত্র : বিবিসি

প্রকাশিত : ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

০৬/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: