ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১

ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক গ্রন্থ

সানজিদা শিফা

প্রকাশিত: ০০:৫৪, ২৩ জুন ২০২৪

ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক গ্রন্থ

ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভোগা তরুণ-তরুণীর সংখ্যা বিপুল

ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভোগা তরুণ-তরুণীর সংখ্যা বিপুল। পড়াশোনা শেষ করে ভালো একটি চাকরির বা অন্য যে কোনো পেশা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন তারা। এ সংকটটি প্রকট হয় তাদের ক্ষেত্রে যারা পাঠ্যবইয়ের বাইরে আর কোনো বই পড়ায় অভ্যস্ত নন। অথচ জ্ঞান, দক্ষতা এবং মানসিকতা উন্নয়নের চমৎকার একটি উপায় হলো বই পড়া।

আপনি যদি আপনার পেশাদার কর্মজীবনকে এগিয়ে রাখতে চান বা সাম্প্রতিক সময়ে স্নাতক সম্পন্ন করে চাকরির সুযোগের অপেক্ষায় আছেন, তাহলে পড়ে নিতে পারেন কয়েকটি প্রয়োজনীয় বই। বইগুলো পড়া থাকলে আপনার সফলতার পথে দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করতে পারে। ক্যারিয়ারের উন্নতিতে সহায়ক এমন সেরা ৭টি বই নিয়ে আজকের আয়োজন। লিখেছেন- সানজিদা শিফা

এরিক রাইসের ‘দ্য লিন স্টার্টআপ’
উদ্যোক্তা, স্টার্টআপ এবং শিল্পের প্রতি আগ্রহী ব্যক্তিদের এ বইটি অবশ্যই পড়া উচিত। কোনো একটি ধারণা কিভাবে পরীক্ষা এবং যাচাই করতে হয়, একটি ন্যূনতম কার্যকর পণ্য তৈরি এবং গ্রাহকের প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে কিভাবে পুনরায় কাজ করতে হবে ইত্যাদি শেখা যাবে বইটি পড়লে।
স্টিফেন কোভির ‘দ্য সেভেন হ্যাবিটস অব হাইলি এফেক্টিভ পিপল’
ব্যক্তিগত এবং পেশাদার সাফল্যের পথে সহায়ক মৌলিক অভ্যাসগুলো নিয়ে আলোচনা রয়েছে বইটিতে। যার মাধ্যমে কিভাবে কাজের অগ্রাধিকার দিতে হয়, কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে হয় এবং সক্রিয় মানসিকতা তৈরি করতে হয় জানা যায়।
ক্যারল এস ডুয়েকের ‘মাইন্ডসেট : দ্য নিউ সাইকোলজি অব সাকসেস’
ক্যারল এস ডুয়েক এই বইটিতে মানসিকতার শক্তি খুঁজে বের করা এবং কিভাবে এটি ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে তা দেখিয়েছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, মানসিকতার বিকাশ কিভাবে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এবং ব্যর্থতাকে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
এখার্ট টলির ‘দ্য পাওয়ার অব নাও’
এই বইটি শেখাবে কিভাবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাঁচতে হয় এবং শান্তি, সুখ এবং স্বচ্ছতা খুঁজে পাওয়া যায়। যারা মননশীলতা গড়ে তুলতে এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনে চাপ দূর করতে চান তাদের জন্য এই বইটি সেরা পছন্দ হতে পারে।
রল্ফ ডোবেলির ‘দ্য আর্ট অব থিঙ্কিং ক্লিয়ারলি’
এই বইটিতে রল্ফ ডোবেলি কর্মজীবনে বাধা সৃষ্টি করে এমন সাধারণ জ্ঞান সম্বন্ধীয় পক্ষপাত শনাক্ত করা এবং সেগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য সহায়ক পথ নিয়ে আলোচনা করেছেন। জটিল চিন্তন দক্ষতা উন্নত করে কিভাবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় সে বিষয়ে ব্যবহারিক কৌশল এবং উদাহরণ রয়েছে বইটিতে।
 ড্যানিয়েল কোয়েলের ‘দ্য ট্যালেন্ট কোড’
এ বইটি প্রতিভার পেছনে থাকা বিজ্ঞান এবং কিভাবে এটির বিকাশ ঘটানো যায় তা অনুসন্ধান করে। বইটিতে অনুপ্রেরণা, অনুশীলন এবং শেখার কৌশলের মতো বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছে, যা ব্যক্তির কর্মজীবনে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করতে পারে।
অলিভিয়া ফক্স ক্যাবেনের ‘দ্য ক্যারিশমা মিথ’
অলিভিয়া ফক্স ক্যাবেন এ বইটিতে কিভাবে ক্যারিশমা এবং নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশ করতে হয় তা দেখিয়েছেন। বইটি শারীরিক অঙ্গভঙ্গি, যোগাযোগ এবং মানসিক বুদ্ধিমত্তার মতো বিষয় উপস্থাপন করে এবং কিভাবে প্রভাবিত করা যায় এবং প্রভাব বাড়ানো যায় তা নিয়ে ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে আলোচনা করে। আপনার ক্যারিয়ারের অগ্রগতিতে দক্ষতা, মানসিকতা এবং নেতৃত্বের ক্ষমতা বিকাশে এ বইগুলো সহায়তা করতে পারে। বইগুলোতে উপস্থাপিত ধারণা পড়ে এবং বাস্তবায়ন করে আপনার সাফল্যের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারেন এবং লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন।

×