মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

দেশীয় কয়লা উত্তোলনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন

প্রকাশিত : ৯ জানুয়ারী ২০১৫
  • সেমিনারে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশীয় কয়লা উত্তোলনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। দেশের জ্বালানির অবস্থা উন্নয়নে দেশীয় কয়লা ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। পাওয়ার এনার্জি এ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (পিইএনআরডিসি) আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন। প্রকৌশলীদের এই সংগঠন বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যুত ভবনে বিদ্যুত উৎপাদনে দেশীয় কয়লা ব্যবহার সংক্রান্ত সেমিনারটির আয়োজন করে।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুত জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, আমাদের গ্যাসের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এ জন্য সরকার বিকল্প অনুসন্ধান করছে। বিকল্প হিসেবে সমুদ্রে তেল গ্যাসের অনুসন্ধান করা হবে। এ জন্য আগামী এক মাসের মধ্যে ভারত এবং মিয়ানমারের সমুদ্রসীমার আশপাশের ব্লকগুলো ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এ ছাড়া সমুদ্রে তৃতীয়মাত্রার ভূকম্পন জরিপ করা হবে। এর মাধ্যমে আমরা সাগরে তেল-গ্যাসের মজুদ সম্পর্কে একটা ধারণা পেতে পারি। এ ছাড়া সরকার এলএনজি আমদানির জন্য টার্মিনাল নির্মাণ করছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে পড়ছি উল্লেখ করে বলেন, দেশীয় কয়লায় বিদ্যুত উৎপাদনের কোন বিকল্প নেই।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে প্রকৗশলী মেজবাউর রহমান টুটুল বলেন, আমাদের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে হলে মাথাপিছু বিদ্যুতের ব্যবহার ৫০০ কিলোওয়াট আওয়ারে পৌঁছাতে হবে। এ জন্য ব্যাপকভিত্তিক উন্নয়ন কর্মকা-ের জন্য বিদ্যুত উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।

সরকারের পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রতিবছর ২৪০ মিলিয়ন টন কয়লার প্রয়োচজন হবে। এর মধ্যে দেশীয় কয়লার সংস্থান করতে হবে ১১০ মিলিয়ন টন আর আমদানি করা কয়লা ব্যবহার করতে হবে ১৩০ মিলিয়ন টন। এখন এই কয়লা সংস্থানের জন্য দেশের খনি উন্নয়ন করা জরুরী উল্লেখ করে তিনি বলেন এ জন্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ জরুরী।

প্রকাশিত : ৯ জানুয়ারী ২০১৫

০৯/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: