মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

গুলির মুখে মরার ভান করে বেঁচে গেলেন গুলু মুরমু

প্রকাশিত : ৩ জানুয়ারী ২০১৫

স্বাধীনতার ৪৩ বছর পার হলেও আজও চিহ্নিত করা হয়নি নওগাঁর পতিœতলা উপজেলার নিরমইল ইউনিয়নের হালিমনগর বধ্যভূমিটি। ১৯৭১ সালের ৩০ নবেম্বর এখানে আদিবাসী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী সব মিলিয়ে ৩৬ জনকে একই সঙ্গে হত্যা করে গণকবর দেয় পাকিস্তানী খানসেনা ও রাজাকাররা। স্থানীয় রাজাকাররা এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হলেও তারা অনেকেই বেঁচে আছে। গুলু মুরমু জানান আয়মত আলী, শহীদ, নজরুল ও সিরাজ এরা চিহ্নিত রাজাকার। তাদের মধ্যে কেউ বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সেই রাজাকাররা বেঁচে থাকলেও তারা রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

সেদিন পাকিস্তানী সেনাদের গুলিতে হতাহত ব্যক্তিদের আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৩০ নবেম্বর নওগাঁর পতœীতলা থানাধীন সিহাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের পাইকবান্দা ও হালাকান্দর এবং নিরমইল ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের সাঁওতাল আদিবাসীদের জীবনে দিনটি ছিল লোমহর্ষক ভয়াবহ দিন । সেদিন ওই তিনটি গ্রামের মোট ১৮ জন এবং পতœীতলা ও ধামইরহাট থানার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ধরে নিয়ে আসা লোকজন মিলে মোট ৩৬ জনকে নির্বিচারে হত্যা করে পাকিস্তানী সেনারা। নিহতদের স্বজনের ভাষ্যমতে এ হত্যাকা-ে সহায়তা করে রাজাকাররা। জানা যায়, যাদের হত্য করা হয় সেসব শহীদরা ওইদিন সকালে ধান কাটছিল। সে সময় সকাল ১০টার দিকে পাকিস্তানী সেনা ও রাজাকার বাহিনী ধানক্ষেত থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায়।

Ñসেলিম জাহাঙ্গীর, রাজশাহী থেকে

প্রকাশিত : ৩ জানুয়ারী ২০১৫

০৩/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: